রামনগর বাজারের আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে দূষণ নষ্ট হচ্ছে এলাকার বাস্তুতন্ত্র

Bangla Digital Desk | News18 Bangla | 08:16:16 PM IST Apr 22, 2021

রামনগর বাজারের আবর্জনা থেকে ছড়াচ্ছে দূষণ নষ্ট হচ্ছে এলাকার বাস্তুতন্ত্র পূর্ব মেদিনীপুর জেলার রামনগর ১ ব্লকের, রামনগর নতুন ব্রিজ ও পুরোনো ব্রিজের নিচে রামনগর বাজারে যত আবর্জনা ওই ব্রীজের নীচে ফেলা হয়। এর ফলে সে আবর্জনাগুলো বিভিন্ন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা পচে গিয়ে জলের সঙ্গে মিশছে। এই জল দীঘা শঙ্করপুর মহানার মধ্য দিয়ে বঙ্গোপসাগরে পড়ছে। এই দূষণের ফলে  ব্রিজের নিচে খালটিতে বিভিন্ন ধরনের মাছ যেমন পারশে মাছ ,টেংরা মাছ তেলাপিয়া মাছ, ভেটকি মাছ ,কাতলা মাছ ভেসে ওঠে। এই জলের বিষক্রিয়ায় অক্সিজেনের অভাবে ভেসে উঠেছে সম্ভবত মাছগুলো সবই মারা যাবে। স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রশাসনের কাছে দাবি। জেলা প্রশাসন ও ব্লক প্রশাসন দ্রুত এই আবর্জনা নোংরা পরিষ্কার এর ব্যাপারে উদ্যোগী হয়ে পরিবেশ যাতে দূষিত না হয় খুব তাড়াতাড়ি এই সুব্যবস্থা করে পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র এবং পরিবেশকে রক্ষা করুক। সিকিউরিটি গার্ড ছাড়াই রয়েছে বিভিন্ন ব্যাংকের এটিএম।পূর্ব মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন বাজারে সিকিউরিটি গার্ড ছাড়াই আছে এটিএম কাউন্টার গুলি। পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক, নন্দকুমার, নিমতৌড়ি, ময়না ও নিকাশি বাজার এর প্রতিটি এটিএম কাউন্টার রয়েছে সিকিউরিটি ছাড়াই। বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও প্রাইভেট ব্যাংকের এটিএম গুলি বাজারের মধ্যে অবস্থিত। কিন্তু তাতে কোন সিকিউরিটি গার্ড নেই। সমস্যায় গ্রাহকেরা, এটিএম সংক্রান্ত কোন সমস্যা হলে তারা সরাসরি সিকিউরিটি গার্ড এর মাধ্যমে সমস্যা নথিভূক্ত করতে পারে না। এছাড়াও টাকা তোলার সময় সুরক্ষা হীনতার প্রশ্নই থেকে যায়। প্রায়ই শোনা যায় দুষ্কৃতীদের দ্বারা এটিএম লুটের ঘটনা। কিন্তু তার পরেও টনক নড়েনি বিভিন্ন রাষ্ট্রায়ত্ত ও প্রাইভেট ব্যাংকগুলির। বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় বাজারগুলিতে তাদের গ্রাহকদের জন্য এটিএম পরিষেবা কাউন্টার রয়েছে। কিন্তু সেখানে সুরক্ষার কথা মাথায় রাখে নি। বিভিন্ন এটিএম গুলো ঘুরলেই চোখে পড়ে কোনরকম সিকিউরিটি গার্ড ছাড়াই এটিএম মেশিন গুলো আছে। ফলে যেকোনো সময় দুষ্কৃতী ও ছিনতাই কারীদের হাতের লুণ্ঠিত হওয়ার দুশ্চিন্তা থেকেই যায় গ্রাহকদের মনে। প্রভৃতি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও প্রাইভেট ব্যাংক গুলো তাদের এটিএম কাউন্টার সিকিউরিটি ব্যবস্থা করলে গ্রাহকদের সুরক্ষা হীনতা প্রশ্নে করতে হয়না। সুরক্ষিত থাকবে এটিএম মেশিন গুলো। অবহেলায় ভগ্নপ্রায় প্রাচীণ রাধাবল্লভ জিউর মন্দিরপূর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দকুমার থানার অন্তর্গত বহিচবেড়িয়া গ্রাম। এই গ্রামে অবস্থিত প্রাচীন রাধাবল্লব জিউর মন্দির যা ভগ্নপ্রায়। নয় চূড়া বিশিষ্ট এই মন্দিরের বর্তমান অবস্থা সঙ্গীন। মন্দিরে বিগ্রহ ছাড়াই কাঠামো দাঁড়িয়ে আছে মৃত্যুর অপেক্ষায়। শোনা যায় স্থানীয় দেশীয় রাজা অজিত নারায়ন এর পূর্বসূরী প্রায় পাঁচশো বছর আগে বাড়ির কুল দেবতার মন্দির নির্মাণ করেন। নয় চূড়া বিশিষ্ট মন্দিরের নির্মাণশৈলী প্রাচীনত্বের ছাপ রাখে। কিন্তু ভগ্ন হয়ে বর্তমানে পাঁচটি চূড়া লক্ষ্য করা যায়। পোড়ামাটির কারুকার্য মন্দির নির্মাণ শৈলী কে অপূর্ব মাত্রা দান করে, যা প্রায় বর্তমানে কালের গর্ভে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। ইংরেজরা এ দেশে আসার আগে স্থানীয় দেশীয় রাজারাই নিজ নিজ এলাকায় শাসন করতো। দেশীয় রাজারা ধার্মিক ন্যায় পরায়ণ হাওয়ায় অনেক মন্দির নির্মাণ করেন। এসব মন্দিরের বর্তমান প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব অনেক।

লেটেস্ট ভিডিও