মঙ্গলের মাটিতে গড়গড়িয়ে চলছে নাসার পার্সিভেরেন্স, পৃথিবীতে বসে একবার শব্দ শুনবেন নাকি?

মঙ্গলের মাটিতে গড়গড়িয়ে চলছে নাসার পার্সিভেরেন্স, পৃথিবীতে বসে একবার শব্দ শুনবেন নাকি?

মহাকাশ সম্পর্কে আপনার কৌতুহল, উৎসাহ থাকুক বা না থাকুক, লালগ্রহে রোভারের চলার সেই শব্দ আপনাকে রোমাঞ্চিত করবেই।

মহাকাশ সম্পর্কে আপনার কৌতুহল, উৎসাহ থাকুক বা না থাকুক, লালগ্রহে রোভারের চলার সেই শব্দ আপনাকে রোমাঞ্চিত করবেই।

  • Share this:

    #ওয়াশিংটন: মঙ্গলের মাটিতে গড়ড়িয়ে চলছে না স্যার পারসিভেরেন্স রোভার। পৃথিবীতে বসেই যদি লালগ্রহের মাটিতে সেটির চলার শব্দ শুনতে পান, কেমন হয়! নাসার পাঠানো রোভার প্রথমবার লালগ্রহের মাটিতে ড্রাইভিং শুরু করেছে। আর তার অডিও পাঠিয়েছে সেটি। একটি ১৬ মিনিটের অডিও প্রকাশ করেছে নাসা। সেখানে লালগ্রহের মাটিতে রোভারের চলার স্পষ্ট শব্দ শোনা যাচ্ছে। মহাকাশ সম্পর্কে আপনার কৌতুহল, উৎসাহ থাকুক বা না থাকুক, লালগ্রহে রোভারের চলার সেই শব্দ আপনাকে রোমাঞ্চিত করবেই।

    ১৮ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলের মাটিতে ল্যান্ড করেছিল নাসার পার্সিভেরেন্স রোভার। এই মিশনের জন্য ২.৭ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছে নাসা। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার প্রাথমিক উদ্দেশ্য, মঙ্গলে কখনও প্রাণের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা। এখনও পর্যন্ত মঙ্গল গ্রহে রোভারের মতো বড় ও উন্নত কোনও যন্ত্র পাঠানো হয়নি। রোভারে দুটি মাইক্রোফোন রয়েছে। তার মধ্যে একটি ইতিমধ্যে হাওয়া ও রক জাম্পিং লেজারের আওয়াজ রেকর্ড করে ফেলেছে। দ্বিতীয় মাইকের ল্যান্ডিং-এর শব্দ রেকর্ড করার কথা ছিল। নাসা জানিয়েছে, দ্বিতীয় মাইক রোভার মঙ্গলে নামার পরও কোনো আওয়াজ রেকর্ড করতে পারেনি। তবে ৪ মার্চ মঙ্গলের মাটিতে প্রথম টেস্ট ড্রাইভ হয়েছে রোভারের। আর তখনই শব্দ রেকর্ড করতে সমর্থ হয়েছে সেই মাইক।

    ড্রাইভিং-এর অডিওতে স্পষ্ট মঙ্গলের মাটিতে রোভারের আঁচড় কাটার শব্দ পাওয়া যাচ্ছে। এবার সাউন্ড ইঞ্জিনিয়াররা সেই শব্দ থেকে তথ্য খুঁজে বার করার কাজ করবেন। রোভারের শরীরে ওয়েদার স্টেশন, ১৯টি ক্যামেরা ও দুটো মাইক্রোফোন লাগানো রয়ছে। সেগুলির সাহায্যে নাসা মঙ্গলের বিভিন্ন ছবি হাতে পাবে। এর আগে মোবাইল সাইন্স ভেহিকেল মঙ্গলে পাঠিয়েছে নাসা। তবে সেটির থেকে অনেক বড় ও উন্নত এই রোভার। পাহাড় থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে পারবে এটি। যে কোনও রকম ধাক্কা সামলানোর মতো করে গড়ে তোলা হয়েছে পার্সিভেরেন্স রোভারকে। একটি ছোট হেলিকপ্টার রয়েছে এটিতে। মঙ্গলে কখনও কোনও সূক্ষ্ম জীবের অস্তিত্ব ছিল কিনা তা খতিয়ে দেখা নাসার আসল উদ্দেশ্য। এছাড়া লাল গ্রহে জল স্তর সম্পর্কে তথ্য এবং মাটির বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থাকে তথ্য পাঠাবে এটি।

    Published by:Suman Majumder
    First published: