Home /News /technology /
WhatsApp QR Code scam: সাবধান! হোয়াটসঅ্যাপের QR কোড স্ক্যামের পাল্লায় পড়লে লোপাট হতে পারে ব্যাঙ্কের টাকা

WhatsApp QR Code scam: সাবধান! হোয়াটসঅ্যাপের QR কোড স্ক্যামের পাল্লায় পড়লে লোপাট হতে পারে ব্যাঙ্কের টাকা

WhatsApp QR Code scam: কী ভাবে কাজ করছে এই স্ক্যাম, বাঁচার উপায়ই বা কী, দেখে নিন একনজরে

  • Share this:

    WhatsApp QR Code Scam: সুবিধা যত বাড়ছে, ভয়ও তত জাঁকিয়ে বসছে। এই যেমন WhatsApp। ভারতে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন নাগরিক হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। একই ভাবে এ দেশে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে UPI বা ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস। এর মাধ্যমে যে কোনও মানুষ নিজের স্মার্টফোনে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করতে পারেন। এই দু’টি প্ল্যাটফর্ম একত্রিত হয়ে গেলে সোনায় সোহাগা। অন্তত তেমনই মনে করেছিলেন ইন্টারনেট পেমেন্টে অভ্যস্ত মানুষ। কিন্তু সেখানেই গোলমাল বাধল। সর্ষের মধ্যে ভূতের আনাগোনা শুরু হয়েছে।

    Whatsapp-এর মাধ্যমে অর্থ লেনদেন এ দেশে যত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে ততই উৎসাহী হয়ে পড়ছে সাইবার অপরাধীরাও। বাড়ছে স্ক্যাম, বাড়ছে চুরি। প্রায় অনায়াসে স্ক্যামাররা হানা দিচ্ছে আর সাধারণ মানুষের অ্যাকাউন্ট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। এ জন্য, স্ক্যামাররা QR কোড পেমেন্ট পদ্ধতি ব্যবহার করেছে। আসলে কোনও রকম ক্রয় বা বিক্রয়ের সঙ্গে জড়িতে হলেই তাঁর কাছে কোড পাঠাচ্ছে অপরাধীরা। আর একেই বলা হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ কিউআর কোড স্ক্যাম (Whatsapp QR code scam)।

    কী ভাবে কাজ করছে এই স্ক্যাম, বাঁচার উপায়ই বা কী, দেখে নিন একনজরে 

    কী ভাবে জালিয়াতি হতে পারে?

    ১. ধরা যাক কোনও ব্যক্তি অনলাইন সেলিং প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে কোনও পণ্য কিনলেন। তা হলে তাঁকেই টাকা দিতে হবে বিনিময় মূল্য হিসাবে। সে ক্ষেত্রে ক্রেতার ব্যাঙ্কের তথ্য কাউকে জানানোর প্রয়োজন নেই। কিন্তু এ সব ক্ষেত্রে স্ক্যামাররা ক্রেতার তথ্যও চেয়ে বসতে পারে। অথবা, ক্রেতার কাছে অ্যাকাউন্টের QR কোড পাঠানো হয় টাকা দেওয়ার জন্য।

    আরও পড়ুন - এই গ্রীষ্মে গরম হয়ে যাচ্ছে সাধের স্মার্টফোন? দেখে নিন গরম থেকে ফোন বাঁচানোর ৫টি উপায়

    আরও পড়ুন - অল্পতেই অত্যন্ত ঠান্ডা, সামান্য বিদ্যুতের বিল? স্টাইলিশ লুক, হাজার কামাল

    ২. এ ধরনের অর্থলেদেন QR কোডের মাধ্যমেই করা হয়। সেই কোড আসবে যে কোনও গ্রাহকের মোবাইল নম্বরে WhatsApp এর মাধ্যমে।

    ৩. QR কোড ব্যবহারের প্রয়োজন তখনই হয় যখন কোনও ব্যক্তি কাউকে অর্থ প্রদান করতে চান, অর্থ সংগ্রহের জন্য অন্য ব্যক্তির QR কোড ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই।

    ৪. স্ক্যামাররা গ্রাহককে বোকা বানানোর জন্য এই কৌশলটিই ব্যবহার করে। অকারণে তাদের QR কোড পাঠায়। কোনও ব্যক্তি টাকা পাওযার জন্যও ভুল করে QR কোড ব্যবহার করে ফেলতে পারেন। তা হলেই বিপদ। টাকা পাওয়ার পরিবর্তে, প্রতারক টাকা চুরি নিতে পারে।

    ৫. প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা QR কোড তৈরি করা হয়। যদি কোনও অজানা উৎস বা প্রেরক QR পাঠায়, তাহলে টাকা পাঠানোর আগে সব দিক খতিয়ে দেখে নিন। কী পরিমাণ টাকা দিচ্ছেন তাও দ্বিতীয়বার দেখে নিন, যাতে পরবর্তীতে বেশ টাকা হাতিয়ে না নিতে পারে ওই ব্যক্তি।

    হোয়াটসঅ্যাপ জনপ্রিয় এবং সারা দেশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু নানা ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই সচেতনতা খুবই জরুরি।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published:

    Tags: Online Fraud, Whatsapp

    পরবর্তী খবর