সাবধান...! শরীরে গেলেই বিষ! ভুলেও বাজার থেকে কিনবেন না 'এই' মাছ! নষ্ট হতে পারে কিডনি-লিভার
- Published by:Sanjukta Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Health Tips: অজান্তে পছন্দের মাছ তুলতে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
advertisement
1/10

শীতকাল মানেই বাজার যেন স্বর্গ। শাক-সবজি থেকে নানারকমের মাছ। থলে হাতে বাজার গিয়ে তা ভরিয়ে ফেলতে সময় লাগে না মোটেই। এই মরশুমে খেতে যেমন ভাল লাগে তেমনই ভাল লাগে বাজার করতে। কিন্তু বাজার করতে গিয়ে আবার সতর্ক হওয়াও জরুরি। অজান্তে পছন্দের মাছ তুলতে গিয়ে নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো?
advertisement
2/10
মাছের বাজারে শীতকালে যেমন পাওয়া যায় রুই, কাতলা, বোয়ালের মতো বড় মাছ তেমনই মেলে নানা ধরণের ছোট মাছ। পাবদা থেকে পার্শে, মৌরলা থেকে লোটে সবই মেলে এই মরশুমে।
advertisement
3/10
কিন্তু বাজারে টাটকা মাছের ভিড়েই ছেয়ে যাচ্ছে এমন কিছু মাছ যা খেলে চরম বিপদ ডেকে আনবেন আপনি। এমনকি জীবনের ঝুঁকিও ডেকে আনতে পারে এই মাছ। এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতীকী ছবি
advertisement
4/10
বাজারে গেলেই দেখা যায় খাবারের সঙ্গে বিভিন্ন জিনিসপত্র মিশিয়ে খাবারকে আকর্ষণীয় করতে গিয়ে মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি ডেকে আনছেন ব্যবসায়ীরা। বাজারে গিয়ে দেখা যায়, মাছের স্বাভাবিক রং-এর জায়গায় মাছকে বিভিন্ন রঙে রঙিন করা হচ্ছে। কিন্তু কেন বলুন তো রঙিন করা হচ্ছে এই মাছগুলিকে? প্রতীকী ছবি
advertisement
5/10
দেখা যাচ্ছে অনেক ক্ষেত্রেই মাছকে ইচ্ছেমতো লাল-হলুদ বিভিন্ন রঙে রঙিন করা হচ্ছে। মাছের ব্যবসায়ীদের দাবি, ‘মাছ একটু রঙিন, ঝকঝকে না হলে কাস্টমাররা নাকি কিনতে চায় না। আর মাছের রঙ যদি একটু ফ্যাকাসে হয়, তাহলে খরিদ্দাররা সেই মাছ খেতেও পছন্দ করে না।’ প্রতীকী ছবি
advertisement
6/10
বাজারে প্রচুর নদীর মাছ রয়েছে, যেগুলি রেড-অক্সাইড জাতীয় রং দিয়ে রঙিন করা থাকে। রেড-অক্সাইড একটি কৃত্রিম রং। মাছ ব্যবসায়ীরা দাবি করেন, মাছ জলে ধুয়ে ফেলার পর এই রং চলে যায়। ফলে মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে কোনও ক্ষতি হয় না। প্রতীকী ছবি
advertisement
7/10
কিন্তু মৎস্য বিজ্ঞানী থেকে শুরু করে খাদ্য গবেষকরা দাবি করছেন, মাছ যতই ধোওয়া হোক। রেড-অক্সাইডের মতো রং মাছের এমন কিছু অংশে প্রবেশ করে যায় যার ফলে জল দিয়ে ধুলেও সেগুলি বেরিয়ে আসে না। বরং মাছের শরীরের মধ্যেই থেকে যায় ওই রং। প্রতীকী ছবি
advertisement
8/10
যার ফলে খাওয়ার সময় রেড-অক্সাইড মানুষের দেহে প্রবেশ করে। রেড-অক্সাইড যে ভয়ঙ্কর ভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকারক। তা জানিয়েছেন খাদ্য গবেষক ডঃ প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস। প্রতীকী ছবি
advertisement
9/10
তিনি বলেন, ‘বেশিরভাগ ক্ষেত্রে খাবারে যে রং মেশানো হয়। সেগুলো পেট্রোলিয়াম জাতীয় দ্রব্য থেকে তৈরি হয়। এই রং খুবই সূক্ষ্ম আকারে হওয়ার ফলে মাছের শরীরে ঢুকলে। যতই জল দিয়ে পরিষ্কার করা হোক। সেগুলি সমস্তটাই বেরিয়ে যায় না।" এর ফলে কিডনি লিভারের উপর বড় প্রভাব পড়তে পারে। জীবনের ঝুঁকি থেকে যাওয়ারও আশঙ্কা থেকে যায় বলেও জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ। প্রতীকী ছবি
advertisement
10/10
বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, "এগুলি বিধি সম্মতভাবে খাওয়ার জিনিস না হওয়ার ফলে এগুলোতে ভারী পদার্থ, ভারী ধাতু থাকার সম্ভাবনা থাকে। যার ফলে মানুষের দুরারোগ্য ক্যান্সারের মতো রোগ হতে পারে। স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি থেকে আরম্ভ করে লিভার, কিডনি বিকল করতে পারে।’ প্রতীকী ছবি
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
সাবধান...! শরীরে গেলেই বিষ! ভুলেও বাজার থেকে কিনবেন না 'এই' মাছ! নষ্ট হতে পারে কিডনি-লিভার