হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল আমদানি ধাক্কা খেলে ভারতে জ্বালানির দামে আগুন লাগতে পারে ! রাশিয়া থেকেও জ্বালানি আমদানি বাড়াল ভারত
- Published by:Siddhartha Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Hormuz Blockade: হরমুজ প্রণালী বেশি দিন বন্ধ থাকলে ভারতের অর্থনীতি চাপে পড়ে যাবে। রফতানি মার খাবে। ধাক্কা খাবে তেল আমদানি। তখন সব জিনিসেরই দাম বাড়ার আশঙ্কা। হরমুজ প্রণালী বন্ধে অর্থনীতি চাপে ! হরমুজ বন্ধের প্রভাব ভারতের বাজারে ! চা থেকে চাল...ধাক্কা খেতে পারে রফতানি ৷ তেল আমদানিও ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা ৷ ভারতে বেড়ে যেতে পারে জ্বালানির দাম ৷
advertisement
1/9

জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। বন্ধ হরমুজ প্রণালী। চিন্তা বাড়ছে ভারতের। কারণ হরমুজ বন্ধ মানে সবকিছুরই দাম বাড়তে পারে। একদিকে ইরান। আরেকদিকে ইজরায়েল-আমেরিকা। এই যুদ্ধের মাঝে বন্ধ হরমুজ প্রণালী।
advertisement
2/9
পারস্য উপসাগরে মাত্র ৩৩ কিলোমিটার চওড়া জলপথ ৷ হরমুজ প্রণালীকে বলা হয় বিশ্ব অর্থনীতির লাইফ লাইন ৷ এই জলপথ দিয়ে শুধু আমদানি নয়, নানা পণ্য রফতানিও করে ভারত ৷ সেই হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান ৷ চা, চাল, পরিশোধিত তেল, সার-সহ একাধিক পণ্য রফতানি করে ভারত। তার বেশিরভাগটাই যায় হরমুজ দিয়ে। সেই হরমুজই এখন বন্ধ। (Photo: AP)
advertisement
3/9
চায়ে ধাক্কা! ভারত বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম চা রফতানিকারী দেশ ৷ ২০২৫ সালে ২ লক্ষ ৮০ হাজার টন চা রফতানি করেছে ভারত ৷ এর ৪১ শতাংশই হরমুজ প্রণালী দিয়ে ৷ শেষ অর্থবর্ষ অর্থাৎ ২০২৪-এর এপ্রিল থেকে ২০২৫-এর মার্চের মধ্যে শুধু ইরানেই ৭০০ কোটি টাকার চা রফতানি করেছে ভারত ৷ সেই ইরান এখন যুদ্ধে। আর হরমুজ প্রণালী চিন-রাশিয়া ছাড়া সকলের জন্য বন্ধ। এর ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে চায়ের বাজারে। বড় ধাক্কা খেতে পারে চা রফতানি। ক্ষতির মুখে পড়তে পারে ৷ (File Photo: AP)
advertisement
4/9
জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে কেন্দ্রীয় সরকার ইউএসএ ও রাশিয়ার সঙ্গে যে এগ্রিমেন্ট করেছিল, তাতে আমরা খুব আশা দেখেছিলাম। আমচকা এই যুদ্ধে পরিবেশটা বদলে গিয়েছে। আমাদের চা হরমুজ দিয়ে যায়। আমাদের চায়ের একটা বড় মার্কেট পশ্চিম এশিয়ার দেশে। প্রায় ৪০ শতাংশ এই অংশে যায়। ইউরোপ, আমেরিকাতেও আমাদের দারুণ বাজার। সেই বাজার দিনদিন আরও বাড়ছে। এই যুদ্ধ আমরা খুব ধাক্কা খাব। তবে একটা আশার আলো, এখনও নতুন কনসাইনমেন্ট যায়নি। ফলে আমরা আরও কয়েকদিন অপেক্ষা করতে পারি। তবে যুদ্ধ বেশিদিন চললে আমাদের ক্ষতি হবে ৷’’ (Photo: AP)
advertisement
5/9
