বাজারে এলো কার্বন মাস্ক, কাছে এলেই মারবে করোনা ভাইরাসকে

বাজারে এলো কার্বন মাস্ক, কাছে এলেই মারবে করোনা ভাইরাসকে

ব্রেদ ইজি ল্যাবস বাজারে নিয়ে এল নতুন কার্বন ফেস মাস্ক। এই মাস্কগুলির ভিতরে রয়েছে এমন লেয়ার, যার সেলফ স্যানিটাইজিং-এর ক্ষমতা আছে। এছাড়া, এই মাস্কের ফিলট্রেশন ক্যাপাসিটি ৯৫ শতাংশের বেশি।

ব্রেদ ইজি ল্যাবস বাজারে নিয়ে এল নতুন কার্বন ফেস মাস্ক। এই মাস্কগুলির ভিতরে রয়েছে এমন লেয়ার, যার সেলফ স্যানিটাইজিং-এর ক্ষমতা আছে। এছাড়া, এই মাস্কের ফিলট্রেশন ক্যাপাসিটি ৯৫ শতাংশের বেশি।

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে মাস্ক এখন হয়ে উঠেছে সব থেকে জরুরি ফ্যাশন অ্যাকসেসরি। বাজারে মিলছে বিভিন্ন ডিজাইনের মাস্ক। বড় ব্র্যান্ড হোক কিংবা স্টার্ট-আপ, মাস্ক তৈরিতে পিছিয়ে নেই কেউই। তবে শুধুই ফ্যাশন নয়, মাস্ক যাতে পুরোপুরি সুরক্ষা দিতে পারে, খেয়াল রাখতে হবে সেদিকেও। এ কথা মাথায় রেখেই ব্রেদ ইজি ল্যাবস বাজারে নিয়ে এল নতুন কার্বন ফেস মাস্ক। এই মাস্কগুলির ভিতরে রয়েছে এমন লেয়ার, যার সেলফ স্যানিটাইজিং-এর ক্ষমতা আছে। এছাড়া, এই মাস্কের ফিলট্রেশন ক্যাপাসিটি ৯৫ শতাংশের বেশি। সে কারণে, অধিকাংশ এন৯৫ মাস্কের থেকে এই মাস্ক বেশি কার্যকরী।

    মাস্কের দাম ৭৯৯ টাকা। রঙের অপশন শুধু কালো। নেলসন ল্যাবস থেকে অনুমোদন পেয়েছে এই তিন লেয়ারের মাস্ক। কার্বন মাস্কের একদম বাইরের লেয়ার কাপড়ের তৈরি। কোভিড সুরক্ষা নিশ্চিত করতেই, এই লেয়ারে ব্যবহার করা হয়েছে বায়োটেকনোলজি, যা খুব সহজেই আটাকাতে পারে বায়ুবাহিত কণা। দ্বিতীয় লেয়ারও এই বায়ুর কণাগুলিকে আটকাতে সক্ষম। তৃতীয় লেয়ারে থাকছে অ্যান্টি-মাইক্রোবায়াল প্রপার্টি, যা ভাইরাস, ব্যকটেরিয়া এবং ফাঙ্গি-কে মেরে ফেলতে পারে।

    ব্রিটেন এবং আমেরিকা থেকে ফাইবার আনিয়ে তৈরি হচ্ছে এই মাস্ক। নন-মেল্ট ব্লোন টেকনিক ব্যবহৃত হয় এই মাস্ক তৈরিতে। সে কারণে, ব্যবহার করার পর ধুয়ে নেওয়া যাবে এই মাস্ক। একটি কার্বন মাস্ক, ৫০ বার পর্যন্ত ধোওয়া সম্ভব। যে কোনও এন৯৫ মাস্কের থেকে বেশিদিন, অর্থাৎ ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে এই মাস্ক। শুধু তাই নয়, কার্বন মাস্ক খুব আরামদায়কও, কারণ এর ভিতরের লেয়ারটি সফট ফাইবার দিয়ে তৈরি। ভাইরাস কনট্যাক্টে এলেই তাকে মেরে ফেলতে পারে এই ফাইবার। ব্রেদ ইজি মাস্কের প্রডাক্ট ডেসক্রিপশন অনুযায়ী, “বায়ুবাহিত সংক্রমণ এড়াতে, এরকম নন-কনট্যাক্ট স্যানিটাইজেশন প্রক্রিয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন পর্যন্ত ভ্যাকসিনের মত কোনও স্থায়ী সমাধান সহজলভ্য হচ্ছে, এই মারণ ভাইরাসকে আটকাতে এই প্রক্রিয়া বড় ভূমিকা পালন করতে পারে।”

    Published by:Antara Dey
    First published:

    লেটেস্ট খবর