• Home
  • »
  • News
  • »
  • technology
  • »
  • আয়-ব্যয়ের ভারসাম্যে সঞ্চয় বাড়াতে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো!

আয়-ব্যয়ের ভারসাম্যে সঞ্চয় বাড়াতে মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলো!

রাশিচক্র কী, তা আমাদের সবার মোটামুটি জানা। এই রাশি স্থির করা হয় কোন লগ্নে আমাদের জন্ম হচ্ছে এবং সেই লগ্নে কোন গ্রহ আমাদের ভাগ্যের অধিপতি- সেই হিসেবের উপরে। জন্মতারিখে গ্রহের অবস্থানের উপরে ভিত্তি করে একটি রাশি সংখ্যাও নির্ধারণ করা হয়ে থাকে জ্যোতিষ মতে, একে বলা হয় মূলাঙ্ক। বাস্তুশাস্ত্র বলে, এই মূলাঙ্ক অনুসারে ঘরের একেকটি দিকে ব্যক্তিবিশেষে একেকটি জিনিস রাখলে ভাগ্য খুলে যায়। গ্রহ যেমন নয়টি, মূলাঙ্কও তেমনই ১ থেকে ৯ পর্যন্ত একেকটি সংখ্যা! সেই কথায় আসার আগে জেনে নেওয়া যাক জন্মতারিখ অনুসারে কার মূলাঙ্ক কী হবে!

রাশিচক্র কী, তা আমাদের সবার মোটামুটি জানা। এই রাশি স্থির করা হয় কোন লগ্নে আমাদের জন্ম হচ্ছে এবং সেই লগ্নে কোন গ্রহ আমাদের ভাগ্যের অধিপতি- সেই হিসেবের উপরে। জন্মতারিখে গ্রহের অবস্থানের উপরে ভিত্তি করে একটি রাশি সংখ্যাও নির্ধারণ করা হয়ে থাকে জ্যোতিষ মতে, একে বলা হয় মূলাঙ্ক। বাস্তুশাস্ত্র বলে, এই মূলাঙ্ক অনুসারে ঘরের একেকটি দিকে ব্যক্তিবিশেষে একেকটি জিনিস রাখলে ভাগ্য খুলে যায়। গ্রহ যেমন নয়টি, মূলাঙ্কও তেমনই ১ থেকে ৯ পর্যন্ত একেকটি সংখ্যা! সেই কথায় আসার আগে জেনে নেওয়া যাক জন্মতারিখ অনুসারে কার মূলাঙ্ক কী হবে!

ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং আলবাত জরুরি, কেউ অস্বীকার করবেন না সেটা

  • Share this:

#কলকাতা: ভবিষ্যৎ সুনিশ্চিত করতে ফিনান্সিয়াল প্ল্যানিং আলবাত জরুরি, কেউ অস্বীকার করবেন না সেটা! কিন্তু যদি আয় আর ব্যয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা না যায়, তা হলে প্ল্যানিংয়ের পুরোটাই মাঠে মারা যাবে।

এমন নয় যে আপনি প্রয়োজনের চেয়ে বেশি বা বলা ভালো খামখেয়ালি ভাবে খরচ করে চলেছেন। এমন অনেক বিষয় থাকে যা মাথায় না রাখলে না চাইলেও ব্যয়ের দাঁড়িপাল্লা ঝুঁকে পড়ে বেশি। ১. খেয়াল রাখুন মুদ্রাস্ফীতি তৃতীয় বিশ্বের অর্থনীতিতে এর চেয়ে বড় সমস্যা আর কিছুই নেই। দিন দিন টাকার দাম পড়ছে তো পড়ছেই, তা আর উপরের দিকে যাওয়ার নামটাও করে না। নিজেই মনে করে দেখুন না, আজ থেকে ৫ বছর আগেও ৫০ টাকায় কত কিছু কুলিয়ে উঠতে পারতেন! কিন্তু এখন কি পারেন? জানি, উত্তরটা না-ই হবে, আমাদের সবার পক্ষেই। তাই এই মুদ্রাস্ফীতির ব্যাপারটা খেয়াল রেখে ব্যয় করুন। আজ যতটুকু ব্যয় করছেন, পরের বছর সেটাই কিন্তু আয়ের ঘর খালি করে দিতে পারে! ২. একটা আপৎকালীন তহবিল বানান আয় থেকে প্রতি মাসে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ সরিয়ে রাখুন। সাধারণ সঞ্চয়ের চেয়ে এ একটু আলাদা। কেন না, সঞ্চয়ে আপনি যখন খুশি হাত দিতেই পারেন। কিন্তু নিতান্ত বিপদে না পড়লে এই আপৎকালীন তহবিল ভাঙবেন না। দেখবেন, আপনাকে টাকার জন্য দুঃসময়ে কারও কাছে হাত পাততে হবে না! ৩. স্বল্পকালীন সঞ্চয়ের পথে যাবেন না এমন অনেক স্কিম থাকে যা খুব কম সময়ের মধ্যে আপনাকে অনেক টাকা পাইয়ে দেয়। কিন্তু বিনিয়োগক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে যদি ইক্যুইটি আর রিটার্ন বেনিফিটের কথা মাথায় রাখতে হয়, তা হলে দীর্ঘকালীন সঞ্চয়ের পথে যাওয়াই ভালো। ৪. বিমা করুন বুঝে-শুনে কোনও বিমা করার ক্ষেত্রে মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে মোট কত টাকা পাচ্ছেন বা কত কম প্রিমিয়াম দিতে হল, সেটাই একমাত্র বিবেচ্য নয়। সমস্ত শর্তাবলী খুঁটিয়ে পড়ুন। না হলে প্রিমিয়াম কম হলেও অন্য দিক থেকে ওই বিমার পিছনে খরচ বাড়তে পারে। ৫. কর দিতে ভুলবেন না সঠিক সময়ে কর না দেওয়া হলে জরিমানা দিতে হয়। যা উটকো খরচের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। কী লাভ বলুন তা হলে কর বাঁচিয়ে?

Published by:Akash Misra
First published: