Hero Splendor হয়ে গেল Cafe Racer! বাইকের Modification দেখে থ হবেন

বলে না দিলে কেউ বুঝতেই পারবে না, এই মডার্ন ক্যাফে রেসার একটা সময় হিরো স্প্লেন্ডার মডেল ছিল।

বলে না দিলে কেউ বুঝতেই পারবে না, এই মডার্ন ক্যাফে রেসার একটা সময় হিরো স্প্লেন্ডার মডেল ছিল।

  • Share this:

    #যোধপুর: প্রিয় মোটরসাইকেলের বয়স হয়েছে। বহু বছর ধরে একই মোটর সাইকেল চালাচ্ছন! এবার একটু স্বাদবদলের ইচ্ছে হয়েছে। কিন্তু পকেট বাঁধ সাধছে। মোটরসাইকেলের দাম বেড়েছে অনেকটাই। এদিকে পুরোনো মোটরসাইকেল চালাতে আর ইচ্ছে করছে না। আবার অদ্ভুতভাবে সেই পুরনো গাড়ির মায়াও ত্যাগ করতে পারছেন না। এমন অবস্থায় বাইকাররা মাঝে মধ্যেই পড়ে থাকেন। তখন হাতে একটাই অপশন থাকে। মডিফিকেশন। কিন্তু কতদূর করাবেন সেটা! সেটাও একটা চিন্তার ব্যাপার। অনেকেই পুরনো বাইক মডিফাই করেন। বাইকের এটা-ওটা বদলে নতুনত্বের স্বাদ আনার চেষ্টা করেন। কিন্তু এক্ষেত্রে ব্যাপারটা একেবারেই আলাদা হল। একখানা পুরনো হিরো স্প্লেন্ডারকে একেবারে মডার্ন ক্যাফে রেসারের রূপ দেওয়া হয়েছে। বলে না দিলে কেউ বুঝতেই পারবে না, এই মডার্ন ক্যাফে রেসার একটা সময় হিরো স্প্লেন্ডার মডেল ছিল। বাইকের এমন মডিফিকেশন দেখে তো অনেকেই অবাক।

    ভারতে বহু বিক্রিত মোটরসাইকেলগুলির মধ্যে একটি হিরো স্প্লেন্ডার। মেইনটেনেন্স খরচ কম। আবার মাইলেজ-এর দিক থেকেও সাশ্রয়ী। এমন একখানা কাজের মোটরসাইকেল কে না চায়! ডেইলি কমিউটার হিসেবে এই মডেলের জুড়ি মেলা ভার। তবে এই মডেল যাঁরা চালান তাঁরা হাই পাওয়ার বা লুকসের আশা করেন না। কিন্তু একটা সময় পর স্প্লেন্ডার চালকদেরও হয়তো একটু হাই পাওয়ারের মোটরসাইকেল চালানোর ইচ্ছে হয়! আর তখনই কেউ এমন মডিফিকেশন করতে পারে। ইনস্টাগ্রামে একজন ইউজার নতুন ক্যাফে রেসারের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। নিখিল নামের সেই ইউজার জানিয়েছেন, তিনি কাস্টম মডিফিকেশন করে পুরনো একটি হিরো স্প্লেন্ডারকে একেবারে ঝকঝকে ক্যাফে রেসারে পরিণত করেছেন। দেখে কারোর বোঝার উপায় নেই, ওই মোটরসাইকেল আগে হিরো স্প্লেন্ডার ছিল।

    নতুন ভার্সনে তিনি রাউন্ড হেড ল্যাম্প ব্যবহার করেছেন। তার ওপর এক্স মার্কড ডিজাইন দিয়েছেন। মাডগার্ড সরিয়ে ফেলা হয়েছে। পুরনো টায়ার বদলানো হয়েছে। ব্লক প্যাটার্নের চওড়া নতুন টায়ার লাগিয়েছেন তিনি। এছাড়াও একাধিক পরিবর্তন করেছেন সেই মোটরসাইকেলে। সিলভার কালারের ফুয়েল ট্যাংক-এর উপর লেখা হয়েছ, কাস্টম এডিশন ক্যাফে রেসার। এমনকী পুরনো সিট খুলে ফেলা হয়েছে। এবার অনেকে প্রশ্ন করবেন, তাহলে পুরনো বাইকের অবশিষ্ট রইল কী! আসলে বাইকের ইঞ্জিন-এর দিকে সব আগের মতোই রয়েছে। হ্যান্ডেল বার, ফ্রি ফ্লো একজস্ট সবই নতুন করে লাগানো হয়েছে। তবে যেহেতু ইঞ্জিন আগেরটাই রয়েছে তাই এই ক্যাফে রেসারের থেকে হাই পাওয়ার পারফর্মেন্স আশা না করাই ভাল।

    Published by:Suman Majumder
    First published: