পথ দুর্ঘটনায় তমলুক থানার সিভিক ভলেন্টিয়ারের মৃত্যু

Bangla Digital Desk | News18 Bangla | 08:09:02 PM IST Apr 05, 2021

দুর্ঘটনায় মারা গেলেন তমলুক থানার এক সিভিক ভলেন্টিয়ার। ৪১ নং জাতীয় সড়কে কর্মরত অবস্থায় মারা গেলেন সিভিক ভলেন্টিয়ার সনাতন জানা। রাস্তার ট্রাফিক সামলানোর কাজে নিযুক্ত ছিলেন উনি। ৪১ নম্বর জাতীয় সড়কে কাকগেছিয়া আর কাছে একটা ট্রলারের ধাক্কায় মারা যান। কাকগেছিয়ার কাছে  জাতীয় সড়ককে ক্রস  করে একটি রাস্তা তমলুক পৌঁছেছে। কাকগেছিয়া ক্রসিংয়েই ট্রাফিকের কাজে নিযুক্ত থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ার সনাতন জানাকে হলদিয়ার দিকে যাওয়া একটি দ্রুতগামী ট্রলার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টোদিকে মেছেদা যাওয়ার রাস্তায় ইট বোঝাই ইঞ্জিন চালিত ভ্যান ও টোটো কে ধাক্কা মারে। সেই সঙ্গে ট্রাফিকের কাজে দাঁড়িয়ে থাকা সিভিক ভলেন্টিয়ারকে ধাক্কা মারে। ইট বোঝাই ইঞ্জিন চালিত ভ্যানটি উলটে যায়। ট্রলার ও ইঞ্জিন চালিত ভ্যানের মাঝখানে থেকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় সিভিক ভলেন্টিয়ার সনাতন জানা কে। উদ্ধার করে তমলুক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে, সনাতন জানা কে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। মৃত সিভিক ভলেন্টিয়ার সনাতন জানার বাড়ি তমলুক থানার শ্রীরামপুর ২ অঞ্চলের চক গাড়ুপতা গ্রামে। গ্রামে শোকের ছায়া। নিমতৌড়ি হোম আবাসিকদের মধ্যে খুশির হাওয়া।করোনা আবহে হাতে পয়সা আসবে তাই খুশির হাওয়া নিমতৌড়ী হোম আবাসিক ও দিব্যাঙ্গদেরকরোনা আবহে খুশির হাওয়া নিমতৌড়ী হোমজুড়ে প্রায় ১ লাখ টাকার গনেশের বরাদ্দ পেয়েছে, রাত ভোর কাজে ব্যস্ত - সুমৌ, মালবিকা, পম্পা, চন্দনী, মধুমিতা, রনু, গঙ্গারা ৩০০ পিস গনেশের মূর্ত্তি, জোড়া পাখি বানাতে হবে ২০ দিনের মধ্যে। এক ব্রাহ্মন পরিবার তার ছেলের পৈতেতে অথিতিদের আমন্ত্রন জানাবেন গনেশ আমন্ত্রন পত্রের দ্বারা। আগামী ১০ ই এপ্রিলের মধ্যে বানিয়ে ফেলতে হবে, কত কাজ গহনা গাঠি, সুঁড় মুকুট সবই মাটির উপর জুট জড়িয়ে রং বাহারি করে তুলতে হবে। মুসলিম অথিতিদের জন্য থাকছে ২৫টি পাটের তৈরী জোড়া পাখি, স্ব-নির্ভরতা শুধু নয় এই শিল্প কাজ ৩২৫ টি পরিবারে চলে যাবে তাই ওদের প্রশিক্ষিক সুমৌ মান্না তুলির শেষ টানটা নিজে দেখে নিচ্ছে। এই আনন্দে খুশির হাওয়া নিমতৌড়ী তমলুক উন্নয়ন সমিতির হোম আবাসিক ও দিব্যাঙ্গরা তাদের সাথে সাহায্য করছে হোমের দিদিরাও।নিমতৌড়ী তমলুক উন্নয়ন সমিতির প্রতিবন্ধী সুষম পুনর্বাসন কেন্দ্রের সাধারন সম্পাদক যোগেশ সামন্ত জানান করোনা আবহ থাকার জন্য কোন অর্ডার ছিলনা। রাখি তৈরী বিরাট বরাদ্দ থাকত তাও এবছর ছিলনা মেলা উৎসব বন্ধ তাই স্টল নিয়ে যেতে পারত না। ওরা খুব হতাশ হয়ে পড়েছিল। গনেশের অর্ডার আকাশের চাঁদ পাওয়ার মতো, ওদের মনে বিশেষ উৎসাহ দিয়েছে ওরা দিনরাত এই কাজেই এখন ব্যস্ত। আগেও জুটের তৈরী দুর্গামূর্ত্তি মহারাষ্ট্র, দিল্লীতে গিয়েছিল। এবার এই অর্ডার গুলো কলকাতার এক বই পাবলিসার্শ তাদের বাড়ীর পৈতে আমন্ত্রন পত্রে স্মারক হিসেবে নিয়ে যাবেন, এতে যেটুকু লাভ হবে সবটাই হোম আবাসিক ও দিব্যাঙ্গদেও ভাগ করে দেওয়া হবে।

লেটেস্ট ভিডিও