চালে ধাক্কা! সবচেয়ে বেশি চাল রফতানি করে ভারত ৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভারতের বাসমতি চালের চাহিদা ৷ বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ৷ ২০২৫-এর এপ্রিল থেকে ডিসেম্বরে পশ্চিম এশিয়ায় ২৭ হাজার কোটি টাকার বাসমতি চাল রফতানি করেছে ভারত ৷ এরমধ্যে ৬ হাজার কোটি টাকার চাল কিনেছে ইরান ৷ হরমুজ প্রণালী টানা বন্ধ থাকলে মারাত্মক ধাক্কা খাবে ভারতের চালের বাজার ৷ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়বে পঞ্জাব ও হরিয়ানা ৷ ধাক্কা খাবে পশ্চিমবঙ্গ, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশাও ৷ (Photo: AP)
advertisement
6/9
তেলে ধাক্কা! ভারতের চাহিদার ৯০ শতাংশ তেল আমদানি করা হয় ৷ ভারত অপরিশোধিত তেল আমদানি করে ৷ দেশে এনে সেই তেল পরিশোধন করে ৷ এরপর নানা পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানি করে ৷ যার বড় অংশ যায় হরমুজ প্রণালী হয়ে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে ৷ (Photo: AP)
advertisement
7/9
ভারত পশ্চিম এশিয়ায় পাঠায়...ডিজেল, পেট্রোল, জেট-জ্বালানি, ন্যাপথা ৷ এছাড়াও হরমুজ দিয়ে ভারত রফতানি করে... সার ও বিভিন্ন কৃষিজ পণ্য, জীবনদায়ী ওষুধ, গাড়ি ও গাড়ির যন্ত্রাংশ, স্টিলের জিনিসপত্র, নির্মাণসামগ্রী, পোশাক, গয়না ৷ হরমুজ প্রণালী বেশি দিন বন্ধ থাকলে ভারতের অর্থনীতি চাপে পড়ে যাবে। রফতানি মার খাবে। ধাক্কা খাবে তেল আমদানি। তখন সব জিনিসেরই দাম বাড়ার আশঙ্কা। হরমুজ প্রণালী বন্ধে অর্থনীতি চাপে! হরমুজ বন্ধের প্রভাব ভারতের বাজারে! চা থেকে চাল...ধাক্কা খেতে পারে রফতানি তেল আমদানিও ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা ভারতে বেড়ে যেতে পারে জ্বালানির দাম ৷ (Photo: AP)
advertisement
8/9
তেলের দাম বাড়লে সবেরই দাম বাড়বে! মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ। ভারতে রান্নার গ্যাসে কোপ। বাণিজ্যিক গ্যাস পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। বাড়ির রান্নার গ্যাসে পুরোনো বিধি চালু। গ্যাস বুক করা যাবে ২১ দিন পর। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ। কোপ পড়েছে ভারতের গ্যাসেও। বাণিজ্যিক গ্যাস ব্যবহারে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আঁচ পড়েছে রান্নাঘরেও। বাড়িতে রান্নার গ্যাসে ফিরছে পুরোনো বিধিগ্যাস বুক করা যাবে ২১ দিন পর। হোটেল, রেস্তোরাঁগুলিতে রান্না হয় বাণিজ্যিক সিলিন্ডারে। এই গ্যাসের নিয়ন্ত্রণ শুরু হওয়ায় চাপে হোটেল মালিকরা। সিলিন্ডারের স্টক শেষ হয়ে গেলে, ব্যবসা না বন্ধ করতে হয়। অনেকে এই আশঙ্কাও করছেন। (Photo: AP)
advertisement
9/9
যুদ্ধে কোপ ভারতের গ্যাসে! মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে। হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। থমকে গিয়েছে তেল সরবরাহ। এভাবে চললে আগামী দিনে ভারতে পেট্রোল-ডিজেলেও নিয়ন্ত্রণের আশঙ্কা। ভারতে জ্বালানি তেল এবং গ্যাসের সঙ্কট নেই। হরমুজ প্রণালী বেশি দিন বন্ধ থাকলে ভারতের অর্থনীতি চাপে পড়ে যাবে। রফতানি মার খাবে। ধাক্কা খাবে তেল আমদানি। তখন সব জিনিসেরই দাম বাড়ার আশঙ্কা। হরমুজ প্রণালী বন্ধে অর্থনীতি চাপে ! হরমুজ বন্ধের প্রভাব ভারতের বাজারে ! চা থেকে চাল...ধাক্কা খেতে পারে রফতানি ৷ তেল আমদানিও ধাক্কা খাওয়ার আশঙ্কা ৷ ভারতে বেড়ে যেতে পারে জ্বালানির দাম ৷ (Photo: AP)