TRENDING:

Bankura Tourism: বাংলার মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ঐতিহ্যের জীবন্ত দলিল! বাঁকুড়া ভ্রমণে পয়লা নম্বরে রাখুন জোর মন্দির, ইতিহাস জানলে গর্বে বুক ভরবে আপনারও

Last Updated:
Bankura Tourism: মল্ল রাজাদের শহর বিষ্ণুপুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ জোর মন্দির। পোড়ামাটির টালিতে বহু কাহিনী খোদাই করা এই মন্দিরগুলো পর্যটন মানচিত্রে বিষ্ণুপুরকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে।
advertisement
1/6
বাঁকুড়া ভ্রমণে পয়লা নম্বরে রাখুন জোর মন্দির, ইতিহাস জানলে গর্বে বুক ভরবে আপনারও
বাঁকুড়ার ঐতিহ্যবাহী শহর বিষ্ণুপুর মানেই পোড়ামাটির শিল্প ও প্রাচীন মন্দির স্থাপত্যের অনন্য সমাহার। সেই ঐতিহ্যের অন্যতম উজ্জ্বল নিদর্শন জোর মন্দির, যা আজও পর্যটকদের বিস্মিত করে তার নকশা, ইতিহাস ও শিল্পসৌন্দর্যে। শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত এই মন্দিরগুচ্ছ শুধু ধর্মীয় স্থাপনা নয়, বরং বাংলার মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ঐতিহ্যের জীবন্ত দলিল। (ছবিও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
advertisement
2/6
বর্তমানে জোর মন্দির ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ (ASI) দ্বারা সুরক্ষিত। ইতিহাস, শিল্প ও স্থাপত্যের এই অপূর্ব সমন্বয়ই জোর মন্দিরকে বিষ্ণুপুর পর্যটনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণে পরিণত করেছে, যেখানে প্রতিদিন দেশ-বিদেশের পর্যটকরা এসে অতীতের গৌরব অনুভব করেন।
advertisement
3/6
ইতিহাস পৃষ্ঠপোষক জয়ন্ত চ্যাটার্জী বলেন, "১৭২৬ সালে মল্লরাজ গোপাল সিংহ দেব এই মন্দির কমপ্লেক্স নির্মাণ করেন। মল্লভূমের রাজাদের শিল্পপ্রীতি ও ধর্মনিষ্ঠার পরিচয় মেলে এই স্থাপত্যে। নির্মাণকাল থেকেই এটি রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গড়ে ওঠা এক গুরুত্বপূর্ণ উপাসনাকেন্দ্র ও সাংস্কৃতিক চিহ্ন হিসেবে বিবেচিত।"
advertisement
4/6
জোর মন্দির আসলে তিনটি এক-রত্ন শৈলীর মন্দির নিয়ে গঠিত একটি প্রাঙ্গণ। দক্ষিণ ও উত্তরের দুটি মন্দির আকারে বড়, আর মাঝখানেরটি তুলনামূলক ছোট। প্রতিটি মন্দিরে দোচালা আকৃতির বাঁকানো ছাদ ও তার উপর একটি চূড়া রয়েছে, যা বাংলার নিজস্ব স্থাপত্যরীতির পরিচায়ক।
advertisement
5/6
মন্দিরগুলোর প্রধান আকর্ষণ এর টেরাকোটা অলংকরণ। পোড়ামাটির সূক্ষ্ম কারুকাজে ফুটে উঠেছে পৌরাণিক কাহিনী, দেবদেবীর প্রতিমূর্তি ও সমকালীন সমাজজীবনের চিত্র। ল্যাটেরাইট পাথরের গাঁথুনির উপর এই টেরাকোটা শিল্প বিষ্ণুপুরের শিল্পঐতিহ্যকে বিশ্বদরবারে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে।
advertisement
6/6
উল্লেখযোগ্য যে, বিষ্ণুপুরেই অবস্থিত আরেক বিখ্যাত স্থাপনা জোড়-বাংলা মন্দির, যা ১৬৫৫ সালে রঘুনাথ সিংহ নির্মাণ করেন। যদিও নামের মিল রয়েছে, দুই মন্দিরের স্থাপত্যরীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। (ছবিও তথ্য: নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়)
বাংলা খবর/ছবি/লাইফস্টাইল/
Bankura Tourism: বাংলার মধ্যযুগীয় স্থাপত্য ঐতিহ্যের জীবন্ত দলিল! বাঁকুড়া ভ্রমণে পয়লা নম্বরে রাখুন জোর মন্দির, ইতিহাস জানলে গর্বে বুক ভরবে আপনারও
স্বাস্থ্য এবং লাইফস্টাইলের (Lifestyle News in Bengali)সব খবরের আপডেট পান নিউজ 18 বাংলাতে ৷ যেখানে থাকছে হেলথ টিপস, বিউটি টিপস এবং ফ্যাশন টিপসও ৷ দেখুন ব্রেকিং নিউজ এবং টপ হেডলাইনগুলি অনলাইনে নিউজ 18 বাংলার লাইভ টিতে ৷ এর পাশাপাশি ডাউনলোড করুন নিউজ 18 বাংলার অ্যাপ অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস-এ সব খবরের আপডেট পেতে ! News18 Bangla-কে গুগলে ফলো করতে ক্লিক করুন এখানে ৷
Open in App
হোম
খবর
ফটো
লোকাল