Purulia Tourism: ড্যাম-জঙ্গল-পাহাড়, পাগল করা সৌন্দর্য! পুরুলিয়ার প্রাণ জুড়ানো অফবিট ‘মিনি সুন্দরবন’, সঙ্গীকে নিয়ে হারিয়ে যাওয়ার পারফেক্ট ঠিকানা
- Reported by:Shantonu Das
- hyperlocal
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Purulia Tourism: দক্ষিণবঙ্গ নয়, পশ্চিমেই মিলছে সুন্দরবনের অনুভূতি। সুন্দরবনের রোমাঞ্চ মানেই এতদিন দক্ষিণবঙ্গের গহিন অরণ্য, কিন্তু সেই অনুভূতির স্বাদ এবার মিলতে পারে পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়াতেই!
advertisement
1/8

সুন্দরবনের রোমাঞ্চ মানেই এতদিন দক্ষিণবঙ্গের গহিন অরণ্য, কিন্তু সেই অনুভূতির স্বাদ এবার মিলতে পারে পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়াতেই! শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। পুরুলিয়া জেলার কাশীপুর ব্লকের রঞ্জনডি জলাধার, যা যোগমায়া সরোবর নামেও পরিচিত, এখন পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ‘পুরুলিয়ার মিনি সুন্দরবন’ নামে। নতুন বছরের ছুটিতে নতুন অভিজ্ঞতার খোঁজে থাকলে, পুরুলিয়ার এই ‘মিনি সুন্দরবন’ আপনাকে নিরাশ করবে না। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
advertisement
2/8
যদিও এখানে প্রকৃত সুন্দরবনের মতো ম্যানগ্রোভ অরণ্য নেই, তবু বিস্তীর্ণ সোনাইজুড়ি জঙ্গল আর রঞ্জনডি ড্যামের বিশাল জলরাশি মিলিয়ে তৈরি হয়েছে এক অপূর্ব, স্বপ্নময় পরিবেশ। চারদিকে সবুজের ঘন ছায়া, নির্জনতার শান্ত আবেশ আর পাখির কোলাহলে মন যেন আপনাআপনি হালকা হয়ে যায়। বর্ষার দিনে ঝিরঝিরে বৃষ্টির সঙ্গে এই প্রকৃতি আরও জীবন্ত হয়ে ওঠে, জল, জঙ্গল আর পাহাড়ের মেলবন্ধনে যেন এক অনন্য সৌন্দর্য।
advertisement
3/8
গত পাঁচ বছর ধরে পুরুলিয়া জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে যোগমায়া জলাধারকে ঘিরে ধাপে ধাপে গড়ে উঠেছে একটি আধুনিক পর্যটন কেন্দ্র। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের যৌথ প্রচেষ্টায় এখানে তৈরি হয়েছে পর্যটকদের থাকার জন্য সুন্দর কটেজ, খাবারের রেস্টুরেন্ট, পরিচ্ছন্ন শৌচালয় এবং পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে পিকনিক করার মতো সুব্যবস্থাও।
advertisement
4/8
সম্প্রতি এই পর্যটন কেন্দ্রের আকর্ষণ আরও বাড়িয়েছে একটি অত্যাধুনিক খেলার পার্ক। বিশেষ করে শিশুদের কথা মাথায় রেখেই এই পার্কটি তৈরি করা হয়েছে। দোলনা, স্লাইড, সি-শো-সহ নানা ধরনের খেলার উপকরণ ছোটদের জন্য বাড়তি আনন্দের খোরাক জোগাচ্ছে।
advertisement
5/8
পার্ক ও পর্যটন এলাকাকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলতে বসানো হয়েছে ‘বিশ্ব বাংলা’ লোগো-সহ 'আই লাভ কাশীপুর' সেলফি পয়েন্ট এবং নানা রঙিন সাজসজ্জা। এই সব নতুন সংযোজনের ফলে যোগমায়া সরোবর এখন শুধুই প্রকৃতির গন্তব্য নয়, বরং ছবি তোলার জন্যও আদর্শ এক স্থান।
advertisement
6/8
কাশীপুর বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক স্বপন বেলথরিয়া জানিয়েছেন, এই এলাকাকে কেন্দ্র করে দীর্ঘমেয়াদি পর্যটন উন্নয়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, আগামী দিনে যোগমায়া সরোবর আরও বড় পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পাবে।
advertisement
7/8
এখানে পৌঁছনও অত্যন্ত সহজ। পুরুলিয়া সদর থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টার পথ। আদ্রা রেলশহর থেকে মাত্র ১৭ কিলোমিটার দূরে কাশীপুর। বাস বা ব্যক্তিগত গাড়িতে সরাসরি কাশীপুর পৌঁছে সেখান থেকে মাত্র ১৫ মিনিটেই রঞ্জনডি জলাধার। রাস্তার অবস্থা ভাল এবং যাত্রাপথও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর।
advertisement
8/8
শীতকালে রঞ্জনডি ড্যাম ও তার আশপাশের জঙ্গল যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়। শান্ত জলে আকাশের প্রতিচ্ছবি, দূরের পাহাড়ের নীলচে রেখা আর চারপাশের ঘন সবুজ মিলিয়ে এই জায়গা হয়ে ওঠে এক নিখুঁত ‘মন ডিটক্স’ স্পট। কাজের ব্যস্ততা থেকে একটু ছুটি নিয়ে যাঁরা নিরিবিলিতে প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটাতে চান, তাঁদের জন্য যোগমায়া সরোবর নিঃসন্দেহে এক আদর্শ গন্তব্য। (ছবি ও তথ্য: শান্তনু দাস)
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Purulia Tourism: ড্যাম-জঙ্গল-পাহাড়, পাগল করা সৌন্দর্য! পুরুলিয়ার প্রাণ জুড়ানো অফবিট ‘মিনি সুন্দরবন’, সঙ্গীকে নিয়ে হারিয়ে যাওয়ার পারফেক্ট ঠিকানা