Fire Mountain: ৫০০০ বছর ধরে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন! ঝড়, জল, তুষারপাত...কোনওকিছুতেই নেভেনি, কোথায় আছে জানেন এই ‘জ্বলন্ত পাহাড়’? অনন্তশিখার রহস্য কী?
- Published by:Ankita Tripathi
- news18 bangla
Last Updated:
Fire Mountain: ৫০০০ বছর ধরে পাহাড়ে জ্বলছে আগুন৷ আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর উপকণ্ঠে অবস্থিত ওই বিস্ময়কর প্রাকৃতিক স্থান৷ স্থানীয় ভাষায় নাম ‘ইয়ানার ডাগ’৷ এই পাহাড়েই বুকেই অবিরাম জ্বলছে অগ্নিশিখা৷
advertisement
1/8

৫০০০ বছর ধরে পাহাড়ে জ্বলছে আগুন৷ ঝড়, জল, তুষারপাত, সমস্তকিছু সহ্য করেও দাউ দাউ করে জ্বলছে শিখা৷ কোনও রূপকথার বইয়ে পাওয়া গল্প নয়, এমন এক পাহাড় সত্যিই রয়েছে৷ জ্বলতে থাকা সেই অনন্তশিখার জন্য গোটা দেশটাকেই বলা হয় ‘ল্যান্ড অফ ফায়ার বা আগুনের দেশ’৷ (Image-iStock)
advertisement
2/8
দেশের নাম আজারবাইজান৷ আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর উপকণ্ঠে অবস্থিত ওই বিস্ময়কর প্রাকৃতিক স্থান৷ স্থানীয় ভাষায় নাম ‘ইয়ানার ডাগ’৷ যার অর্থ ‘জ্বলন্ত পাহাড়’৷ এই পাহাড়েই বুকেই অবিরাম জ্বলছে আগুন৷ (Image-iStock)
advertisement
3/8
এই অনন্ত শিখার রহস্য লুকিয়ে আছে অ্যাবসেরন পেনিনসুলা (Absheron Peninsula) অঞ্চলের গভীরে। ভূগর্ভে বিপুল গ্যাস ভাণ্ডারে সমৃদ্ধ এই এলাকায় হাজার হাজার বছর ধরে পাথরের স্তরে আটকে থাকা গ্যাস ধীরে ধীরে উপরে উঠে আসে। একবার আগুন ধরলে সেই প্রাকৃতিক গ্যাস নিরবচ্ছিন্নভাবে জ্বলতেই থাকে। এই বিরল প্রাকৃতিক ঘটনা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষকে মুগ্ধ করে আসছে। (Image-iStock)
advertisement
4/8
প্রাকৃতিক এই ঘটনার প্রভাব পড়েছে স্থানীয় মানুষদের বিশ্বাসেও৷ এই অঞ্চলে তৈরি প্রাচীন ‘জোরাস্ট্রিয়ান (Zoroastrianism)’ ধর্মে বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে আগুনের৷ যেখানে পবিত্র অগ্নি উপাসনার কেন্দ্রবিন্দু। আধুনিক জ্বালানি উত্তোলনের বহু আগে এমন অগ্নিশিখা আজারবাইজানের বিভিন্ন স্থানে দেখা যেত। প্রায় ৪০০০-৫০০০ বছর আগে এখানকার আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য গড়ে ওঠার পেছনে এই আগুনের বড় ভূমিকা ছিল। (Image-iStock)
advertisement
5/8
ইয়ানার ডাগের কাছেই অবস্থিত ঐতিহাসিক Ateshgah Fire Temple, যা শতাব্দী আগে প্রাকৃতিক গ্যাস নির্গমনের স্থানের ওপর নির্মিত। একসময় তীর্থযাত্রীরা এখানে এসে অনন্ত অগ্নিশিখার উপাসনা করতেন। এই মন্দির আজও আজারবাইজানের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য ও রহস্যময় অগ্নিশিখার সঙ্গে গভীর সম্পর্কের স্মারক। (Image-iStock)
advertisement
6/8
১৩শ শতকে বিখ্যাত অভিযাত্রী মার্কো পোলো এই অঞ্চলে অদ্ভুত আগুন জ্বলার কথা লিখে গেছেন। কয়েক শতাব্দী পরে ফরাসি লেখক আলেকজান্দ্রা ডুমাও একই ধরনের বর্ণনা দেন। তাঁদের বিবরণ প্রমাণ করে, আজারবাইজানের এই প্রাকৃতিক আগুন অন্তত ৭০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ভ্রমণকারীদের বিস্মিত করে আসছে। (Image-iStock)
advertisement
7/8
পরবর্তীকালে আজারবাইজানে গ্যাস উত্তোলন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভূগর্ভস্থ চাপ কমে যাওয়ায় বেশিরভাগ প্রাকৃতিক আগুন নিভে যায়। বর্তমানে Yanar Dag-ই জ্বলন্ত পাহাড়ের অন্যতম শেষ নিদর্শন। রাতের অন্ধকারে পর্যটকেরা কাছের চায়ের দোকানে বসে আগুনের হলঘরের মতো জ্বলজ্বলে দৃশ্য উপভোগ করেন—যেখানে আগুনের শিখা অন্ধকার দিগন্তের পটভূমিতে নেচে ওঠে। (Image-wikipedia)
advertisement
8/8
পরবর্তীকালে আজারবাইজানে গ্যাস উত্তোলন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভূগর্ভস্থ চাপ কমে যাওয়ায় বেশিরভাগ প্রাকৃতিক আগুন নিভে যায়। বর্তমানে Yanar Dag-ই জ্বলন্ত পাহাড়ের অন্যতম শেষ নিদর্শন। রাতের অন্ধকারে পর্যটকেরা কাছের চায়ের দোকানে বসে আগুনের হলঘরের মতো জ্বলজ্বলে দৃশ্য উপভোগ করেন—যেখানে আগুনের শিখা অন্ধকার দিগন্তের পটভূমিতে নেচে ওঠে। (Image-iStock)
বাংলা খবর/ছবি/পাঁচমিশালি/
Fire Mountain: ৫০০০ বছর ধরে দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন! ঝড়, জল, তুষারপাত...কোনওকিছুতেই নেভেনি, কোথায় আছে জানেন এই ‘জ্বলন্ত পাহাড়’? অনন্তশিখার রহস্য কী?