অষ্টমীতে মণ্ডপে মণ্ডপে চলল কুমারীপুজো , কেন হয় এই পুজো ?

দেশে নারীশক্তির উত্থান। এই উদ্দেশ্যেই বেলুড় মঠে দেবী দুর্গার বন্দনায় কুমারী পুজোর প্রচলন করেছিলেন বিবেকানন্দ।

দেশে নারীশক্তির উত্থান। এই উদ্দেশ্যেই বেলুড় মঠে দেবী দুর্গার বন্দনায় কুমারী পুজোর প্রচলন করেছিলেন বিবেকানন্দ।

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #কলকাতা: দেশে নারীশক্তির উত্থান। এই উদ্দেশ্যেই বেলুড় মঠে দেবী দুর্গার বন্দনায় কুমারী পুজোর প্রচলন করেছিলেন বিবেকানন্দ। সেই প্রথা মেনে মহাষ্টমীর সকালে ধুমধাম করে চলল কুমারী পুজো। অসুরদলনীকে কন্যাজ্ঞানে আরাধনায় মেতে উঠল গোটা রাজ্যও।

    শক্তি পূজার অঙ্গ কুমারী পূজা। মনেপ্রাণে দেশে নারীশক্তির উত্থান চাইতেন স্বামী বিবেকানন্দ। ১৯০১ সাল থেকে, বেলুড় মঠে দেবী দুর্গার পুজোর সঙ্গে তাই জুড়ে দিয়েছিলেন কুমারী আরাধনার প্রথা। সেই প্রথা মেনে মহাষ্টমীর সকালে কুমারী বন্দনা চলে বেলুড় মঠে। পাঁচ বছরের কন্যাকে দেবী দুর্গা হিসেবে আরাধনা করা হয়।

    তন্ত্র মতে, ২ বছর থেকে ১৬ বছর পর্যন্ত কন্যাকে কুমারী রূপে পুজো করা হয়। হিন্দু শাস্ত্র মতে অবশ্য, ২ বছর থেকে ১০ বছর পর্যন্ত কন্যাকে কুমারী রূপে পুজো করতে হয়। মহাষ্টমী তিথিতে বেলুড় মঠে সকাল ৯টা নাগাদ শুরু হয় কুমারী পুজো। চলে ৯.৪০ পর্যন্ত। হাওড়ার পঞ্চাননতলার বাসিন্দা ঐশিনী চট্টোপাধ্যায়কে কুমারী দুর্গা রূপে আরাধনা করা হয়। ৫ বছরের ঐশিনীকে উমা রূপে পুজো করেন মঠের মহারাজ ও পুরোহিতরা। তাকে লাল বেনারসি পরানো হয়। ফুলের সাজে সাজানো হয়। এরপর সিংহাসনে বসিয়ে শুরু হয় পুজো-অর্চনা ও আরতি। vlcsnap-2016-10-09-17h36m01s163

    এছাড়াও, গোটা রাজ্যের মণ্ডপে মণ্ডপে চলে কুমারী পুজো। জয়রামবাটি ও বরানগরের মায়ের বাড়িতেও কুমারী পুজোর ভিড় ছিল দেখার মতো।

    মানুষের বিশ্বাস, কুমারী পুজোর মাধ্যমে দারিদ্র্য দূর হবে। বাড়বে ঐশ্বর্য। সেই বিশ্বাসেই বছরের পর বছর ধরে চলে আসছে নারীশক্তিকে পুজো করার নানা পদ্ধতি।

    পুজো উপলক্ষ্যে ধুমধাম মল্লিকবাড়িতে। রবিবার সকালে মহাষ্টমীর ষোড়শ উপাচার দিয়ে শুরু হয় পুজো অর্চনা। কুমারীকে নিজে হাতে সাজিয়ে দেন রঞ্জিত মল্লিকের স্ত্রী দীপা।  অতিথিদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্বে ছিলেন মল্লিকবাড়ির মেয়ে কোয়েল।

    First published: