পাঁশকুড়া ব্লকের ভোগপুরে বজ্রপাতে মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন সমাজসেবী আবিদার মল্লিক

Bangla Editor | News18 Bangla | 07:58:59 PM IST Jun 23, 2021

পাঁশকুড়া ব্লকের ভোগপুরে বজ্রপাতে  মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়ালেন  সমাজসেবী আবিদার মল্লিক। ভোগপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নারায়ন পাকুড়িয়া গ্রামে গত 27 মে  বজ্রপাতে মৃত্যু হয় সফিবুল খান নামে এক ব্যক্তির নাবালক সন্তানের এমনই খবর পেয়ে নারায়ন পাকুড়িয়া গ্রামে ছুটে গেলেন কোলাঘাট সামাজিক সেবা সমিতির সম্পাদক আবিদার মল্লিক। যিনি সর্বদাই দুস্থ অসহায় মানুষের স্বার্থে অবিভক্ত মেদিনীপুর হাওড়া, হুগলি জেলার বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ান তাই আজ নারায়ন পাকুড়িয়া গ্রামে পঞ্চায়েতের সদস্য এবং গ্রাম্য পঞ্চজনার সাক্ষাতেই বজ্রপাতে মৃত ফারুক খানের মায়ের হাতে চাল, ডাল শুকনো খাদ্য সামগ্রী আবিদার মল্লিক তুলে দিলেন গ্রামেরই প্রবীণ নেতা শেখ শাহ আলমের হাত দিয়ে।  পরবর্তী সময়ে ঐ পরিবারকে আর্থিক সাহায্য সহ ঐ পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন তিনি। নিউ দীঘায় হোটেল মালিক খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১ নিউ দীঘার সুমন হোটেলর মালিক সুব্রত সরকার ১৯শে জুন রাতে খুনের ঘটনায় দীঘা থানার পুলিশ তদন্ত চালিয়ে আজ সকালে নিউ দীঘা থেকে রামনগর থানার কাবরা গ্রামের বাসিন্দা তথা পেশায় কাঠমিস্ত্রি সেক জামিল (৪৮) কে গ্রেফতার করে। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে মালিকের সঙ্গে কাজের সুবাদে দীর্ঘ ৩০ বছরের সম্পর্ক ছিল। টাকা পয়সা ও গয়না এবং হোটেলের দামি জিনিস পত্র চুরির উদ্দেশ্যে গভীর রাতে হোটেলে ঢুকে পড়ে মালিক চিনে ফেলায় শ্বাস রোধ করে খুন করে। দীঘা থানা আজ কাঁথি কোর্টে পাঠানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করে। তার কাছে পরিবেশ দিবস প্রতিদিনই। বিগত তিন বছর ধরে ক্যারিব্যাগ ব্যবহার করেন না ময়না শিক্ষক দিলীপ পাত্র। মাছ মাংস কেনেন টিফিন কারি কৌটোতে, ডিম নেন ডিমের ট্রে তে, সবজি বাজার করেন চটের ব্যাগে। সংকল্প করেছেন আগামী দিনেও এই ভাবে মেনে চলবেন। পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ময়না থানার অধিবাসী পেশায় শিক্ষক দিলীপ কুমার পাত্র যিনি স্থানীয় মানুষের কাছে বৃক্ষ প্রেমী ও সবুজ দাদা নামে পরিচিত। তিনি নিজেও যেমন ক্যারিব্যাগ ব্যবহার করেন নি তেমনই অন্যকেও ব্যবহার না করার অনুরোধ করেন। তার কথায় ক্যরিব্যাগ পোড়ালে বায়ুতে দূষণ ছড়ায়, কৃষি জমি অনুর্বর হয়ে পড়ে ফলে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়।জল নিকাশী ব্যবস্থা ব্যাহত হয় , এতে অকাল বন্যা ডেকে আনে। বেশি মাত্রায় পলি ব্যাগ জলাভূমি,খাল ও নদীতে ফেললে অগভীর হয় এবং দৃশ্য দূষণ ঘটে এমনকি বহু প্রজাতির জলজ প্রাণীর মৃত্যু ডেকে আনে। গবাদিপশু ও বন্যপ্রাণী খাদ্যের সঙ্গে এই পলি ব্যাগ খেয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।মাটি দূষণ ছাড়া পরিবেশের ভারসাম্য হারিয়ে যায় এছাড়াও মাটিতে বেশি পলি ব্যাগ থাকলে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়

লেটেস্ট ভিডিও