এ জন্মে পারলাম না, হয়তো পরের জন্মে পারব, কেন বললেন যুবরাজ ?

টেস্ট কম খেলার দুঃখ ভুলতে পারেননি যুবরাজ

ভারতের বিশ্বকাপজয়ী এই অল-রাউন্ডার আরও আগে থেকেই টেস্ট দলে সুযোগ পাননি। শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০১২ সালে। অবসরের পরেও সেই দুঃখটা ভুলতে পারেননি।

  • Share this:

    #মুম্বই: যুবরাজ সিং - এর মত স্টাইলিশ ব্যাটসম্যান শেষ ১৫ বছরে খুব বেশি আসেনি ভারতীয় ক্রিকেটে। তাঁর বিভিন্ন শট যেন শিল্পীর ছোঁয়া। শক্তি এবং শিল্পের মিশ্রন। স্পিনারদের অবলীলায় মাঠের বাইরে ফেলা হোক বা স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে ছয় ছক্কা, এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের কীর্তি প্রচুর। দশ বছর আগে ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম সেরা কারিগর। সিরিজের সেরা। ক্যান্সার আক্রান্ত হয়েও যোদ্ধার মতো লড়াই করে ফিরে এসেছিলেন।

    কিন্তু টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারতের হারের অন্যতম ভিলেন ধরা হয় তাঁকে। আপাতত একটি ব্যাপার নিয়ে বেশ হতাশ তিনি। রঙিন পোশাকে জাতীয় দলে ব্রাত্য হতে হতে ক্ষোভে দুঃখে  ২০১৯ সালে ক্রিকেটকে বিদায় বলে দেন যুবরাজ সিং। ভারতের বিশ্বকাপজয়ী এই অল-রাউন্ডার আরও আগে থেকেই টেস্ট দলে সুযোগ পাননি। শেষ টেস্ট খেলেছিলেন ২০১২ সালে। অবসরের পরেও সেই দুঃখটা ভুলতে পারেননি।

    যুবরাজের এক টুইটে ফুটে উঠল টেস্ট খেলতে না পারার আক্ষেপ। কয়েকদিন আগে একটি সংবাদ সংস্থা টুইটারে লিখেছিল, 'ভারতের কোন প্রাক্তন ক্রিকেটার আরও বেশি টেস্ট খেলতে পারতেন? ' সেই টুইট শেয়ার করে যুবরাজ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে (বিসিসিআই) খোঁচা দিয়ে লিখেছেন, 'আশা করি পরের জন্মে আরও বেশি টেস্ট খেলতে পারব। তখন হয়তো ৭ বছর ধরে আমাকে দ্বাদশ ব্যক্তি হিসেবে থাকতে হবে না।'

    তবে পরিসংখ্যানের দিকে তাকালে দেখা যায়, টেস্ট ক্রিকেটে তেমন সাফল্য পাননি যুবরাজ। ৪০ টেস্টে ৩ সেঞ্চুরি আর ১১টি হাফ সেঞ্চুরিতে তার সংগ্রহ ১৯০০ রান। অবশ্য তাঁর ঘনিষ্ঠদের দাবি, টেস্ট দলে একাধিক তারকা থাকার জন্য এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যানকে পর্যাপ্ত সুযোগ দেওয়া হয়নি। আর তাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও যুবরাজের টেস্ট না খেলার হতাশা আছে।

    একজন ক্রিকেটারের আদর্শ মঞ্চ টেস্ট ক্রিকেট। সর্বোচ্চ মঞ্চ বললেও ভুল হবে না। যুবরাজ যে জাতের ব্যাটসম্যান তাতে টেস্ট ক্রিকেটের পরিসংখ্যান তাঁর আরও ভাল হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু সব সাফল্য একজনকে ধরা দেয় না। যেটুকু প্রাপ্তি, তাই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। তাই হতাশ হলেও টেষ্টের ব্যর্থতা মেনে নেওয়া ছাড়া উপায় নেই যুবরাজের।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: