প্রযুক্তি

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মহাকাশে পিঠোপিঠি বড় হয়েছে গ্রহ-নক্ষত্র, একেবারে ভাই-বোনের মতো, বলছে গবেষণা

মহাকাশে পিঠোপিঠি বড় হয়েছে গ্রহ-নক্ষত্র, একেবারে ভাই-বোনের মতো, বলছে গবেষণা

সম্প্রতি এক সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, মহাশূন্যে একেবারে ভাই-বোনের মতো বেড়ে উঠেছে গ্রহ আর নক্ষত্রেরা

  • Share this:

#কলকাতা: সম্প্রতি এক সমীক্ষায় ধরা পড়েছে, মহাশূন্যে একেবারে ভাই-বোনের মতো বেড়ে উঠেছে গ্রহ আর নক্ষত্রেরা। নক্ষত্রের জন্মের কিছু কালের মধ্যেই না কি জন্মেছে গ্রহেরা। অথচ এত দিন বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, গ্রহরা নক্ষত্রের অনেক পরে তৈরি হয়েছে!

উচ্চ রেজোলিউশনের আলমা প্রযুক্তির সাহায্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে নেচার পত্রিকায়। জার্মানির মঁ প্লা ইন্সটিটিউট ফর এক্সট্রা টেরেস্ট্রিয়াল ফিজিক্সের একদল বিজ্ঞানী এই নিয়ে গবেষণা করেছিলেন। গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন ডমিনিক সেগুরা কক্স।

পৃথিবী থেকে ৪৭০ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত L1709 মেঘে বর্তমানে বেড়ে উঠছে গ্রহ এবং নক্ষত্রেরা। প্রোটো স্টার আকারেও ছোট, তার ওপর এখনও ঘন মেঘের চাদরে জড়ানো। মহাকাশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, আইআরএস ৬৩ হল অন্যান্য নক্ষত্রের অর্ধেক বয়সি, বড় জোর ৫ লক্ষ বছর। আকারে এখনও বাড়ছে এই নক্ষত্র। কাজেই একে কেন্দ্র করে ঘিরে থাকা মেঘের আংটিটিও পরিণত নয় এখনও।

সেগুরা কক্সের মতে, '' আমাদের এত দিন ধারণা ছিল, নক্ষত্ররা পরিণত হলে সেখান থেকে জন্ম নেয় গ্রহেরা। তবে নতুন এই গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে নক্ষত্রের থেকে প্রোটো স্টার এবং গ্রহের জন্ম হয় প্রায় কাছাকাছি সময়ে এবং মহাশূন্যে তারা বেড়ে উঠে ভাই-বোনের মতো।'' নক্ষত্রেরা জন্মলগ্ন থেকে বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়। আমাদের ঘরে জমে থাকা ধুলোর কণার মতো সূক্ষ কণা থেকেই তাদের জন্ম হয় বলে জানিয়েছে গবেষকরা।

অন্য দিকে, সম্প্রতি তারাদের হারিয়ে যাওয়া নিয়ে এক সাড়াজাগানো গবেষণার সঙ্গে জুড়ে গিয়েছে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের নাম। শৈশবের লোডশেডিংয়ের রাতগুলো ভরিয়ে রাখত তারায় ভরা আকাশ। সে রকম রাত এখন আর কোথায়? কেন দেখা যায় না তারকাখচিত আকাশ? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন পৃথিবীর তাবড় বিজ্ঞানীরা। সম্প্রতি সেই উত্তর পেয়েছেন পুণে এবং বেঙ্গালুরুর দুই বিজ্ঞানী।

ডেকান হেরাল্ড সূত্রে জানা গিয়েছে দেশের সব চেয়ে বড় টেলিস্কোপ জিএমআরটি-তে চোখ রেখে ৮০০ কোটি বছর আগের হাইড্রোজেন গ্যাসের খোঁজ পেয়েছেন ভারতীয় ২ বিজ্ঞানী। মোট ৭,৬৫৩টি ছায়াপথ পরীক্ষা করেছেন তাঁরা। পরীক্ষায় ধরা পড়েছে বিগ ব্যাং-এর আগে ওই সব তারায় বর্তমানের চেয়ে আড়াই গুণ বেশি হাইড্রোজেন ছিল।

সায়েন্স জার্নাল নেচার-এ প্রকাশিত হওয়া গবেষণাপত্রটির লেখক আদিত্য চৌধুরি। তারাদের সংখ্যা কেন এত কমে যাচ্ছে ? এর উত্তরে তিনি জানিয়েছেন, অ্যাটমিক হাইড্রোজেনের ক্ষমতা কমে আসছে। অন্য দিকে নিসিম কানেকর জানিয়েছেন, আমরা রাতের আকাশে যে সমস্ত নক্ষত্র দেখতে পাই, তার অর্ধেকই কয়েক'শো কোটি বছর আগের। সব মিলিয়ে কমছে রাতের আকাশে তারার সংখ্যা!

Published by: Rukmini Mazumder
First published: October 26, 2020, 9:39 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर