Football World Cup 2018

'রোহিঙ্গা সমস্যায় দোষীরা শাস্তি পাবে', রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে ঘোষণা সু চির

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 19, 2017 03:42 PM IST
'রোহিঙ্গা সমস্যায় দোষীরা শাস্তি পাবে', রাষ্ট্রসঙ্ঘের মঞ্চে ঘোষণা সু চির
File photo of Aung San Suu Kyi during a news conference.
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 19, 2017 03:42 PM IST

#নয়াদিল্লি: শত শত রোহিঙ্গার মৃত্যু। লাখ লাখ উদ্বাস্তু। আন্তর্জাতিক মহলের চাপে শেষপর্যন্ত মাসখানেক বাদে মুখ খুললেন মায়ানমারের নেত্রী আং সান সু কি। একটি টিভি অনুষ্ঠানে বললেন, রোহিঙ্গা মুসলিমদের বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে তৈরি মায়ানমার সরকার। উপযুক্ত প্রমাণ দেখে বিতাড়িতদের দেশে ফেরানোর আশ্বাসও দেন তিনি। তবে রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর অত্যাচারের অভিযোগ নিয়ে মুখে কুলুপ শান্তিতে নোবেল জয়ী নেত্রীর।

মাস খানেক ধরে মায়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গাদের উপর চলছে সেনাবাহিনীর অত্যাচার। ক্রমশই গভীর হচ্ছে সংকট।

নিহত শত শত রোহিঙ্গা। পরিসংখ্যান বলছে, দেশ ছেড়েছেন চার লক্ষ দশ হাজার মানুষ। বিশ্বের একটি বড় অংশেরই অভিযোগ, সেনাবাহিনী দিয়ে আসলে গোটা একটি জনজাতিকে মুছে ফেলার চেষ্টা চলছে। গোটা বিশ্বই অপেক্ষায় ছিল মায়ানমারের নেত্রী সু কি-র বার্তার জন্য। শেষপর্যন্ত নীরবতা ভাঙলেন সু কি।

সরকারে আমাদের ১৮ মাসও পূর্ণ হয়নি। এর মধ্যে সব চ্যালেঞ্জ জয় করা অসম্ভব। জানি যে, রাখাইন প্রদেশেই গোটা বিশ্বের নজর রয়েছে। তাতে মায়ানমার ভীত নয়। আমরা এই সমস্যার দীর্ঘস্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করবই। সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নই আমাদের লক্ষ্য। রাখাইন প্রদেশে শান্তি ফেরানোর কাজ শুরু করেছে সরকার। দেশ থেকে যাঁরা বিতাড়িত তাঁদের উপযুক্ত প্রমাণ দেখে ফেরানো হবে। এই সমস্যার জন্য যারা দায়ী তাদের প্রত্যেককে আইন শাস্তি দেবে। মুসলিমরা কেন চলে যাচ্ছেন তা খুঁজে বের করতে আমি নিজে তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত।

রাখাইন প্রদেশ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে ভারত-বাংলাদেশেরও। এমন সময়ে মায়ানমারের নেত্রীর বার্তা ইতিবাচক বলেই মনে করছে নয়াদিল্লি।

রাখাইন প্রদেশে সেনাবাহিনীর অত্যাচার নিয়ে অবশ্য টুঁ শব্দ করেননি শান্তিতে নোবেল জয়ী মায়ানমারের ওই নেত্রী। মায়ানমারের সরকারে এখনও সেনার প্রভাব যথেষ্ট। মনে করা হচ্ছে, সেই অঙ্ক থেকেই ভারসাম্য রক্ষার নীতি নিয়েছেন সু কি।

First published: 11:23:09 AM Sep 19, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर