Knowledge Story: ৬০ হাজার কেজি ওজন! মুখে ২৭০টা দাঁত! পৃথিবীর সব থেকে বড় জীব কোনটি জানেন?
- Reported by:Rahi Haldar
- Published by:Piya Banerjee
Last Updated:
Knowledge Story: বিশাল এই প্রাণীর কথা শুনেছেন? বহু মানুষ জানেন না সঠিক উত্তর! চমকে যাবেন
advertisement
1/8

বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বৃহত্তম জীব হিসেবে পরিচিত সমুদ্রের নীল তিমি। তবে একটা সময় ছিল যখন এই নীল তিমি ছিল এক প্রজাতির হাঙ্গরের প্রিয় খাদ্য। জলজ জীব হিসাবে পৃথিবীর সবথেকে বৃহত্তম ধান বাকৃতির হাঙর ছিল এই পৃথিবীতেই যার নাম মেগালোডন। ছয়তলা উঁচু ভবনের সমান বিশাল শরীর নিয়ে দাপিয়ে বেড়াত এই শিকারি। কিন্তু ৩৫ লাখ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যায় পৃথিবীর ইতিহাসে বৃহদাকার হাঙরের প্রজাতি।
advertisement
2/8
বিজ্ঞানীরা বলছেন, মেগালোডনকে পৃথিবীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে সাগরতলের আরেক হিংস্র শিকারি। কিন্তু কী সেই জলজ্যান্ত আতঙ্ক, যা কিনা মেগালোডনের মতো দানবকে বিলুপ্তির পথে ঠেলে দিতে পারে? সেই দানব আজও বেঁচে রয়েছে জলের নিচে।
advertisement
3/8
আজ থেকে ৪৫ কোটি বছর আগে থেকেই সাগরে বিচরণ ছিল হাঙরের। এ তথ্য মানলে তার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, পৃথিবীতে ডাইনোসর, এমনকি গাছ সৃষ্টিরও আগে থেকেই ছিল হাঙরের অস্তিত্ব। আর সেই ধারাবাহিকতায় প্রায় আড়াই কোটি বছর আগে জন্ম হয় মেগালোডনের। এযাবৎ পাওয়া কঙ্কাল ও দাঁতের জীবাশ্ম থেকে ধারণা পাওয়া গেছে, প্রায় ৬০ হাজার কেজি ওজনের বিশাল দানব ছিল এই মেগালোডন। এই শিকারির শুধু ডর্সাল ফিন বা পিঠের পাখনাই ছিল মানুষের আকারের সমান। এই হাঙরের প্রিয় খাবার ছিল ডলফিন, পরপয়েজ, এমনকি তিমিও।
advertisement
4/8
সাগরতলের ভয়ংকর শিকারি মেগালোডন বিলুপ্ত হওয়ার গল্পটা কিছুটা রহস্যে মোড়ানো। জলবায়ু পরিবর্তনের ভূমিকা এখানে কিছুটা হলেও আছে, এমন সিদ্ধান্তে আগেই এসেছিলেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু একেবারে নিশ্চিহ্নই কীভাবে হয়ে গেল মেগালোডন, সে হিসাবটা যেন মিলছিল না।
advertisement
5/8
২০২২ সালের শুরুতে মেগালোডনের দাঁতের জীবাশ্ম নিয়ে এক গবেষণা প্রকাশ পায়, আর তাতে মেলে বিচিত্র এক তথ্য। গবেষকেরা বলেন, মেগালোডনের নিশ্চিহ্ন হওয়ার পেছনে দায় আছে তুলনামূলক নতুন এক প্রজাতির হাঙরের, যার জন্ম দেড় কোটি বছর আগে। আর সেটা হলো গ্রেট হোয়াইট শার্ক—এখনকার সাগরে সবচেয়ে বড় কয়েকটি প্রজাতির হাঙরের একটি। আকারে মেগালোডনের তিন ভাগের এক ভাগ গ্রেট হোয়াইট, আর ওজন মাত্র দুই হাজার কেজির মতো। বিপরীতে মেগালোডনের ওজন প্রায় ৬০ হাজার কেজি।
advertisement
6/8
এত বিশাল দেহ নিয়েও মেগালোডনের হেরে যাওয়ার কারণ, তার খাবারে ভাগ বসিয়েছিল গ্রেট হোয়াইট। গ্রেট হোয়াইট ও মেগালোডনের দাঁতের তুলনা করে গবেষকেরা দেখতে পেয়েছেন, একই ধরনের খাবার খেত এই দুই প্রজাতির হাঙর। এতে মেগালোডনের খাবারে টান পড়ে।
advertisement
7/8
সম্প্রতি এ বিষয়ে মিলেছে আরও বিস্ময়কর তথ্য। মেগালোডনের দাঁত থেকেই মিলেছে বিচিত্র এ তথ্য। তা হলো, প্রায় সব প্রজাতির হাঙর শীতল রক্তের হলেও মেগালোডনের রক্ত ছিল উষ্ণ। তার রক্তের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ২৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড, মানে সাধারণ শহরের তাপমাত্রার মতোই। আর উষ্ণ রক্তের কারণেই এমন দানবাকৃতি পেয়েছিল মেগালোডন, হয়ে উঠেছিল দক্ষ শিকারি। কিন্তু এই বিশালাকারই আবার কাল হয়ে ওঠে তার জন্য।
advertisement
8/8
সমুদ্রের শীতল জলে থাকা এমন বিশালাকৃতির উষ্ণ রক্তের প্রাণীর ক্রমাগত শরীর গরম রাখতে বিপুল শক্তি খরচ হত ।মেগালোডন বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার সময়টায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও কমে আসতে থাকে। নেমে আসে সমুদ্রের জলের স্তরও। তার সঙ্গে দৃশ্যপটে আসে গ্রেট হোয়াইট শার্ক। সম্ভবত এত শত্রুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পৃথিবীর বুকে আর টিকে থাকতে পারেনি গ্রেট মেগালোডন
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
Knowledge Story: ৬০ হাজার কেজি ওজন! মুখে ২৭০টা দাঁত! পৃথিবীর সব থেকে বড় জীব কোনটি জানেন?