Football World Cup 2018

আজ শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবছর ১১ লক্ষেরও বেশি

Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Mar 12, 2018 09:52 AM IST
আজ শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা, পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবছর ১১ লক্ষেরও বেশি
File Photo
Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Mar 12, 2018 09:52 AM IST

#কলকাতা:  আজ, সোমবার থেকে শুরু মাধ্যমিক পরীক্ষা ৷ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা এবছর ১১ লক্ষেরও বেশি ৷ পরীক্ষা ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও আরও কড়া হয়েছে ৷ সিলবন্দি প্রশ্নপত্র খোলা হবে পরীক্ষা ঘরেই ৷ প্রশ্নপত্র খোলার সঙ্গে সঙ্গে তথ্য যাবে পর্ষদে ৷ কখন, কোথায় প্রশ্নপত্র খোলা হচ্ছে সেটা জানা যাবে ৷

কেন্দ্রে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে মোবাইল ফোন জমা দিতে হবে পরীক্ষার্থীদের ৷ ফোন জমা দিতে হবে শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদেরও ৷ পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুর হলে দায়ী সংশ্লিষ্ট স্কুল ৷ অর্থাৎ সেই স্কুলকেই দিতে হবে ক্ষতিপূরণ বলে আগেই ঘোষণা করেছে পর্ষদ ৷ স্পর্শকাতর কেন্দ্রগুলিতে হবে ভিডিওগ্রাফিও ৷ পরীক্ষাকেন্দ্রের বাইরে থাকবে পুলিশ ৷

মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ  ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জেলাগুলিতে ৷ পশ্চিম মেদিনীপুরে এখন চলছে বাঘের আতঙ্ক ৷ তাই সেখানে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়েছে বনদফতর ৷ জঙ্গল লাগোয়া রাস্তায় পরীক্ষার্থীদের জন্য নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে ৷ লালগড়, মধুপুর, লক্ষ্মণপুর, বুড়িশোল,গোয়ালতোড়ে রাস্তার বিভিন্ন প্রান্তে থাকবেন বনকর্তারা ৷ পরীক্ষার্থীদের কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই নিয়ে যাওয়া হবে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে ৷ পরীক্ষা শেষে তাঁদের বাড়ি ফিরতেও বিশেষ ব্যবস্থার আয়োজন করা হয়েছে ৷

মাধ্যমিকের প্রশ্নপত্র এবার ট্র্যাক করবে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ৷ সিল খোলা হলেই লোকেশন জানা যাবে ৷ নিরাপত্তা বাড়াতে প্রযুক্তিতে জোর দিচ্ছে পর্ষদ ৷ গতবছর হোয়াটসঅ্যাপে প্রশ্নপত্র বেরোনোর অভিযোগ হলে ঢোকার আগে প্রশ্নপত্র খোলা যাবে না ৷  তার জেরেই প্রশ্নপত্র ট্র্যাকের সিদ্ধান্ত নিয়েছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ৷

প্রশ্নপত্র অসন্তোষ নিয়ে কোনও বিশৃঙ্খলা বরদাস্ত করা হবে না। পরীক্ষাহলে ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটলে ক্ষতিপূরণের দায় নিতে হবে বিশৃঙ্খল ছাত্রছাত্রীদের স্কুলকেই। জানালেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদ সভাপতি কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা নিয়েও সতর্ক পর্ষদ।

পছন্দসই প্রশ্নপত্র না হলেই আক্রোশ-অসন্তোষ উগরে দেওয়া পরীক্ষার্থীদের দস্তুর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কখনও কখনও সেই আক্রোশ থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রে ভাঙচুরও করেন তারা। গত কয়েক বছর ধরে মাধ্যমিক পরীক্ষা ঘিরে এরাজ্যে তেমন ঘটনা না ঘটলেও এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে সতর্ক মাধ্যমিক শিক্ষা পর্ষদ। পর্ষদের সভাপতি জানিয়েছেন, পরীক্ষা হলে ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটলে পরীক্ষার্থীদের স্কুলকেই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১১ লক্ষ ২৯২১ জন। ছাত্র ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৩৯৫ জন এবং ছাত্রী ৬ লক্ষ ২০ হাজার ৭০৩ জন। এ বছর ৩৭টি স্কুলের ৮৩২জন পরীক্ষার্থী অলচিকি ভাষায় পরীক্ষা দেবেন। বরাবরের মতো পরীক্ষাকেন্দ্রে ক্যালকুলেটর এবং মোবাইল নিয়ে ঢোকা নিষিদ্ধ।

পরীক্ষা ও পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়েও বাড়তি সতর্ক পর্ষদ। প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা রুখতে প্রযুক্তির সাহায্য নেওয়া হচ্ছে। পর্ষদ সভাপতি জানিয়েছেন, স্কুলগুলিতে কীভাবে প্রশ্নপত্র পৌঁছছে তা পুরোটাই বিশেষ প্রযুক্তিতে ট্র্যাক করা হবে। প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সিল খোলা হলেই বিশেষ প্রযুক্তিতে তা ধরা পড়বে এবং এই ঘটনা কোথায় হল তাও জানা যাবে। পরীক্ষা হলে ঢোকার আগে প্রশ্নপত্র খোলা যাবে না। প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তার বন্দোবস্ত থাকবে, থাকবে মেডিক্যাল ইউনিটও। প্রায় প্রতিটি জেলাতেই কয়েকটি স্পর্শকাতর পরীক্ষাকেন্দ্র রয়েছে। সেই কেন্দ্রগুলিতে সিসি ক্যামেরায় নজরদারি চালানো হবে।

First published: 09:35:47 AM Mar 12, 2018
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर