প্রযুক্তি

corona virus btn
corona virus btn
Loading

মহারাষ্ট্র ও গুজরাতেই রয়েছেন দেশের অধিকাংশ মোবাইল গেমার, শীর্ষে আহমেদাবাদ!

মহারাষ্ট্র ও গুজরাতেই রয়েছেন দেশের অধিকাংশ মোবাইল গেমার, শীর্ষে আহমেদাবাদ!

গেমারদের পরিসংখ্যান দিতে গিয়ে Opensignal-র তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে মোবাইল গেমিংয়ের এই বিষয়টি দিন দিন দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে।

  • Share this:

দেশের মধ্যে সব চেয়ে বেশি গেমার রয়েছেন মহারাষ্ট্র ও গুজরাতে। ব্রিটেনের এক সংস্থা Opensignal-র তরফে প্রকাশ করা হল এমনই এক তথ্য। গতকাল Opensignal-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের মোট ৪৮টি শহরের মোবাইল নেটওয়ার্ক এক্সপিরিয়েন্স বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে, এই তালিকার শীর্ষে রয়েছে আহমেদাবাদ। এ ক্ষেত্রে আহমেদাবাদের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৭১.৭।

Opensignal নামক ওই সংস্থার তরফে জানা গিয়েছে, প্রথমে সেলুলার নেটওয়ার্কে ব্যবহারকারীদের রিয়েল টাইম মাল্টিপ্লেয়ার মোবাইল গেমিংয়ের বিষয়টিকে অনুধাবন করা হয়েছে। তার পর মূল্যায়ন করা হয়েছে কোন শহরে সব চেয়ে বেশি গেমার রয়েছেন। সেই সূত্র ধরে আহমেদাবাদের পরে রয়েছে নবি মুম্বই। প্রাপ্ত স্কোর ৭০.১। এর পর যথাক্রমে ভদোদারা (৬৯.৮), সুরাত (৬৮), ভোপাল (৬৭.৮), মুম্বই (৬৭.৮), গোয়ালিয়র (৬৭.৭), ইন্দোর (৬৭.৭), থানে (৬৫.৭), রাজকোট (৬৪.৩)। এ ছাড়াও তালিকায় রয়েছে দিল্লি, বেঙ্গালুরু, কলকাতা। এদের স্কোর যথাক্রমে ৫৯.৮, ৬১.৩ ও ৫৭.২। নিচের দিকে রয়েছে বারাণসী ও তিরুবনন্তপুরমের মতো শহর। এদের স্কোর ৫০-এর নিচে।

গেমারদের পরিসংখ্যান দিতে গিয়ে Opensignal-র তরফে জানানো হয়েছে, ভারতে মোবাইল গেমিংয়ের এই বিষয়টি দিন দিন দ্রুত গতিতে বেড়ে চলেছে। যা সব চেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে টায়ার ২ ও টায়ার ৩ শহরগুলিতে। এর অন্যতম কারণ হল স্মার্টফোন ধীরে ধীরে সহজলভ্য হয়ে উঠছে আর ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি বাড়ছে। একই সঙ্গে ডেটা প্ল্যানও সস্তা হয়েছে। এই রিপোর্টে আরও জানানো হয়েছে, ভালো গেমিং এক্সপিরিয়েন্স নির্ভর করছে তিনটি বিষয়ের উপর। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ইউজার ডেটাগ্রাম প্রোটোকল।

ইতিমধ্যে App Annie-র তরফে দেশে মোবাইল গেমের ক্রমবৃদ্ধি ও তা থেকে আয় নিয়ে এক বিস্তর পর্যালোচনা করা হয়েছে। এই ডেটা অ্যানালিটিক্স ফার্মের তরফে জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে দেশে মোবাইল গেমের যে বাজার রয়েছে, তার মূল্য ১.১ বিলিয়ন ডলার। এই গেমিং মার্কেটে এ বছরের শেষে গেমার বা গেমিং অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা হতে পারে প্রায় ৬২ কোটি।

এর আগে অগস্টে সেন্সর টাওয়ারের তরফে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। সেই প্রতিবেদন অনুযায়ী গত বছরের তুলনায় এ বছর মোবাইল গেমিংয়ের উপর খরচের পরিমাণ বেড়েছে ২৭ শতাংশ। যার পরিমাণ প্রায় ১৯.৩ বিলিয়ন ডলার। বিশেষ করে এই বৃদ্ধি দেখা গিয়েছে এ বছরের সেকেন্ড কোয়ার্টার অর্থাৎ এপ্রিল, মে ও জুন মাসে। বেড়েছে গেম ডাউনলোডিংয়ের পরিমাণও।

Published by: Uddalak Bhattacharya
First published: October 21, 2020, 6:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर