হোম /খবর /লাইফস্টাইল /
অনলাইনেই জমছে বন্ধুত্ব, অতিমারীতে আরও গাঢ় হয়েছে বন্ধুত্ব, দৃঢ় হয়েছে সম্পর্ক

অনলাইনেই জমছে বন্ধুত্ব, অতিমারীতে আরও গাঢ় হয়েছে বন্ধুত্ব, দৃঢ় হয়েছে সম্পর্ক, বলছে সমীক্ষা!

Two out of three respondents said they used online channels to communicate more often than before the pandemic. (AFP)

Two out of three respondents said they used online channels to communicate more often than before the pandemic. (AFP)

সমীক্ষা আরও বলছে- অতিমারীর প্রকোপে অনেকেই নিজের কাজ হারিয়েছেন, যাঁরা ব্যবসা করেন তাঁরাও অনেক বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। আর্থিক দুর্বলতার জন্যও অনেকের বন্ধুদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

  • Last Updated :
  • Share this:

#নয়াদিল্লি:  করোনা অতিমারীর জন্য লাটে উঠেছে ব্যবসাপত্র, কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ, স্বাস্থ্যও ভেঙেছে অনেকের। অর্থাৎ এক কথায় এটাই ধরে নেওয়া যায় যে এই অতিমারীর প্রভাব সর্ব দিক থেকেই নঞর্থক। তা হলে কি এটাও ধরে নেওয়া যায় যে এই অতিমারীর প্রভাব পড়েছে আমাদের বন্ধুত্ব আর সম্পর্কেও?

স্ন্যাপচ্যাট এই বিষয়ে তাদের দ্বিতীয় ফ্রেন্ডশিপ রিপোর্টে বলছে যে কোভিড ১৯ বন্ধুত্বের সংজ্ঞা অনেকটাই পাল্টে দিয়েছে। তবে শেষ করে দেয়নি। অর্থাৎ এক সময়ে বন্ধুদের সঙ্গে মুখোমুখি দেখা হত, সেটা হচ্ছে না। কিন্তু অনলাইনে কথা হতেই পারে। অনেকেই গ্রুপ চ্যাট করছেন। তাই এটাকে ঠিক নেগেটিভ এফেক্ট বলা যাচ্ছে না। অল্টার এজেন্ট এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্ক স্ন্যাপচ্যাট এই সার্ভে করেছে ১৬টি দেশের প্রায় ৩০ হাজার মানুষের কাছে। ইউরোপ ও আমেরিকা তো বটেই, জার্মানি, ইতালি, জাপান, মেক্সিকো, স্পেন, মালএশিয়া ইত্যাদি দেশ এতে অংশগ্রহণ করেছিল।

আর সেই সমীক্ষায় ৩৩% মানুষ যেমন বলেছেন যে এই অতিমারী বন্ধুত্বের সংজ্ঞা পাল্টে দিয়েছে, সে রকম ৪৭% মানুষ বলেছেন যে তাঁরা অতিমারীর পরিস্থিতিতে বন্ধুদের অনেক কাছে আছেন বলে মনে করছেন। অর্থাৎ তাঁদের হৃদ্যতা কিন্তু অনেক বেড়েছে।

আসলে এখন প্রযুক্তি অনেক উন্নত হয়েছে। তাই বন্ধুদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি অনেক ভাবেই সম্পর্ক রাখা যায়- দেখা করা যায় এবং কথা বলা যায়। প্রতি তিনজনে একজন বলেছেন যে তাঁরা অতিমারীর সময়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি অনলাইন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন, বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলেছেন। ৪৯% মানুষ বলেছেন যে তাঁরা হাল্কা হাসি-তামাশার বদলে গভীর কোনও বিষয় নিয়ে আলোচনা ও মত বিনিময় করেছেন। এতে তাঁদের বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক অনেক বেশি পাকাপোক্ত হয়েছে। তা ছাড়া বিষয় অনেক বেশি জটিল ও গভীর বলে তাঁরা দীর্ঘক্ষণ কথা বলতে পেরেছেন।

তবে মুদ্রার একটি উল্টো পিঠও আছে। অনলাইনে কথা বলার সুবিধা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই বলেছেন যে অতিমারী পর্বে তাঁরা অত্যন্ত একাকী বোধ করেছেন। তা ছাড়া এই যে বন্ধুত্বের সংজ্ঞা পাল্টেছে, এর জন্য শুধু করোনা অতিমারীকেই দায়ী করা যায় না। যাঁরা অন্য শহরে কাজের সন্ধানে রয়েছেন, যাঁরা সদ্য বাবা-মা হয়েছেন, তাঁরাও এই সব কারণে বন্ধুবান্ধবদের থেকে কিছুটা হলেও দূরে চলে গিয়েছেন।

সমীক্ষা আরও বলছে- অতিমারীর প্রকোপে অনেকেই নিজের কাজ হারিয়েছেন, যাঁরা ব্যবসা করেন তাঁরাও অনেক বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। আর্থিক দুর্বলতার জন্যও অনেকের বন্ধুদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

Published by:Debalina Datta
First published: