• Home
  • »
  • News
  • »
  • uncategorized
  • »
  • কামদুনির ক্ষতে খানিক প্রলেপ দিল ২০১৬, সাজা পেলেন কামদুনি গণধর্ষণের অপরাধীরা

কামদুনির ক্ষতে খানিক প্রলেপ দিল ২০১৬, সাজা পেলেন কামদুনি গণধর্ষণের অপরাধীরা

কামদুনির গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বিরলের মধ্যে বিরলতম।

কামদুনির গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বিরলের মধ্যে বিরলতম।

কামদুনির গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বিরলের মধ্যে বিরলতম।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কামদুনি: কামদুনির গণধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড বিরলের মধ্যে বিরলতম। ঘটনার একত্রিশ মাস পর আঠাশে জানুয়ারি আনসার আলি, সইফুল আলি, আমিন আলি-কে ফাঁসির সাজা দেয় নগর দায়রা আদালত। দোষী সাব্যস্ত বাকি তিন ইমামুল ইসলাম, আমিনূর ইসলাম, ভোলা নস্করকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

    ৭ জুন, ২০১৩, দুপুর ২.২০

    দুপুর দু'টো কুড়ি। এই রাস্তা দিয়েই বাড়ি ফিরছিলেন কামদুনির কলেজছাত্রী। হঠাৎই তাঁকে টেনে-হেঁচড়ে পাঁচিল ঘেরা পরিত্যক্ত জায়গায় তুলে নিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা। পরপর ধর্ষণ। নৃশংস অত্যাচারে মৃত্যু হয় ওই ছাত্রীর। পরে পাঁচিলের বাইরে জমি থেকে উদ্ধার হয় দেহ। একে একে গ্রেফতার হয় ৯অভিযুক্ত। আড়াই বছর পর অবশেষে ২৮ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার কামদুনি মামলার রায় দেয় নগর দায়রা আদালত। মামলায় অভিযুক্ত ন'জনের মধ্যে বিচার চলাকালীনই মারা যায় গোপাল নস্কর। বাকি আটজনের মধ্যে ছ'জনকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা শোনায় আদালত।

    আমিন আলি, আনসার আলি ও  সইফুল আলি, গণধর্ষণ, খুন এবং ষড়যন্ত্রের ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসির সাজা দেওয়া হয় এই তিনজনকে। সইফুল আলিকে মহিলার উপর নির্যাতন এবং আটকে রাখার ধারাতেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ৩৭৬ডি ধারায় গণধর্ষণ, ৩৭৬এ ধারায় ধর্ষণের ফলে মৃত্যু, ৩০২ ধারায় খুন, ১২০বি ধারায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ফাঁসির আদেশ শোনায় আদালত ৷

    ৩৭৬ডি ধারায় গণধর্ষণ, ২০১ ধারায় তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও ১২০বি ধারায় ষড়যন্ত্র- ইমানুল ইসলাম, আমিনূর ইসলাম এবং ভোলা নস্কর ৷ এদের প্রত্যেককেই গণধর্ষণ, তথ্যপ্রমাণ লোপাট এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের দায়ে যাবজ্জীবনের সাজা দেয় নগর দায়রা আদালত।

    বেকসুর খালাস পায় নূর আলি ও রফিকূল ইসলাম ৷ ২০১৩-র ৭ জুন কামদুনির নৃশংসতা দেখে শিউরে উঠেছিল রাজ্য। সেদিন টানা বৃষ্টিতে অন্ধকার নেমেছিল বিকেলেই। দোষী আটজনেরই ফাঁসির সাজা চেয়েছিল কামদুনি। অপরাধীদের সর্বোচ্চ সাজা সন্তান হারা মা-বাবার ক্ষতে কোনও প্রলেপ-ই কী দিতে পারে? আজও উত্তর খুঁজছে কামদুনি।

    First published: