Electricity Bill: ১৫ লিটারের গিজার ঘণ্টায় কত ইউনিট বিদ্যুৎ পোড়ায়? দিনে ২, ৬ কিংবা ৮ ঘণ্টা চালালে মাসে কত বিল আসবে? অঙ্ক মিলিয়ে নিন
- Reported by:Trending Desk
- news18 bangla
- Published by:Ananya Chakraborty
Last Updated:
Electricity Bill: শীতে গিজার ব্যবহারে বিদ্যুৎ বিল হু হু করে বাড়ে। গিজারের ইউনিট কীভাবে হিসেব করবেন, কোন বিষয়গুলো বিদ্যুৎ খরচ বাড়ায় এবং কীভাবে তা কমানো যায়
advertisement
1/13

তুখোড় শীতে গরম জল একটি দৈনন্দিন প্রয়োজন আর আরাম দুইয়েরই বিষয়, কিন্তু এর সঙ্গে এমন একটি খরচ জড়িত যা অনেকেই উপেক্ষা করেন। গিজার বাড়ির সবচেয়ে বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী যন্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম। গিজারের বিদ্যুৎ খরচ হিসেব করা খুব সহজ। একবার নিজেদের গিজারের ওয়াটেজ এবং গড় ব্যবহারের সময় জেনে গেলে এটি কত ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করে তা অনুমান করা যাবে। এই প্রতিবেদনে ব্যাখ্যা করা হয়েছে কীভাবে এটি গণনা করতে হয়, কোন কারণগুলো এই সংখ্যাকে প্রভাবিত করে এবং কীভাবে এটি কমানো যায়।
advertisement
2/13
গিজারের বিদ্যুৎ খরচ কীভাবে গণনা করা যেতে পারে:প্রতিটি গিজারের একটি ওয়াটেজ রেটিং থাকে যা জল গরম করার সময় গিজারের বিদ্যুৎ ব্যবহার দেখায়। এই সংখ্যাটি সাধারণত ১৫০০ থেকে ৩০০০ ওয়াটের মধ্যে থাকে এবং এটি পণ্যের লেবেলে মুদ্রিত থাকে বা ম্যানুয়ালে উল্লেখ করা থাকে।
advertisement
3/13
এটি কতটা শক্তি ব্যবহার করে তা অনুমান করতে এই সহজ সূত্রটি প্রয়োগ করতে হবে: ব্যবহৃত শক্তি (kWh) = পাওয়ার রেটিং (kW) × ব্যবহারের সময় (ঘণ্টা)
advertisement
4/13
উদাহরণ দিয়ে বুঝে নেওয়া যাক:ধরা যাক একটি ২০০০-ওয়াটের গিজার (২ kW) আছে, যা প্রতিদিন প্রায় ২ ঘণ্টা চলে।দৈনিক শক্তি ব্যবহার = ২ kW × ২ ঘণ্টা = ৪ kWh (৪ ইউনিট বিদ্যুৎ)মাসিক শক্তি ব্যবহার = ৪ × ৩০ = ১২০ kWhযদি বিদ্যুতের হার প্রতি ইউনিট ৮ টাকা হয়, তাহলে শুধুমাত্র গিজারের জন্যই মাসে প্রায় ৯৬০ টাকা খরচ হয়।
advertisement
5/13
গিজারের বিদ্যুৎ খরচকে প্রভাবিত করে এমন কিছু কারণ-প্রতিটি বাড়িতে বিদ্যুতের ব্যবহার একই রকম হয় না। একই মডেলের গিজার দুই পরিবারে আলাদা ইলেকটিরিক বিল নিয়ে আসে। এই তারতম্য নিম্নলিখিত প্রধান কারণে হয়:
advertisement
6/13
১. পাওয়ার রেটিং (ওয়াটেজ)বেশি ওয়াটেজ মানে বেশি বিদ্যুৎ খরচ। একটি ৩ kW-এর গিজার দ্রুত জল গরম করে, কিন্তু ১.৫ kW-এর গিজারের চেয়ে প্রতি ঘণ্টায় বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। কারও লক্ষ্য যদি শক্তি সাশ্রয় হয়, তবে সবচেয়ে শক্তিশালী মডেলটি বেছে না নিয়ে দৈনন্দিন প্রয়োজন অনুযায়ী ওয়াটেজ নির্বাচন করতে হবে।
advertisement
7/13
২. ব্যবহারের সময়কালগিজার চলার প্রতিটি অতিরিক্ত মিনিট খরচ বাড়িয়ে তোলে। অন্য কিছু করার সময় এটি চালু রাখলে শক্তি নষ্ট হয়। জল গরম করার পরেই এটি বন্ধ করে দিলে বিল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাবে।
advertisement
8/13
৩. জলের পরিমাণ এবং ট্যাঙ্কের ধারণক্ষমতাএকটি বড় স্টোরেজ গিজার, যেমন ২৫ লিটারের মডেল, ছোটগুলোর চেয়ে বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে, কারণ এটিকে বেশি পরিমাণ জল গরম করতে হয়। কেউ যদি একা থাকেন বা মাত্র দুজনের সংসার হয়, তবে ছোট স্টোরেজ বা ইনস্ট্যান্ট ইউনিটগুলো বেশি সাশ্রয়ী।
advertisement
9/13
৪. জলের তাপমাত্রাঠান্ডা জল গরম হতে বেশি সময় লাগে। শীতকালে একই তাপমাত্রায় পৌঁছানোর জন্য গিজারটি বেশিক্ষণ চালু থাকে, যার অর্থ বিদ্যুতের ব্যবহারও বেশি হয়।
advertisement
10/13
৫. থার্মোস্ট্যাট সেটিংবেশিরভাগ গিজার ৬০-৭০°C পর্যন্ত গরম হয়, কিন্তু দৈনন্দিন ব্যবহারের জন্য ৫০-৫৫°C তাপমাত্রাই যথেষ্ট। তাই তাপমাত্রা যত বেশি সেট করা হবে, তত বেশি শক্তি খরচ হবে। তাপমাত্রা পরিমিত রাখলে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়।
advertisement
11/13
৬. ইনসুলেশন এবং তাপের অপচয়খারাপ ইনসুলেশনযুক্ত ট্যাঙ্ক এবং পাইপ দিয়ে তাপ বেরিয়ে যায়। ভাল মানের ইনসুলেশনযুক্ত একটি গিজার বেশিক্ষণ তাপ ধরে রাখে। এটি ঘন ঘন জল গরম করার প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দেয়।
advertisement
12/13
৭. ব্যবহারের ফ্রিকোয়েন্সি এবং পরিবারের আকারচারজনের একটি পরিবার দিনে একাধিকবার গিজার ব্যবহার করলে স্বাভাবিকভাবেই বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে।
advertisement
13/13
৮. স্কেল জমা এবং রক্ষণাবেক্ষণক্রমাগত ব্যবহারে হিটিং এলিমেন্টের উপর খনিজ পদার্থ জমা হয়। এর ফলে তাপ স্থানান্তরের কার্যকারিতা কমে যায় এবং সেট করা তাপমাত্রায় পৌঁছানোর জন্য গিজারকে বেশি শক্তি ব্যবহার করতে হয়। নিয়মিত পরিষ্কার করলে কার্যকারিতা ঠিক থাকে।