PAN Aadhaar: প্যান-আধারের অতি গোপন তথ্য ডার্ক ওয়েবে কীভাবে যায়? ৫০০ টাকার বিনিময়ে ফাঁস হয় ডাটা, কীভাবে জানুন
- Reported by:Trending Desk
- Published by:Shubhagata Dey
Last Updated:
PAN Aadhaar: আধার নম্বর, নাম, ঠিকানা, ছবি, ফোন নম্বর এবং প্যানের বিবরণ ডার্ক ওয়েবে মাত্র ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়! আজ থেকেই সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। কীভাবে সতর্কতা অবলম্বন করবেন? জানুন...
advertisement
1/9

*আজকাল প্রতিটি ভারতীয়েরই আধার এবং প্যান কার্ড আছে। এগুলো আমাদের পরিচয়। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে ঋণ পাওয়া পর্যন্ত সবকিছুই এগুলোর উপর নির্ভর করে। কিন্তু একটি আশ্চর্যজনক সত্য হল যে আধার নম্বর, নাম, ঠিকানা, ছবি, ফোন নম্বর এবং প্যানের বিবরণ ডার্ক ওয়েবে মাত্র ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়। প্রতীকী ছবি।
advertisement
2/9
*ডার্ক ওয়েব হল ইন্টারনেটের একটি অন্ধকার অংশ যা গুগল বা ক্রোমে অনুসন্ধান করা যায় না। হ্যাকাররা এখানে চুরি করা ডেটা কিনে বিক্রি করে। সাধারণ ব্যক্তিরা তাদের কাজ সম্পন্ন করার জন্য হোয়াটসঅ্যাপ বা টেলিগ্রামে এজেন্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এক্ষেত্রে। প্রতীকী ছবি।
advertisement
3/9
*২০১৮ সালে ট্রিবিউন সংবাদপত্র প্রকাশ করে যে ৫০০ টাকায় যে কারও সম্পূর্ণ আধার তথ্য পাওয়া যায়। এজেন্ট ব্যবহারকারীর আইডি এবং পাসওয়ার্ড প্রদান করে এবং নাম, ঠিকানা এবং ছবি দেখতে UIDAI ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করা যায়। একটু বেশি অর্থের বিনিময়ে একটি জাল কার্ডও প্রিন্ট করা যেতে পারে। প্রতীকী ছবি।
advertisement
4/9
*UIDAI এই বিষয়টি অস্বীকার করেছে, কিন্তু প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে মামলাও করেছে। এবার আসা যাক আরও বড় তথ্য ফাঁসের কথায়। ২০২৩ সালে ৮১৫ মিলিয়ন ভারতীয়র তথ্য ডার্ক ওয়েবে মাত্র ৮০,০০০ ডলারে (প্রায় ৬৭ লক্ষ টাকা) বিক্রি হয়েছিল। প্রতীকী ছবি।
advertisement
5/9
*২০২৪ সালে ৭৫ কোটি মানুষের মোবাইল নম্বর, বাড়ির ঠিকানা এবং আধার ডেটা মাত্র ২.৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। এই ডেটা CoWIN এবং ICMR-এর মতো সরকারি সাইট, ব্যাঙ্ক, টেলিকম কোম্পানি এবং অনলাইন অ্যাপ থেকে ফাঁস হয়েছে। প্রতীকী ছবি।
advertisement
6/9
*বুঝতে অসুবিধা নেই অভ্যন্তরীণ কর্মীরা প্রায়শই অর্থের বিনিময়ে তথ্য বিক্রি করে। ফিশিং অ্যাটাকের ফলে লোকেরা তাদের OTP বা অন্যান্য বিবরণ শেয়ার করে। যখন তথ্য ফাঁস হয়, তখন ঝুঁকি উল্লেখযোগ্য হয়ে ওঠে। যে কেউ তাই আপনার নামে ঋণ নিতে পারে, আপনার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খালি করতে পারে, অথবা জাল নথি তৈরি করতে পারে। পরিচয় চুরি বছরের পর বছর ধরে কষ্টের কারণ হতে পারে। প্রতীকী ছবি।
advertisement
7/9
*সরকার দাবি করে যে আধার নিরাপদ এবং বায়োমেট্রিক তথ্য ফাঁস হয় না। তবে প্রতি বছর নতুন তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটে। একটি নতুন তথ্য সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, কিন্তু তাতে কঠোরতার অভাব রয়েছে বলে মনে হচ্ছে। তাহলে আমাদের কী করা উচিত? প্রতীকী ছবি।
advertisement
8/9
*কখনই অজানা লিঙ্কে ক্লিক করা চলবে না। কারও সঙ্গে OTP শেয়ার করা চলবে না। একটি শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। UIDAI ওয়েবসাইটে গিয়ে নিয়মিত নিজের ডেটা পরীক্ষা করতে হবে। যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে সাইবার ক্রাইম পোর্টালে অভিযোগ করতে হবে। বন্ধুবান্ধব এবং পরিবারকেও সচেতন করতে হবে। প্রতীকী ছবি।
advertisement
9/9
*আসলে ডিজিটাল ইন্ডিয়াতে সতর্ক থাকা আমাদের নিজেদেরই দায়িত্ব। পুরো জীবন ৫০০ টাকায় বিক্রি হয়ে যেতে পারে, তাই আজ থেকেই সতর্ক থাকা গুরুত্বপূর্ণ। প্রতীকী ছবি।