ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতবাণী কি সত্যি হতে চলেছে? বাবা ভাঙ্গার হাড়হিম 'পূর্বাভাস' ভাইরাল, বাড়ছে আতঙ্ক!
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
Baba Vanga On Israel-Iran War : পশ্চিম এশিয়ায় হঠাৎ সামরিক উত্তেজনা ঘিরে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর ইরান পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতেই বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে সম্ভাব্য বৃহত্তর সংঘাত নিয়ে। এই আবহেই ফের আলোচনায় উঠে এসেছে বাবা ভাঙ্গার সেই বহুল চর্চিত ‘মহাযুদ্ধ’ সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণী, যা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে জল্পনা তুঙ্গে।
advertisement
1/7

ইজরায়েল-ইরান সংঘাতের আবহে নতুন করে সামনে এল বাবা ভাঙ্গার ‘ভয়াবহ ভবিষ্যদ্বাণী’ ঘিরে জল্পনা। সাম্প্রতিক সামরিক হামলার পর বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়তেই অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, ২০২৬ সালের ‘মহাযুদ্ধ’-এর যে পূর্বাভাসের কথা বলা হয়, তা কি বাস্তবের দিকে এগোচ্ছে?
advertisement
2/7
শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল যৌথভাবে ইরানের উপর সামরিক হামলা চালায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, তেহরানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনির দফতরের নিকটবর্তী এলাকাগুলিই প্রথম লক্ষ্যবস্তু ছিল। পরবর্তী সময়ে তাঁকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে খবর। এই হামলার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের আশঙ্কা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
advertisement
3/7
এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে বুলগেরিয়ার অন্ধ ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গার নাম। ১৯৯৬ সালে প্রয়াত এই ভবিষ্যদ্বক্তাকে ঘিরে বহু বৈশ্বিক ঘটনার পূর্বাভাসের দাবি রয়েছে। তাঁর অনুসারীদের মতে, পূর্ব দিক থেকে ২০২৬ সালের শুরুতে ‘মহাযুদ্ধ’ শুরু হবে—এমন ভবিষ্যদ্বাণীর সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতির মিল খোঁজা হচ্ছে।
advertisement
4/7
সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র উত্তেজনার সঙ্গে বাবা ভাঙ্গার ভবিষ্যদ্বাণীর যোগসূত্র টানছেন। তাঁদের মতে, বর্তমান সংঘাত ধীরে ধীরে আরও বিস্তৃত আকার নিতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়তে পারে।
advertisement
5/7
বাবা ভাঙ্গার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই সংঘাতের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়তে পারে ইউরোপে। তিনি নাকি বলেছিলেন, যুদ্ধের পর ইউরোপের বিস্তীর্ণ এলাকা অস্থিতিশীল হয়ে উঠবে, যার ফলে তীব্র অর্থনৈতিক ও সামাজিক সংকট দেখা দিতে পারে। একই সঙ্গে তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীতে রাশিয়া একটি প্রধান বৈশ্বিক শক্তি হিসেবে উঠে আসবে বলেও উল্লেখ ছিল, যা আন্তর্জাতিক ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
advertisement
6/7
এদিকে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ঘোষণা করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান শুরু করা হয়েছে। তাঁর দাবি, ইরানের ‘অস্তিত্ব সংকট তৈরি করা পারমাণবিক হুমকি’ নিষ্ক্রিয় করাই এই অভিযানের উদ্দেশ্য। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বের প্রশংসা করে জানান, তেহরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই এই অভিযানের লক্ষ্য, পাশাপাশি এমন পরিস্থিতি তৈরি করা যাতে ইরানের জনগণ নিজেদের সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে পারেন।
advertisement
7/7
ডোনাল্ড ট্রাম্পও বিবৃতিতে জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করেছে। তাঁর কথায়, আমেরিকার জনগণকে রক্ষা করাই প্রধান লক্ষ্য। তিনি ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ডকে অস্ত্র সমর্পণের আহ্বান জানিয়ে সতর্ক করেন, প্রতিরোধ করলে ‘নিশ্চিত মৃত্যুর’ মুখে পড়তে হবে। একই সঙ্গে ইরানের জনগণের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা শেষ করলে তোমরাই তোমাদের সরকার নিয়ন্ত্রণে নেবে—এটাই হয়তো প্রজন্মের পর প্রজন্মে একমাত্র সুযোগ।”
বাংলা খবর/ছবি/জ্যোতিষকাহন/
ইজরায়েল-ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভয়ঙ্কর ভবিষ্যতবাণী কি সত্যি হতে চলেছে? বাবা ভাঙ্গার হাড়হিম 'পূর্বাভাস' ভাইরাল, বাড়ছে আতঙ্ক!