'আমরা যোগ্য...', এসএসসি-র 'অযোগ্য' তালিকা চ্যালেঞ্জ করে এবার মামলা হাইকোর্টে, কারা করলেন মামলা? কী জানাল আদালত? বিরাট আপডেট!
- Reported by:ARNAB HAZRA
- news18 bangla
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Bengal SSC Case: ফের আদালতে এসএসসি মামলা! এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ 'দাগি' তালিকাভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। দাগি' তালিকা চ্যালেঞ্জ করে মামলার আবেদন করেন তাঁরা। আবেদনে জরুরি মামলার অনুমতি দিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।
advertisement
1/7

ফের আদালতে এসএসসি মামলা! এবার হাইকোর্টের দ্বারস্থ 'দাগি' তালিকাভুক্ত শিক্ষক-শিক্ষিকারা। দাগি' তালিকা চ্যালেঞ্জ করে মামলার আবেদন করেন তাঁরা। আবেদনে জরুরি মামলার অনুমতি দিলেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। আগামিকাল, মঙ্গলবার সব মামলার একযোগে শুনানি। জানালেন বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য।
advertisement
2/7
আবেদনকারীদের আইনজীবী অনিন্দ্য লাহিড়ী তাঁদের পক্ষ থেকে জানান, "কমিশন আমাদের নতুন করে হওয়া পরীক্ষায় বসার জন্য অ্যাডমিট কার্ড দিয়েছে। মেয়াদ উত্তীর্ণ প্যানেল, সুপারিশ ছাড়া চাকরি, ফাঁকা খাতায় চাকরির তালিকা প্রকাশ, আমরা এই তিন ক্যাটাগরিতে পড়ি না৷ কিন্তু এমন দাগি তালিকার জন্যই আমরা এখন পরীক্ষায় বসতে পারছি না।"
advertisement
3/7
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তাঁর মন্তব্যে বলেন, "সুপ্রিম কোর্টের নজরদারির মধ্যেই পুরো প্রক্রিয়া রয়েছে৷ আবেদনকারীরা চিহ্নিত অযোগ্য বা দাগি তালিকার অন্তর্ভুক্ত। এমন তালিকা সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশেই বেরিয়েছে।"
advertisement
4/7
অন্যদিকে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আইনজীবী অনিন্দ্য লাহিড়ী বলেন, "আমরা যোগ্য। আমরা হাইকোর্ট নির্দিষ্ট করা অযোগ্য তালিকায় পড়ি না। আমাদের নাম ভুলবশত প্রকাশ করেছে এসএসসি।
advertisement
5/7
বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, "সুপ্রিম কোর্ট গিয়ে বলুন।" এরপরেই মামলাকারী আইনজীবী পার্থ রায়বর্মন বিচারপতির কাছে আর্জি জানিয়ে বলেন, "আগামী ৭ ও ১৪ সেপ্টেম্বর এসএসসি-র ২০২৫ এর নিয়োগ পরীক্ষা। এই পরীক্ষা অত্যন্ত জরুরি। যদি আদালতকে যুক্তি দিয়ে বোঝাতে না পারি মামলা খারিজ করে দেবেন। জরুরি মামলা গ্রহণ করে শুনানি দিন।" উত্তরে বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য বলেন, "কাল আসুন। সব আবেদন একসঙ্গে শুনানি করা হবে।
advertisement
6/7
নবীন বেরা-সহ অনেক প্রার্থীর তরফে করা হয়েছে এই মামলা। মামলাকারীর সংখ্যা সব মিলিয়ে ১৩০০ হতে পারে বলেই মামলাকারীদের তরফে জানানো হয়েছে।
advertisement
7/7
প্রসঙ্গত, এর আগে রবিবার রাতেই শিক্ষক শিক্ষিকাদের যোগ্য তালিকাভুক্তরা নিজেদের নিরপরাধী দাবি তুলে পরীক্ষা না দিয়েই সরাসরি চাকরিতে বহাল করার জন্য আবেদন জানিয়ে ইমেইল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর কাছে।