পরবর্তীতে নজরদারি ভিডিওতে দেখা যায় যে, হানি বেশ কয়েকবার ভালুকটিকে প্রতিহত করতে সক্ষম হয়েছিল। তবে, পরিবারটি পরদিন সকাল পর্যন্ত বিষয়টি বুঝতে পারেনি৷ তাঁরা যখন বয়স্ক কুকুরটিকে আহত অবস্থায় ড্রাইভওয়েতে পড়ে থাকতে দেখেন, তখন স্পষ্ট হয় পুরো বিষয়। এর পর, হানির মালিকরা তাকে জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয় এবং একাধিক ওষুধ খাওয়ার পাশাপাশি তাকে প্রতিদিন ব্যান্ডেজ বদলানোর যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়।
advertisement
হানি এর আগে পারভো রোগ এবং একটি শজারুর সঙ্গে সংঘর্ষে অর্ধ-অন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি থেকে বেঁচে ফিরেছে৷ অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে ফের সুস্থ হয়ে উঠছে। হানি শুধু বেঁচে থাকেনি। সে তার পরিবার ও বিপদের মাঝে দাঁড়িয়েছে এবং বার বার তাদেরকেই বেছে নিয়েছে, এমনকি যখন এর জন্য তাকে সবকিছু হারাতে হতে পারত। এই তেজস্বী সাহসী সারমেয়র কীর্তিতে মুগ্ধ নেটিজেনরা। সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের মত, সেই রাতের অন্ধকারে ঠিক কীভাবে ঘটনাটি ঘটেছিল তা আমরা কখনওই জানতে পারব না৷ কিন্তু আমরা এটুকু জানি: হানি এমন কিছুর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিল যার বিরুদ্ধে লড়াই করার কোনও কথাই তার ছিল না৷ দুর্বল শরীরেও সাহসিকতা দেখিয়ে বাহবা কুড়োচ্ছে পোষ্য হানি৷
