৩৫ বছর ধরে শুধুমাত্র বিদ্যাসাগরের মূর্তি তৈরি করে জীবিকা অর্জন বিদ্যাসাগরের গ্রামের ছেলের

Bangla Editor | News18 Bangla | 08:42:35 PM IST Jan 07, 2019

#ঘাটাল: বিদ্যাসাগর যদি থাকতেন, তাঁর প্রতিবেশী হতেন। ঘাটালের বীরসিংহগ্রাম বিদ্যাসাগরের জন্মভূমি। তাঁর বাড়ির ঠিক পিছনেই থাকেন তাপস হাজরা। বাবার হাত ধরে বিদ্যাসাগরের মূর্তি তৈরি শুরু করেন। অভাবের সংসারে আলো দেখিয়েছিলেন বিদ্যাসাগর। তারপর থেকে পঁয়ত্রিশ বছর ধরে বিদ্যাসাগরের মূর্তিই তৈরি করেন তাপস হাজরা।

তাঁর পড়াশোনা ক্লাস এইট পর্যন্ত। সংসারে অভাব ছিল, পড়াশোনা চালাতে পারেননি। তবুও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরই তাঁর সঙ্গী। বলা ভাল, তিনিই ছাড়েননি বিদ্যার সাগরকে। ৩৫ বছর ধরে বিদ্যাসাগরের মূর্তি বেচেই পেট চলে। তিনি ঘাটালের বাসিন্দা তাপস হাজরা।

ঘাটালের বীরসিংহগ্রাম বিদ্যাসাগরের জন্মভূমি। তাঁর বাড়ির ঠিক পিছনেই থাকেন তাপস হাজরা। আজ যদি বিদ্যাসাগর থাকতেন তাপস হাজরার প্রতিবেশী হতেন। ঘাটালে বিদ্যাসাগর মেলায় ঢোকার মুখে ঠিক প্রথম দোকানটি তাঁর। সেখানেই বিদ্যাসাগরের মূর্তি বিক্রি করেন তাপস হাজরা।কম দামে বিদ্যার সাগর কিনে নিয়ে যেতে উৎসুক অনেকেই।

বিদ্যাসাগরের আরেক নাম ছিল দয়ার সাগর। করুণার সিন্ধু বলেছিলেন কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত। বিদ্যাসাগর বেঁচে নেই। তবুও তাঁর জন্যই বেঁচে আছেন তাপস হাজরা। অভাবের সংসারে আলো জ্বালিয়েছেন বিদ্যাসাগর।

আরও পড়ুন-দিন-মাস-বছরে আবেগের গল্প, ক্যালেন্ডারে উত্তম-সুচিত্রা

লেটেস্ট ভিডিও