corona virus btn
corona virus btn
Loading

'খিদের জ্বালাটা বুঝি, একসময় না খেয়ে কাটাতাম"! মাঠকর্মীদের হাতে খাবার তুলে দিলেন এই ভারতীয় ক্রিকেটার

'খিদের জ্বালাটা বুঝি, একসময় না খেয়ে কাটাতাম

খিদের যন্ত্রণাটা তিনি ভালই জানেন। একসময় দু'মুঠো খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হত...

  • Share this:

#মুম্বই: খিদের যন্ত্রণাটা তিনি ভালই জানেন। একসময় দু'মুঠো খাবার জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হত। ১২-১৩ বছর বয়সে উত্তর প্রদেশ থেকে মুম্বই পাড়ি দিয়েছিলেন, ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। আরব সাগরের পাড়ে খাওয়া, থাকার কোনও জায়গায় ছিল না। কখনও ফলের দোকান, কখনও ফুচকাওয়ালার কাছে কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে হত। শুধু ক্রিকেটকে আঁকড়ে ধরে জীবনে পট পরিবর্তন হয়েছে। এক সময় ক্লাব তাঁবুতে জীবন কাটানো যশস্বী জয়সওয়াল আজ ক্রিকেটের পরিচিত মুখ। অনূর্ধ্ব  ১৯ বিশ্বকাপ টুর্নামেন্ট সেরার পুরস্কার। আইপিএল রাজস্থান ফ্র্যাঞ্চাইজি-র নিলামে ২ কোটি ৪০ লক্ষ টাকার ডাক পেয়েছেন। সেই যশস্বী এখন লকডাউনে দুঃস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন।

মহারাষ্ট্র জুড়ে ভয়াবহ আকার নিয়েছে মারণ ভাইরাস করোনা । মুম্বইতেও ক্রমে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। এই কঠিন পরিস্থিতিতে গরিব মানুষের পাশে দাঁড়াতে উদ্যোগী যশস্বী জয়সওয়াল। ভয়কে জয় করে দরিদ্র মানুষকে সাহায্য করতে রাস্তায় নামলেন তরুণ ক্রিকেটার। মুম্বইয়ের বিভিন্ন মাঠে মালিদের জরুরি সামগ্রী তুলে দিলেন অনূর্ধ্ব ১৯ এই ক্রিকেটার। যশস্বীর সঙ্গে ছিলেন কোচ জ্বালা সিং। শিবাজী পার্ক, আজাদ ময়দান, ওভাল মাঠ, এয়ার ইন্ডিয়া স্পোর্টস ক্লাব, ক্রস ময়দান-সহ মুম্বইয়ের একাধিক মাঠে গিয়ে মালিদের হাতে চাল-ডাল তুলে দিলেন যশস্বী।

যশস্বী জয়সওয়াল জানান, 'ক্রিকেট না হলে মন মেজাজ ভালো লাগেনা। তবে এই কঠিন পরিস্থিতিতে কিছু করা সম্ভব নয়। সারাবছর মাঠের মালিরা আমাদের দেখাশোনা করেন। এই সময় তাঁদেরকে সাহায্য করতে পেরে ভাল লাগছে। খেতে না পাওয়ার জ্বালাটা আমি বুঝি। আমি সামান্য সাহায্য করলাম।'কোচ জ্বালা সিং বলেন, 'যশস্বী উদ্যোগ নিল। আমি ওর সাথে ছিলাম। প্রয়োজনে আরও সাহায্য করব।'

আইপিএলের প্রস্তুতি শুরু হয়েছিল। রাজস্থানের ক্যাম্পে যোগও দিয়েছিলেন এই বাঁ-হাতি অলরাউন্ডার। কিন্তু দেশজুড়ে লকডাউন শুরু হওয়াতে ফিরে আসতে হয়েছে মুম্বই। কোচ জ্বালা সিং-এর সঙ্গে তাঁর বাড়িতে থাকেন যশস্বী। মাঠে অনুশীলন বন্ধ। ইন্ডোরে যাওয়া বারণ। কাজেই বাড়িতেই শরীর চর্চা করছেন যশস্বী। নিজেকে ফিট রাখতে সফট ড্রিংক্স খাওয়া ছেড়ে দিয়েছেন ইতিমধ্যেই। তিনি মনে করেন, ' লকডাউন উঠলে আস্তে আস্তে খেলাধুলা শুরু করা উচিত। তাহলে সাধারণ মানুষ মানসিকভাবে কিছুটা চাঙ্গা হবে। তবে সেটা অবশ্যই করা উচিত সরকারি নির্দেশ মেনে।'

ERON ROY BURMAN

Published by: Arindam Gupta
First published: May 11, 2020, 11:53 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर