প্রয়াত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা, ‘আম্মা’র শোকে থমকে চেন্নাই !

তিনি ভারতীয় রাজনীতির আম্মা। দেশের রাজনীতিতে অন্যতম কুশলি কিং মেকারও। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকার পর ৪

তিনি ভারতীয় রাজনীতির আম্মা। দেশের রাজনীতিতে অন্যতম কুশলি কিং মেকারও। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকার পর ৪

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: তিনি ভারতীয় রাজনীতির আম্মা। দেশের রাজনীতিতে অন্যতম কুশলি কিং মেকারও। দীর্ঘদিন হাসপাতালে থাকার পর ৪ ডিসেম্বরের রাতে প্রয়াত হন আম্মা। তারপর ধরেই আম্মার দীর্ঘ ছায়ার সঙ্গে লড়তেহচ্ছে এআইএডিএমকে, নতুন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যবাসীকেও।

    দক্ষিণী রাজনীতির পরম্পরা মেনেই রাজনীতিতে হাতেখড়ি জয়ারামন জয়ললিতার। রূপোলি পর্দায় নায়িকা থেকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠা। রাজনীতির ওঠা-পড়া। তাই বোধহয় জয়ললিতার রাজনীতি মানেই নাটক। উত্থান আর পতন। কখনও দুর্নীতির দায়ে হাজতবাস আবার কখনও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস। সিনেমা থেকে ছবি ব্যবহার

    একসময় এমজি রামচন্দ্রনের নায়িকা হিসাবে একের পর এক সুপারহিট ছবিতে অভিনয় করেছেন। রাজনীতিতে তিনিই জয়ললিতার গুরু। গুরুর পথে হেঁটেই ক্ষমতার লড়াইয়ে নির্মমভাবে প্রতিদ্বন্দীদের ছেঁটে ফেলেছেন। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর মাঝরাতে পুলিশ পাঠিয়ে গ্রেফতার করিয়েছেন বিরোধী দলনেতা এম করুণানিধিকে। তাতে জয়িললিতার জনপ্রিয়তায় কোনও ভাঁটা পড়েনি।

    ১৯৯১ সালের ২৪ জুন প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছিলেন জয়ললিতা। ২০০১ ও ২০১১ সালেও কার্যত একার ক্যারিশমায় এআইডিএমকে ক্ষমতায় ফেরান আম্মা।দেশের ইতিহাসে একমাত্র তাঁকেই দুর্নীতির অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরতে হয়েছে। একবার নয়। তিনবার। প্রভাব খাটাতে পারেন, এই আশঙ্কায় জয়ললিতার দুর্নীতি মামলা সরানো হয় কর্নাটকে।

    ১৯৯৮ সালে ১৩ দিনের বাজপেয়ী সরকার ফেলার পিছনে তিনি। আবার ২০০৪ সালে বিজেপির ভারত উদয় ফিকে হওয়ার পিছনেও ফ্যাক্টর সেই আম্মা। পপুলার পলিটিকসের নতুন দৃষ্টান্ত গড়েই বিদায় নিয়েছেন আম্মা। তামিলনাড়ু আর জয়ললিতা যে সব অর্থেই একসূত্রে বাঁধা, আম্মার মৃত্যুর পরই মালুম পাচ্ছে তামিল রাজনীতি। তামিলনাড়ুবাসীও।

    First published: