চাল, ডাল সুজিতে থিকথিক করছে পোকা? হেঁসেলের ৫ জিনিসেই সব পালাবে! সহজে খাবার পরিশুদ্ধ করুন!
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
মরসুম বদলের সঙ্গে সঙ্গে হেঁশেলে পোকার উৎপাত বেড়েই চলে। চাল, ডাল, আটা বা সুজি—সবেতেই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে। তবে একটু সচেতন হলেই বড় ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। হেঁশেলের নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী দীর্ঘদিন সুরক্ষিত রাখতে কাজে আসতে পারে কিছু সহজ ঘরোয়া ও প্রাকৃতিক উপাদান। চাল, ডাল, আটা, ময়দা ও সুজি ভালো রাখার জন্য এমনই পাঁচটি কার্যকর উপায় তুলে ধরা হল এখানে।
advertisement
1/8

মরসুম বদলের সঙ্গে সঙ্গে হেঁশেলের নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসে পোকার উৎপাত নতুন নয়। আবহাওয়ার আর্দ্রতা বাড়লেই চাল, ডাল, আটা, সুজি বা ময়দায় পোকা ধরার আশঙ্কা বেড়ে যায়। তবে একটু সচেতন হলে এবং ঘরোয়া কিছু প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করলেই দীর্ঘদিন এসব খাদ্যদ্রব্য ভালো রাখা সম্ভব। রাসায়নিকের পথে না গিয়ে সহজ কয়েকটি টোটকাতেই মিলতে পারে সমাধান।
advertisement
2/8
হেঁশেলে চাল, ডাল কিংবা আটা সংরক্ষণে নিমপাতার ব্যবহার অত্যন্ত কার্যকর। নিমের অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ দানাশস্যকে পোকামাকড়ের হাত থেকে রক্ষা করে। চাল বা ডালের কৌটোর উপরে কয়েকটি শুকনো নিমপাতা রেখে ঢাকনা বন্ধ করে দিলে পোকা ধারেকাছেও ঘেঁষে না। সবচেয়ে ভালো দিক হল, নিমের কোনও গন্ধ বা স্বাদ খাবারের মধ্যে ঢুকে পড়ে না।
advertisement
3/8
চাল, ডাল বা আটা-ময়দায় পোকার উৎপাত রুখতে শুকনো লাল লঙ্কাও ভরসাযোগ্য উপাদান। লঙ্কার ঝাঁজ পোকামাকড় দূরে রাখতে সাহায্য করে। কৌটোর ভিতরে দু’-তিনটি শুকনো লঙ্কা রেখে দিলেই কাজ হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে, লঙ্কা যেন ভেঙে না যায়। তা হলে খাবারের মধ্যে ঝাঁজ ঢুকে যেতে পারে। আর্দ্রতা কমাতেও এই পদ্ধতি কাজে দেয়।
advertisement
4/8
সুজি বা অন্য দানাশস্যের ক্ষেত্রে লবঙ্গ বেশ উপকারী। কৌটোর ভিতরে দু’-তিনটি লবঙ্গ রাখলে তার গন্ধে পোকামাকড় দূরে থাকে। লবঙ্গের অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল গুণ খাবার নষ্ট হওয়া আটকাতে সাহায্য করে এবং আর্দ্রতাও নিয়ন্ত্রণে রাখে।
advertisement
5/8
অনেক বাড়িতেই ডাল সংরক্ষণের জন্য দেশলাই কাঠি ব্যবহার করা হয়। ডালের কৌটোর মধ্যে এক-দুটি দেশলাই কাঠি রেখে দিলে পোকার সমস্যা কমে। দেশলাইয়ের কাঠির মাথায় থাকা সালফারের গন্ধ পোকামাকড় সহ্য করতে পারে না বলেই এই টোটকা কার্যকর বলে মনে করা হয়।
advertisement
6/8
ডাল সংরক্ষণে সর্ষের তেলও ভালো ফল দেয়। কৌটোর ভিতরে কয়েক ফোঁটা সর্ষের তেল দিয়ে দিলে তার ঝাঁজ পোকামাকড় ও ছত্রাক সংক্রমণ থেকে ডালকে রক্ষা করে। সর্ষের তেলের অ্যান্টি-ব্যাক্টেরিয়াল গুণ দীর্ঘদিন খাদ্যদ্রব্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।
advertisement
7/8
মরসুমের বদলে হেঁশেলের উপকরণ নষ্ট হওয়ার চিন্তা থাকলে এই সহজ ঘরোয়া কৌশলগুলি মেনে চললেই চাল, ডাল, আটা কিংবা সুজি থাকবে নিরাপদ ও দীর্ঘস্থায়ী।
advertisement
8/8
সব মিলিয়ে বলা যায়, মরসুম বদলের সময় হেঁশেলের চাল, ডাল, আটা, সুজি বা ময়দা সুরক্ষিত রাখতে বড় কোনও খরচ বা রাসায়নিকের প্রয়োজন নেই। নিমপাতা, শুকনো লঙ্কা, লবঙ্গ, দেশলাই কাঠি কিংবা সর্ষের তেলের মতো সহজ ঘরোয়া উপাদানই পোকামাকড় ও আর্দ্রতার হাত থেকে খাদ্যদ্রব্যকে দীর্ঘদিন ভালো রাখতে পারে। একটু সচেতনতা আর নিয়মিত যত্নেই হেঁশেলের নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী থাকবে নিরাপদ ও ব্যবহারযোগ্য।
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
চাল, ডাল সুজিতে থিকথিক করছে পোকা? হেঁসেলের ৫ জিনিসেই সব পালাবে! সহজে খাবার পরিশুদ্ধ করুন!