TRENDING:

Indian Railways: ভারতের শেষ রেলস্টেশন, রয়েছে কিন্তু এই বাংলাতেই! নামটা শুনলেই রীতমতো চমকে উঠবেন

Last Updated:
Indian Railways: এই স্টেশনটি ভারতের শেষ স্টেশন, যা বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী। এখানে কোনও যাত্রীবাহী ট্রেন থামে না। এটি প্রাচীনতম রেল স্টেশনগুলির মধ্যে একটি।
advertisement
1/7
ভারতের শেষ রেলস্টেশন, রয়েছে কিন্তু এই বাংলাতেই! নামটা শুনলেই রীতমতো চমকে উঠবেন
ভারতের শেষ রেলস্টেশন সিঙ্গাবাদ। কথিত আছে, এক সময় ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে মালদহের এই সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশন হয়েই ট্রেনে ঢাকা গিয়েছিলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু থেকে শুরু করে মহাত্মা গান্ধীর মতো অনেক মহান ব্যক্তিত্ব। মালদহের এই সিঙ্গাবাদ স্টেশনকে যাতে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করা হয়, সেব্যাপারে উদ্যোগ নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
advertisement
2/7
তবে মাঝপথেই সেই উদ্যোগ থমকে পড়েছে। এমনকী দেশের শেষ রেল স্টেশন সিঙ্গাবাদে যাওয়া একমাত্র যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচলও এখন বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বর্তমানে এই স্টেশন দিয়ে বাংলাদেশে মাঝেমধ্যে পণ্যবাহী কয়েকটি মালগাড়ি চলাচল করে।
advertisement
3/7
এই স্টেশনটি ভারতের শেষ স্টেশন, যা বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী। এখানে কোনও যাত্রীবাহী ট্রেন থামে না। এটি প্রাচীনতম রেল স্টেশনগুলির মধ্যে একটি। এখানকার সবকিছু এখনও ব্রিটিশ আমলের তৈরি। তারা যেভাবে চলে গেছে আপনি সেভাবেই সবকিছু দেখতে পাবেন।
advertisement
4/7
এনএফ রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে পুরাতন মালদহ কোর্ট স্টেশন থেকে সিঙ্গাবাদ পর্যন্ত একটি যাত্রীবাহী ট্রেন চলত। কিন্তু পরবর্তী সময়ে রেল কর্তৃপক্ষ সেই যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেয়। যাত্রী না হওয়ার কারণে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছিল, সেই কারণেই এই রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সিঙ্গাবাদ স্টেশনের পরেই রয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ।
advertisement
5/7
সীমান্তের ওপারে রয়েছে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা। সিঙ্গাবাদ স্টেশনটি মালদহের হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে পড়ে। সিঙ্গাবাদ স্টেশনের সামনে রেল লাইনের ধারে ফলকে জ্বলজ্বল করছে বেশ কিছু লেখা।
advertisement
6/7
যেখানে লেখা রয়েছে দেশের শেষ স্টেশন সিঙ্গাবাদ। দীর্ঘদিন ধরে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে স্টেশনটি বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সিঙ্গাবাদ স্টেশন থেকে ফের চালু হোক যাত্রীবাহী ট্রেন পরিষেবা, এমনই চাইছেন জেলাবাসী। এই স্টেশনটিকে হেরিটেজ হিসেবেও ঘোষণার দাবি উঠেছে।
advertisement
7/7
১৯৭৮ সালের পর এখানে আবার ট্রেন চলাচল শুরু হয়। ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির পর এখানে সবকিছু স্থবির হয়ে পড়ে। এখান থেকে বাংলাদেশ থেকে নেপালে বিপুল পরিমাণ খাদ্য রফতানি হয়। তাদের বহনকারী পণ্যবাহী ট্রেনের চালান রোহনপুর সিঙ্গাবাদ ট্রানজিট পয়েন্ট দিয়ে যায়।
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
Indian Railways: ভারতের শেষ রেলস্টেশন, রয়েছে কিন্তু এই বাংলাতেই! নামটা শুনলেই রীতমতো চমকে উঠবেন
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল