'ভারতের সবচেয়ে কুৎসিত ভাষা কন্নড়', বিতর্কিত উত্তর দিয়ে ক্ষমা চাইল Google

ক্ষমা চেয়ে গুগল অবশ্য বলেছে যে সার্চ রেজাল্ট তাদের মতামতকে প্রতিফলিত করে না

ক্ষমা চেয়ে গুগল অবশ্য বলেছে যে সার্চ রেজাল্ট তাদের মতামতকে প্রতিফলিত করে না

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: দেশের কুৎসিত বা কুরুচিপূর্ণ ভাষা কোনটি? গুগলে সার্চ দিয়ে উত্তর এসেছিল ‘কন্নড়’। কিছুক্ষণের মধ্যেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়। তারপর এনিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে দেশ জুড়ে। গুগলের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেটিজেনরা। কর্ণাটকের সরকার আইনি নোটিস পাঠায় গুগলকে। আর তার পরই নিজেদের ভুল শুধরে নেয় গুগল। ক্ষমা চায় গুগল আর তড়িঘড়ি ভারতের জঘন্য ভাষা হিসেবে কন্নড়ের নাম সরিয়ে দেয়। গুগল জানয়েছে যে, সার্চের ফলাফল তাদের মতামতের প্রতিফলন নয়।

    কর্নাটকের কন্নড়, সংস্কৃতি ও বন মন্ত্রী অরবিন্দ লিম্বাবালি সাংবাদিকদের বলেছেন যে এরকম ফলাফল দেখানোর জন্য গুগলকে আইনি নোটিস পাঠানো হবে। পরে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে ট্যুইটে গুগলকে ক্ষমা চাইতে বলেন। তিনি ট্যুইটে আরও লেখেন যে, 'গুগল হয়ত জানে না, কন্নড় ভাষার নিজস্ব একটি ইতিহাস আছে। ২ হাজার ৫০০ বছরের পুরনো এই ভাষা। আর এই ভাষা আমাদের গর্ব।'

    হঠাৎই রাতারাতি গুগলের এই প্রশ্ন আর উত্তরের স্ক্রিনশট ভাইরাল হয়ে যায় সোশ্যাল মিডিয়ায়। দক্ষিণ ভারতে প্রায় ৪ কোটি মানুষ যে ভাষায় কথা বলেন সেই ভাষাটিকে কেন কুৎসিত হিসাবে উল্লেখ করা হল সেই প্রশ্ন তোলেন তাঁরা। গুগলকে অবিলম্বে ক্ষমা চাওয়ার জন্য দাবি উঠতে থাকে। কর্ণাটকের সরকার আইনি নোটিস পাঠায় গুগলকে। বলা হয়, তাঁদের ভাষাকে অপমান করা হয়েছে।

    এই বিষয়ে গুগলের এক মুখপাত্র বলেন, ‘সার্চ রেজাল্ট সব সময় নিখুঁত ও সঠিক হয় না। কখনও কখনও বেশ কিছু প্রশ্নে অবাক করা উত্তর দিয়ে থাকে। আমরা জানি এটি আদর্শ নয়, তবে আমরা যখন কোনও সমস্যা সম্পর্কে জানি আমরা অ্যালগরিদমগুলি উন্নত করার জন্য ক্রমাগত চেষ্টা করি। তখন আমরা দ্রুত সংশোধনমূলক পদক্ষেপ করি। স্বাভাবিক ভাবেই, এটি গুগলের মতামতের প্রতিফলন নয় এবং আমরা ভুল বোঝাবুঝি ও অনুভূতিতে আঘাত করার জন্য ক্ষমা চাইছি।’

    Published by:Ananya Chakraborty
    First published: