• Home
  • »
  • News
  • »
  • uncategorized
  • »
  • সিঙ্গুরের ডাকাত কালী মন্দিরের জন্য আশপাশের কোনও গ্রামে কালীপুজো হয় না

সিঙ্গুরের ডাকাত কালী মন্দিরের জন্য আশপাশের কোনও গ্রামে কালীপুজো হয় না

 প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ বছরেরও পুরনো সিঙ্গুরের ডাকাত কালী মন্দির ঘিরে রয়েছে নানা ইতিহাস। বৈদ্যবাটী-তারকেশ্বর রোডের পাশে পুরুষোত্তমপুর এলাকায় অবস্থিত এই ডাকাতকালী মন্দির।

প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ বছরেরও পুরনো সিঙ্গুরের ডাকাত কালী মন্দির ঘিরে রয়েছে নানা ইতিহাস। বৈদ্যবাটী-তারকেশ্বর রোডের পাশে পুরুষোত্তমপুর এলাকায় অবস্থিত এই ডাকাতকালী মন্দির।

প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ বছরেরও পুরনো সিঙ্গুরের ডাকাত কালী মন্দির ঘিরে রয়েছে নানা ইতিহাস। বৈদ্যবাটী-তারকেশ্বর রোডের পাশে পুরুষোত্তমপুর এলাকায় অবস্থিত এই ডাকাতকালী মন্দির।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #হুগলি: বয়সে যথেষ্ট প্রবীণ এই কালীবাড়ি। বৈদ্যবাটী-তারকেশ্বর রোডের পাশে পুরুষোত্তমপুর এলাকায় অবস্থিত এই ডাকাতকালী মন্দির। কবে থেকে এই পুজো শুরু হয়েছিল, তা নির্দিষ্ট করে বলা না গেলেও অনুমান এই পুজোর বয়স প্রায় পাঁচশো বছর। এই পুজোর সঙ্গেই জড়িয়ে আছে মা সারদারও নাম। প্রায় ৫০০ থেকে ৫৫০ বছরেরও পুরনো সিঙ্গুরের ডাকাত কালী মন্দির ঘিরে রয়েছে নানা ইতিহাস।

    কথিত আছে, অসুস্থ ঠাকুর রামকৃষ্ণকে দেখতে মা সারদা কামার পুকুর থেকে দক্ষিণেশ্বর যাচ্ছিলেন, তখন পথে রঘু ডাকাত ও গগন ডাকাত মায়ের পথ আটকে দাঁড়ায় ৷ ডাকাতি করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য ৷ সেই সময় রক্ত চক্ষু মা কালীর মুখ দেখতে পায় ডাকাতরা । ভুল বুঝতে পেরে মা সারদার কাছে ক্ষমা চায় তারা।

    ততক্ষণে সন্ধে নেমে আসায় সেই রাতে ডাকাত দের আস্তানায় মা সারদাকে থাকার ব্যবস্থা করে দেয় ডাকাতরা।মা সারদাকে রাতে খেতে দেওয়া হয় চাল ভাজা ও কড়াই ভাজা। সেই থেকে কালীপুজোর দিনে মদ ও চাল কড়াই ভাজা দেওয়া হয়। এ ছাড়াও পুজোর প্রসাদ হিসাবে লুচি ভোগ, ফল দেওয়া হয় ।

    মন্দিরের সেবাইত রবীন বন্দোপাধ্যায় বলেন, কালি পুজোর দিন শুদ্রদের আনা গঙ্গার জল মন্দিরের দরজা বন্ধ করে ঘটে দেওয়া হয়। সেই জল সারা বছর থাকে। চার প্রহরে চার বার পুজো ও ছাগ বলি হয় ।রক্ত চক্ষু এই মুর্তি তৈরী করে ছিলেন রঘু ডাকাত ও গগন ডাকাত। পরে স্বপ্নাদেশে সিঙ্গুর থানার চালকেবাটি গ্রামের মোড়ল রা এই মন্দিরটি প্রতিষ্ঠা করেন ৷ কালী পুজোর দিন মোড়লদের পুজোর পর অন্য ভক্তদের পুজো হয়।

    মন্দির কমিটির সম্পাদক মদন কোলে বলেন, মল্লিকপুরে এই ডাকাতে কালীর মন্দির থাকায় মল্লিকপুর, জামিনবেড়িয়া ও পুরষোত্তমপুর, এই তিন গ্রামে হয় না কোন কালীপুজো। এমন কি কোন বাড়িতে দেওয়ালে টাঙানো থাকেনা ক্যালেন্ডার বা কোন মূর্তি। মা এতটাই জাগ্রত যে, এই প্রতিমার পুজো ছাড়া অন্য প্রতিমার পুজো করতে সাহস পায় না এলাকার মানুষজন।

    First published: