পাশাপাশি ন্যায্য ভোটারদের নাম বাদ যাওয়া নিয়ে আশঙ্কাপ্রকাশ করে সুজন চক্রবর্তী বলেন, “যদি কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ যায়, তবে তার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন, এরপর রাজ্যের আধিকারিকদের”। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “তারপরেও যদি বাদ যায়, সেই বিচারকদের বিচার কে করবে, রাজ্য না কেন্দ্র? আসামের মত ডি ভোটার যদি হয়, তবে মানুষ মেনে নেবে না।”
advertisement
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ প্রসঙ্গে কেন্দ্রের শাসকদলকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, “বিজেপির কথায় চলতে গিয়ে নির্বাচন কমিশন মানুষের সর্বনাশ করছে। আধার কার্ড এবং মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড কেউ জমা না দিয়ে থাকে, তবে ১৪ তারিখের পর যদি জমা না নেওয়া হয় তবে সেটা ভয়াবহ অপরাধ হবে”।
প্রসঙ্গত সুপ্রিম কোর্ট মঙ্গলবারই নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ১২টি নথির পাশাপাশি আধার ও মাধ্যমিক অ্যাডমিট কার্ডও বৈধ হিসেবে গণ্য হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যের পাশাপাশি ওড়িশা, ঝাড়খণ্ডের বিচারকদেরও ব্যবহার করা যেতে পারে এসআইআরের কাজে।
