আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

কী বলছে আজকের খবরের কাগজ ? দেখে নিন

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 19, 2017 12:41 PM IST
আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 19, 2017 12:41 PM IST

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় খবর কাগজ খুঁটিয়ে পড়া সম্ভব হয় না ৷ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ খবর চোখ এড়িয়ে যায় ৷ তাছাড়া একাধিক কাগজও পড়ার মতো সময় কারোর হাতেই নেই ৷ তাই আসুন এক নজরে, একজায়গায় দেখে নিন কলকাতার বিভিন্ন কাগজের সেরা খবর গুলি ৷ রবিবারের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি হল-

anandabazar11

১) চূড়ান্ত হট্টগোল, মারদাঙ্গার পরে ই কে পালানীস্বামীর দখলেই তামিলনাড়ুর গদি

দ্রাবিড় দঙ্গলের সাক্ষী রইল তামিলনাড়ু বিধানসভা।

স্পিকারের ধুতি-জামা ধরে টানাটানি, পোশাক ছেঁড়াছেঁড়ি, টেবিল-চেয়ার-মাইক্রোফোন ভাঙচুর, টেবিলে উঠে হট্টগোল, স্পিকারের চেয়ারে বসে পড়া, নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে বিধায়কদের কুস্তি— কিছুই বাকি থাকল না।

নাটকের শেষটা অবশ্য যেমন ভাবা গিয়েছিল, তেমনই হয়েছে। আপাতত শশিকলার ‘প্রক্সি’ ই কে পালানীস্বামীর দখলেই থাকছে তামিলনাড়ুর গদি।

শনিবার সকাল থেকে চূড়ান্ত হট্টগোল, মারদাঙ্গার পরে তামিলনাড়ু বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভোটাভুটিতে পালানীস্বামীর ঝুলিতেই সিংহভাগ ভোট পড়েছে। জেলে যাওয়ার আগে গোল্ডেন বে রিসর্টে নিজের বিশ্বস্ত বিধায়কদের ‘বন্দি’ করে ফেলেছিলেন শশিকলা। সেই দলে খুব একটা চিড় ধরেনি। শশী শিবিরের ১২২ জন পালানীস্বামীর পক্ষেই ভোট দিয়েছেন। ‘বিদ্রোহী’ পনীরসেলভমের ঝুলিতে গিয়েছে মাত্র ১১টি ভোট। কিন্তু ভোটাভুটি করাতে মার্শাল ডেকে বিধানসভা থেকে

বার করে দিতে হয়েছে মারমুখী ডিএমকে বিধায়কদের।

২) নিয়ম বদল করেই কি টেট-বিভ্রাট? শিক্ষামন্ত্রীর সাফ কথা, ‘প্রমাণ দিতে হবে’

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, স্বজনপোষণের অভিযোগ উঠেছে। অস্বচ্ছতার অভিযোগ ওড়াতে পারছেন না প্রশাসনের একটি অংশও। তাঁদের মতে, নিয়োগে স্বচ্ছতা নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যে দাবিই করুন, চাকরি-প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা সরকার প্রকাশ না করায় প্রশ্ন থাকছেই। আর সে কারণেই বিক্ষোভ-আন্দোলন এ ভাবে বাড়তে বাড়তে রাজ্যের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। শাসক দলের একাংশও এখন বলছেন, সরকার তালিকা প্রকাশ করেনি বলেই অভিযোগ থামানো যাচ্ছে না। শিক্ষা দফতরের অনেকের বক্তব্য, তৃণমূল আমলে ‘টিচার্স এলিজিবিলিটি টেস্ট’ বা টেট দিয়ে শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে এ পর্যন্ত দু’বার। এবং তা বাম আমলের নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়মে বদল ঘটিয়ে। অভিযোগ, সেই বদল ঘটাতে গিয়েই স্বচ্ছতা বাড়ার পরিবর্তে পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়ে উঠেছে। শিক্ষামন্ত্রী অবশ্য সব অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা প্রশ্ন তুলেছেন, ‘‘কীসের অস্বচ্ছতা? গত বার আমাদের বিরুদ্ধে টাকা তোলার অভিযোগ উঠেছিল। এ বার সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা রেখেই নিয়োগ চলছে।’’

৩) পুড়ে মৃত ৩ বছরের শিশু, ঘর জ্বলছে, হঠাৎ সবার খেয়াল হল ঋষি নেই

শুক্রবারই বিজয়গড়ে বৃদ্ধার পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় শহরবাসীর একাংশ প্রশ্ন তুলেছিল অমানবিকতার। ঠিক তার পরদিন, শনিবার সকালে শহর দেখল মানবিকতা ও তৎপরতার উল্টো ছবি। বেহালার জয়শ্রী পার্কে বামাচরণ রায় রোডের বস্তির আগুন নেভাতে জান লড়িয়ে দিলেন স্থানীয়েরা। যদিও শেষ রক্ষা হয়নি। বস্তি বাঁচলেও, বিধ্বংসী আগুন কেড়ে নিয়েছে সাড়ে তিন বছরের শিশু কৌস্তুভ রায়ের প্রাণ। সার দিয়ে বাড়ি, ইটের দেওয়াল। টালি এবং অ্যাসবেসটসের চাল। কোনও কোনও ঘরের উপরে দরমা দিয়ে আরও একটি ঘর বাঁধা হয়েছে। পাশাপাশি দু’টি বাড়ির একটিই দেওয়াল। এ ভাবেই তৈরি প্রায় আড়াইশো পরিবারের বস্তি ৪৭ নম্বর বামাচরণ রায় রোডে।

৪) হাফিজ সইদ জঙ্গি, মেনে নিল পাকিস্তানও

জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে জামাত উদ দাওয়া প্রধান হাফিজ সইদের যোগ মানতে বাধ্য হল পাকিস্তান। সইদ-সহ ৫ জনের বিরুদ্ধে আজ সন্ত্রাস-বিরোধী আইন প্রয়োগ করেছে ইসলামাবাদ। তার পরেই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পাকিস্তানের ভূমিকার প্রশংসা করেছে আমেরিকা।

সম্প্রতি সইদ ও তার কয়েক জন সহযোগীকে গৃহবন্দি করে পাকিস্তানে। ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের চাপেই এই পদক্ষেপ বলে ধারণা কূটনীতিকদের। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে সইদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপকে সমর্থন করে জঙ্গিদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে পরিচিত পাক সেনাও। তবে শেষ পর্যন্ত সইদের বিরুদ্ধে সত্যিই নওয়াজ শরিফ সরকার কতটা কড়া ব্যবস্থা নেবে তা নিয়ে সংশয় রয়েছে দিল্লির।

bartaman_big11

১) নোটবাতিলের ঘাটতি মেটাতে বালাজি দর্শনের দাম বাড়াতে চাইছে তিরুমালা

নোটবাতিলের জেরে দিনপ্রতি আয় কমেছে ১ থেকে ২ কোটি টাকা। সেই ঘাটতি মেটাতে বালাজি দর্শন করার টিকিটের দাম বাড়াতে চায় তিরুমালা তিরুপতি দেবস্থানম (টিটিডি)। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে রাজ্য সরকার যদি অনুমতি দেয়, তবেই। অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুমালার বালাজি মন্দিরকে ভারতের ধনীতম মন্দির হিসাবেই গণ্য করা হয়। এখানকার দৈনিক আয় ৫ কোটি টাকার মতো। এর মধ্যে ব্যাংকের সুদও রয়েছে। কিন্তু পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে গত বছর ৮ নভেম্বরের পর থেকে। প্রধানমন্ত্রী নোট বাতিলের কথা ঘোষণা করার পর। এর চার মাস পর আয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে চোখ কপালে ওঠে টিটিডি’র। আয় কমতে কমতে গিয়ে তা ঠেকেছে দিনপ্রতি ৪ কোটি, কখনও বা ৩ কোটি টাকাতেও।

২) দিনভর বিশৃঙ্খলা, আস্থাভোটে জয়ী শশীর‌ই অনুগামী

বিধানসভা অধিবেশনের লাইভ কভারেজ বন্ধ করে দেওয়া হল। সুইচ অফ করা হল টিভির সাউন্ড। স্পিকারের মাইক্রোফোন উপড়ে ফেলে দেওয়া হল। টেবিলের উপর উঠে একে অন্যের দিকে তেড়ে গেলেন বিধায়করা। চেয়ার ভাঙাভাঙি চললো কয়েক মিনিট ধরে। দফায় দফায় সভা মুলতবি। জামা ছেঁড়া অবস্থায় বেরতে দেখা গেল করুণানিধি পুত্র স্ট্যালিনকে। পরিকল্পিতভাবেই তাঁকে মারা হয়েছে এমন অভিযোগও করলেন। পাঁজাকোলা করে ডিএমকে বিধায়কদের সভার বা‌ইরে নিয়ে গিয়ে সভাগৃহের দরজা বন্ধ করে দিয়ে যখন অবশেষে নেওয়া হল আস্থাভোট, তখন আর অন্য ফলাফলের অবকাশই নেই। তাই প্রত্যাশিতভাবেই শশীকলার বাছাই করা মুখ্যমন্ত্রী অনুগত পালানিস্বামী জয়ী হলেন। তাঁর পক্ষে ভোট ১২২টি। ২৩৪ আসনের বিধানসভায় জয়ের জন্য দরকার ছিল ১১৭। অন্যদিকে বিপক্ষে ভোট পড়েছে ১১।

৩) বাগুইআটিতে স্কুল ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল প্রোমোটার

শনিবার ছিল পরীক্ষার দিন। বাগুইআটি থানার অন্তর্গত দশদ্রোণের লীলাদেবী মেমোরিয়ালের কচিকাঁচারা পরীক্ষা দিতে স্কুলে এসে দেখে, উধাও স্কুলের ছাদ। স্কুলের হাল দেখে চোখে জল এসে যায় তাদের। আতঙ্কের ছাপও ছিল স্পষ্ট। অভিভাবকরা খোঁজ নিয়ে জানলেন, প্রোমোটারের খপ্পরে পড়েছে স্কুল। বাড়ি ভেঙে হবে বহুতল। বাগুইআটিসহ সংলগ্ন এলাকায় বেপরোয়া প্রোমোটারি ও সিন্ডিকেটরাজের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। কিন্তু স্কুলের গায়েও তার থাবা পড়ায় রীতিমতো বিস্মিত অভিভাবক ও এলাকাবাসীরা। প্রোমোটারির প্রতিবাদ করায় এদিন রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয়েছে স্কুলের প্রধান শিক্ষককেও। সব কিছুর প্রতিবাদে রাজারহাট রোড কিছুক্ষণের জন্য অবরোধও করে স্কুলের শতাধিক পড়ুয়া, তাদের অভিভাবক এবং শিক্ষক-শিক্ষিকারা। নজিরবিহীন এই ঘটনার ব্যাখ্যা করতে গিয়ে স্থানীয় কাউন্সিলার যা বললেন, তাও এককথায় নজিরবিহীন।

৪) হাতকড়া পরিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে জেরার জন্য নিয়ে যাওয়া হল স্যামসুং প্রধানকে

হাতকড়া পরিয়ে কোমরে দড়ি বেঁধে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়া হল স্যামসুং প্রধানকে। শনিবার এমনই ছবি জনসমক্ষে এসেছে। প্রেসিডেন্ট পার্ক গুয়েন-হাইয়ের বন্ধুকে ঘুষ দিয়ে সরকারি সুযোগ নেওয়ার অভিযোগে বিখ্যাত ইলেকট্রনিক্স কোম্পানি স্যামসুংয়ের ভাইস চেয়ারম্যান জে ওয়াই লি-কে গ্রেপ্তার করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার পুলিশ। এই দুর্নীতি নিয়ে জেরার জন্য এদিন লি-কে তদন্তকারী বিশেষ কৌঁসুলির অফিসে নিয়ে যাওয়া হয়। বিশেষ কৌঁসুলির দপ্তরে এদিন সাংবাদিক ও চিত্র সাংবাদিকদের ভিড় উপচে পড়ে। স্যামসুং প্রধান পৌঁছাতেই সংবাদ মাধ্যম থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে প্রশ্ন উড়ে আসে। তবে, জে ওয়াই লি ছিলেন আশ্চর্যজনকভাবে চুপচাপ। তিনি সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের জবাব দেননি।

First published: 12:35:20 PM Feb 19, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर