• Home
  • »
  • News
  • »
  • technology
  • »
  • SCIENTISTS OF KOLKATA CREATE THE WORLDS TOUGHEST SELF HEALING MATERIAL SS

সব সমস্যার সমাধান, মোবাইল স্ক্রিন তৈরির শ্রেষ্ঠ উপাদান খুঁজে পেয়েছেন কলকাতার বিজ্ঞানীরা!

Photo Collected

কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (IISER) এর বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনের স্ক্রিন তৈরি করার জন্য একটি সঠিক উপাদান খুঁজে পেয়েছেন।

  • Share this:

#কলকাতা: হাত থেকে কেউ ফোন কেড়ে নিলে অনেকেই নার্ভাস হয়ে পড়েন। ভয় পাওয়ার একটি কারণ পাছে তাঁর ব্যক্তিগত তথ্য ফাঁস না হয়ে যায়। আরও একটি বড় কারণ হল তাঁর ফোনটা ওই ব্যক্তির হাত থেকে পড়ে গিয়ে যদি মোবাইলের স্ক্রিন নষ্ট হয়ে যায়। এমন মনোভাব, শুধু যে একজনেরই হয় তা কিন্তু নয়। এই লাইনে রয়েছে বহু মানুষ। কিন্তু, এবার সেই মুশকিল আসান হবে। কারণ, কলকাতার ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (IISER) এর বিজ্ঞানীরা স্মার্টফোনের স্ক্রিন তৈরি করার জন্য একটি সঠিক উপাদান খুঁজে পেয়েছেন। এটা যেমন শক্ত তেমনই এর মধ্যে রয়েছে নিজে থেকেই ঠিক হওয়ার মতো সক্ষমতা।

বিজ্ঞানীরা কয়েক দশক ধরে এমন উপাদানের খোঁজ করছেন। অনেকেই এই সন্ধানে সাফল্য পেয়েছেন, অনেকে পাননি। আমেরিকার কেমিক্যাল সোসাইটির বিজ্ঞানীরা (American Chemical Society) সুইমিং রোবটস (Swimming Robots) আবিষ্কার করেছেন। যার মধ্যে চুম্বকীয় শক্তির দ্বারা নিজেকে ঠিক করার ক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে, সিঙ্গাপুরের ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (National University of Singapore) বিজ্ঞানীরা একটি স্মার্টফোন উপাদানের আবিষ্কার করেছেন, যা নিজে থেকেই মেরামত হতে পারে। তবে এইসব আবিষ্কৃত বস্তুগুলি বিশেষ স্বচ্ছ এবং শক্ত নয়। মোবাইলের ব্যবহারের জন্য দরকার স্বচ্ছ ও শক্ত বস্তু, যা ব্যবহারের উপযুক্ত। কিন্তু, এই দু'টি আবিষ্কার সেই মানদণ্ড অতিক্রম করতে পারেনি।

সেই মতো ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চের বিজ্ঞানীরা ও আইআইটি খড়গপুরের বিজ্ঞানীরা (IIT Kharagpur) গবেষণা শুরু করেন এবং তাঁদের লক্ষ্য হয় স্মার্টফোনের স্ক্রিন সংক্রান্ত এমন কিছু আবিষ্কার, যা শক্ত হবে এবং ভেঙে গেলে নিজে নিজেই ঠিক হওয়ার ক্ষমতা রাখবে। সায়েন্স জার্নালের মতে, গবেষকরা পাইজয়েলেক্ট্রিক অরগানিক মেটারিয়াল (Piezoelectric Organic Material) ব্যবহার করেন, যা মেকানিক্যাল এনার্জিকে ইলেকট্রিক্যাল এনার্জিতে পরিবর্তন করতে পারে এবং সূচের মতো ক্রিস্টাল তৈরি করতে পারে। যা ২ মিমি লম্বা এবং ০.২ মিমি প্রস্থবিশিষ্ট হয়। বিশেষভাবে তৈরি করা স্ফটিকগুলির আণবিক বিন্যাসে একটি শক্তিশালী আকর্ষণ শক্তি তৈরি হয়। এর ফলে যতবারই ওই বস্তুটিতে কোনও ভাঙন ঘটে তা আকর্ষণ শক্তির দ্বারা আবার নিরাময় হতে পারে।

আইআইএসইআর এর লিড রিসার্চার প্রফেসর চিল্লা মল্ল রেড্ডি (Chilla Malla Reddy) জানিয়েছেন, “নতুন আবিষ্কৃত উপাদান ১০ গুণ শক্তিশালী”। আইআইটি খড়গপুরের গবেষক ভানু ভূষণ খাটুয়া (Bhanu Bhushan Khatua) বলেছেন, “আমি সব সময় ভেবেছিলাম এমন কিছু উপাদান তৈরি হোক যা স্মার্টফোনের স্ক্রিনের জন্য ব্যবহার করা যাবে। আর সেটি ভেঙে গেলেও নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যাবে। আশা করছি এবার সেই সমস্যা মিটবে”। তবে এখনও অপেক্ষা করতে হবে। এখনই বাজারে এমন কিছু নিয়ে আসা সম্ভব হচ্ছে না। আরও কিছু গবেষণা বাকি রয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা!

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: