• Home
  • »
  • News
  • »
  • technology
  • »
  • OTHER TECH HACKER SOLD YOUR INTERNET CONNECTION BANDWIDTH CHECK HOW TO STOP MONEY LOSS AC

সাবধান! আপনার ইন্টারনেটের ব্য়ান্ডউইথ চুরি হয়ে যাচ্ছে না তো ? বুঝবেন কীভাবে, জানুন

Internet Bandwidth Theft: ব্য়ান্ডউইথ চুরি করে তা থেকে মোটা টাকা রোজগার করছে জালিয়াতরা। কী ভাবে এই কাজটা সম্পন্ন হচ্ছে?

Internet Bandwidth Theft: ব্য়ান্ডউইথ চুরি করে তা থেকে মোটা টাকা রোজগার করছে জালিয়াতরা। কী ভাবে এই কাজটা সম্পন্ন হচ্ছে?

  • Share this:

    #কলকাতা: চুরি হয়ে যাচ্ছে ইন্টারনেট ব্য়ান্ডউইথ (Internet Bandwidth)। অথচ বুঝতেই পারছেন না ব্য়বহারকারী। দিনের পর দিন নিজের টাকা খরচের খাতায় যাচ্ছে। কিন্তু বিষয়টা ঠিক কী?

    এত দিন পর্যন্ত জালিয়াতরা বিভিন্ন তথ্য় চুরির জন্য় অন্য়ের ডিভাইজে হানা দিত। এখনও করে। কারও ডিভাইজ থেকে ব্য়ক্তিগত তথ্য় চুরি (internet bandwidth theft) , কারও কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সি সংক্রান্ত গোপন তথ্য় হাতিয়ে নেওয়া সহ আরও বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাল বিছিয়ে রেখেছে জালিয়াতরা। কিন্তু এবার বিভিন্ন ডিভাইজে হানা দিচ্ছে শুধুমাত্র ব্য়ান্ডউইথ চুরি করতে। সেই ব্য়ান্ডউইথ চুরি করে তা থেকে মোটা টাকা রোজগার করছে জালিয়াতরা (hackers) । কী ভাবে এই কাজটা সম্পন্ন হচ্ছে?

    পুরো কাজটির জন্য় একটি প্রক্সিPয়্যার (proxyware) ব্য়বহার করছে জালিয়াত চক্রের পাণ্ডারা। সিসকো ট্য়ালোস (Cisco Talos) ইতিমধ্য়ে ওই বিশেষ প্রক্সিওয়্যারের সন্ধান পেয়েছে। ওই ওয়্যারের মাধ্য়মে বিভিন্ন ডিভাইজকে টার্গেট করা হয়। তবে এক্ষেত্রে সব ডিভাইজকে টার্গেট করতে পারেনা প্রক্সিওয়্যার। মূলত যে সব সিস্টেমে বা ডিভাইজে আগে থেকেই ম্য়ালওয়্যার ঢুকে রয়েছে, বেছে বেছে সেই সিস্টেমগুলিতেই হামলা চালায় জালিয়াতরা। ZDNet নামে একটি সংস্থা জানিয়েছে, প্রক্সিওয়্যার কোনও অবৈধ কিছু নয়। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে প্রক্সিওয়্যার ব্য়বহার করা হয়। কিন্তু জালিয়াতরা ওই প্রক্সিওয়্যার ব্যবহার করে খারাপ উদ্দেশ্যে

    এই প্রক্সিওয়্যার টুলটিকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে হ্য়াকাররা। ব্য়বহারকারীর অজান্তেই তাদের কোনও ডিভাইজে প্রক্সিওয়্যার সফ্টওয়্যারটিকে ইনস্টল করে দেওয়া হচ্ছে। এর পরেই সেই ডিভাইজের ব্য়ান্ডউইথ চুরি হয়ে যাচ্ছে এবং তা চলে যাচ্ছে হ্য়াকারদের দখলে। এমনকী দীর্ঘদিন কেটে গেলেও ব্য়বহারকারীরা বুঝতে পারে না তাঁদের ডিভাইসে এই ধরনের কোনও অ্য়াপ রয়েছে।

    কী ভাবে প্রক্সিওয়্যার ইনস্টল করে দেওয়া হচ্ছে?

    মূলত কোনও পাইরেটেড অ্য়াপের মাধ্য়মে বা কোনও সফটঅয়্যারের মধ্য়মে ওই প্রক্সিওয়্যার ইনস্টল করে দেওয়া হচ্ছে।

    কী ভাবে বোঝা সম্ভব কোনও ডিভাইজে প্রক্সিওয়্যার রয়েছে কি না?

    ১) প্রতিনিয়ত ফোন বা ল্য়াপটপে থাকা অ্য়াপ বা সফ্টওয়্যারের উপর নজর রাখতে হবে। যদি দেখা যায় কোনও অ্য়াপ নিজে থেকে ডাউনলোড করা হয়নি, তাহলে যা দ্রুত ডিলিট করে দিতে হবে।

    ২) কোনও অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে তার সোর্স যাচাই করতে হবে। Google Play Store এবং Apple App Store থেকে ডাউনলোড করা-ই ভালো।

    ৩) ফোনে বিল্ট ইন সিকিউরিটি স্ক্য়ানার থাকলে তা অ্য়াকটিভ রাখতে হবে।

    ৪) অপরিচিত কেউ কোনও লিঙ্ক পাঠালে তাতে ক্লিক করা উচিত নয়।

    ৫) পাইরেটেড অ্য়াপ বা সফ্টওয়্যার কোনও ডিভাইজে ইনস্টল করা সঠিক সিদ্ধান্ত নয়।

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: