Instagram-এ বিপদ! Story খুললেই বন্ধ হতে পারে আপনার ফোন

Hacker creates 'glitch' to crash smartphones | Image credit: Reuters/Instagram

Instagram Story-র মাধ্যমে ইউজারদের ফোন ক্র্যাশ করছে হ্যাকাররা।

  • Share this:

    লন্ডন: দিন যত এগোচ্ছে, ততই আধুনিক হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি। একইসঙ্গে উন্নত হচ্ছে ডার্ক ওয়েব। এতদিন Facebook, Twitter-এর মতো সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলির মাধ্যমে হ্যাকাররা ইউজারদের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করত। কিন্তু এবার তাঁদের নজর পড়েছে ফটো শেয়ার করার জনপ্রিয় অ্যাপ Instagram-এ। অরুণ মৈনি (Arun Maini) নামের এক YouTuber সম্প্রতি জানিয়েছেন, Instagram Story-র মাধ্যমে ইউজারদের ফোন ক্র্যাশ করছে হ্যাকাররা। কিন্তু কী ভাবে শুনলে অবাক হবেন ৷

    অরুণ একটি ভিডিওর মাধ্যমে জানান, পিজিতালাল (pgtalal) নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে স্টোরি শেয়ার করা হচ্ছে। যেখানে ক্লিক করলেই ব্যবহারযোগ্য থাকবে না আপনার ফোন। ব্রিটেন নিবাসী অরুণ জানিয়েছেন, যিনি ওই অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করে ইউজারদের ফোন নষ্ট করছে, তাঁর বয়স মাত্র ১৪। ওই হ্যাকার এমন একটি কোড বানিয়েছেন, যার মাধ্যমে মুহূর্তের মধ্যে আপনার ফোন কাজ করা বন্ধ করে দেবে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে কিশোরটি মাত্র ১১ বছর থেকে এই সংক্রান্ত প্রোগ্রামিংয়ের কাজ শুরু করে দিয়েছিল। স্রেফ নিজের আনন্দের জন্যই ৷

    যদিও ১৪ বছরের ওই হ্যাকারের নাম প্রকাশ্যে আনেননি অরুণ মৈনি। তবে জানা যাচ্ছে, ওই কিশোরটি ইতিমধ্যেই অনেকের ফোন খারাপ করে দিয়েছে। এমনকী এর মাধ্যমে অনেকের তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। যদিও এমন ঘটনা এখনও পর্যন্ত ঘটেনি বলেই জানা গিয়েছে। অন্য দিকে, অরুণ এই বিষয়টি নিয়ে অনেক সাইবার বিশেষজ্ঞের সঙ্গে কথা বলেছিলেন, কিন্তু সঠিক উত্তর সে ভাবে তিনি পাননি।

    তবে ব্রিটেনের আরিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটির নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক অনন্যা অরোরা এই স্টোরি সংক্রান্ত বেশ কয়েকটি তথ্য সামনে এনেছেন। তাঁর মতে, Instagram স্টিকারের সংমিশ্রণে এই প্রোগামটি বানানো হয়েছে। তবে এই বিষয়টি বেশ জটিল তা তিনি স্বীকার করেছে। আশ্চর্যের বিষয় হল ওই কিশোরটি আবার তালাল পেজটির Instagram অ্যাকাউন্টটি হ্যাক করে ওই স্টোরি আপলোড করেছিল। এমনকী YouTuber অরুণ মৈনিকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত, অরুণ এই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে Instagram ইউজারদের সতর্ক করেছেন এবং জানিয়েছেন যে তাঁর মতে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলি একটু সতর্ক ভাবে ব্যবহার করা উচিত। তাঁর এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই নেটদুনিয়ায় স্বাভাবিক ভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: