Rani Mukherji: ১০ বছর হয়ে গেল! মেয়েকে আড়ালেই রেখেছেন রানি মুখার্জি! সমস্যাটা কী...জানালেন অভিনেত্রী!
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
Rani Mukerji Daughter: লোকচক্ষুর আড়ালেই মেয়েকে বড় করে তোলার সিদ্ধান্তে শুরু থেকেই অনড় রানি মুখার্জি ও আদিত্য চোপড়া। তারকাসন্তান হয়েও আদিরাকে একেবারে স্বাভাবিক জীবনের স্বাদ দিতে চান এই দম্পতি। মেয়ের ভবিষ্যৎ, বেড়ে ওঠা এবং তাকে ঘিরে নিজেদের ভাবনা নিয়ে সম্প্রতি খোলাখুলি কথা বললেন রানি মুখার্জি।
advertisement
1/6

লোকচক্ষুর আড়ালেই মেয়েকে বড় করে তোলার সিদ্ধান্তে অনড় রানি মুখার্জি ও আদিত্য চোপড়া। দশ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও প্রচারের আলো থেকে দূরেই রয়েছেন তাঁদের কন্যা আদিরা। মেয়ে বড় হয়ে কী হতে চায়, তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সন্তান প্রতিপালন নিয়ে নিজের ভাবনার কথা এবার খোলাখুলি জানালেন অভিনেত্রী Rani Mukerji।
advertisement
2/6
২০১৫ সালে মা হন Rani Mukerji। রানি ও Aditya Chopra-র মেয়ে আদিরার বয়স এখন ১০ বছর। শুরু থেকেই প্রচারবিমুখ আদিত্য চোপড়ার স্পষ্ট ইচ্ছা, মেয়েকে যেন একেবারে স্বাভাবিক পরিবেশে বড় করে তোলা হয়। সেই কারণেই অন্যান্য তারকাসন্তানের মতো আদিরাকে কখনওই সমাজমাধ্যমের আলোয় আনা হয়নি। এতগুলো বছর কেটে গেলেও রানি ও আদিত্য দু’জনেই সচেতন ভাবে মেয়েকে লোকচক্ষুর আড়ালেই রেখেছেন।
advertisement
3/6
রানির কথায়, বাবা-মা পরিচিত মুখ হলে খুব অল্প বয়সেই সন্তানের উপর খ্যাতির ছায়া পড়ে। অনেক ক্ষেত্রেই তারা বাড়তি গুরুত্ব পায়, আলাদা ব্যবহার পায়, যা একটি শিশুর মানসিক বিকাশের পক্ষে স্বাস্থ্যকর নয় বলেই তাঁর মত।
advertisement
4/6
অভিনেত্রীর স্পষ্ট বক্তব্য, তিনি চান আদিরা যেন আর পাঁচটা সাধারণ শিশুর মতোই বড় হয়ে ওঠে, জীবনের স্বাভাবিক অভিজ্ঞতাগুলো উপভোগ করতে শেখে। এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত আদিত্যও। তাই এখনই প্রচারের আলোয় এনে মেয়েকে অপ্রয়োজনীয় চাপে ফেলতে নারাজ রানি-আদিত্য।
advertisement
5/6
তবে মেয়ের মধ্যে পারিবারিক উত্তরাধিকার যে ধীরে ধীরে ফুটে উঠছে, সেটাও অস্বীকার করেননি রানি। তাঁর কথায়, আদিরার আচরণ, চিন্তাভাবনা কিংবা সৃজনশীলতার মধ্যে প্রয়াত শ্বশুর Yash Chopra-র ছায়া দেখতে পান তিনি। শুধু তাই নয়, আদিরার লেখার হাতও বেশ ভাল বলেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী। বর্তমানে আদিরা তাইকোন্ডো শিখছে এবং শারীরিক প্রশিক্ষণের পাশাপাশি মানসিক ভাবেও নিজেকে দৃঢ় করে তুলছে।
advertisement
6/6
মেয়ে বড় হয়ে অভিনেত্রী হবে, না কি বাবার মতো ব্যবসা ও প্রযোজনার গুরুদায়িত্ব সামলাবে—এই প্রশ্নের উত্তরে রানি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, আদিরা জীবনে যে পথই বেছে নিক না কেন, তিনি সব সময় তার পাশে থাকবেন। তাঁর মতে, পেশা বা সাফল্যের চেয়েও জীবনে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হল খুশি থাকা। একজন মানুষ নিজে খুশি থাকতে পারলেই সে আশেপাশের মানুষদেরও ভাল রাখতে পারে। এই মূল্যবোধই তিনি মেয়েকে শেখাতে চান বলে জানিয়েছেন রানি মুখার্জি।