corona virus btn
corona virus btn
Loading

মানবিক ঋদ্ধি, মাঝ রাতে পারিবারিক বন্ধুর প্রয়োজনে ‘A-’ রক্ত চেয়ে ট্যুইট পাপালির

মানবিক ঋদ্ধি, মাঝ রাতে পারিবারিক বন্ধুর প্রয়োজনে ‘A-’ রক্ত চেয়ে ট্যুইট পাপালির

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা নাগাদ ট্যুইট করেন ঋদ্ধিমান সাহা। ট্যুইটে ঋদ্ধি লেখেন, "এ নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন। খুব জরুরী। আমাকে কি একটু সাহায্য করবেন?"

  • Share this:

#কলকাতা: মানবিক ঋদ্ধিমান সাহা। পারিবারিক এক বন্ধুর প্রয়োজনে নিজের অফিশিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকেই রক্ত চেয়ে প্রায় মাঝরাতে পোস্ট ভারতীয় উইকেটরক্ষকের। ঋদ্ধির পোস্ট দেখে এগিয়ে এলেন সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া, রাজ্যের মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা, পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা-সহ প্রচুর মানুষ।

বৃহস্পতিবার রাত ১২টা নাগাদ ট্যুইট করেন ঋদ্ধিমান সাহা। ট্যুইটে ঋদ্ধি লেখেন, "এ নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন। খুব জরুরী। আমাকে কি একটু সাহায্য করবেন?" ঋদ্ধির এই পোস্ট খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। রি-টুইট করেন হাজার হাজার মানুষ। ঋদ্ধির সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন অনেকেই। নিউজ18 বাংলার তরফেও ঋদ্ধিমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রথমে সবাই মনে করেছিলেন, ব্যক্তিগত কোনও সমস্যায় পড়েছেন ঋদ্ধি। পরিবারের কোনও সদস্যের রক্তের প্রয়োজন। তবে ঋদ্ধি নিজেই আশ্বস্ত করেন, তাঁর নিজের পরিবারের নয়, তবে এক কাছের মানুষের প্রয়োজনে এই ট্যুইট করেছেন তিনি। নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে ট্যুইট করার কারণ, যাতে বেশি সংখ্যক মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো যায়।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতেই সিএবি প্রেসিডেন্ট অভিষেক ডালমিয়া বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে রক্তের ব্যবস্থা করেন। সিএবি-র এক সদস্যের তরফে ১ ইউনিট রক্ত জোগাড় করা হয়। রাজ্যের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা রক্ত জোগাড় করেন। শুক্রবার সকালে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা নিজে ঋদ্ধিমানের ট্যুইট রি-টুইট করে কলকাতা পুলিশকে বিষয়টি দেখতে বলেন। কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে ঋদ্ধির পারিবারিক বন্ধুর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। প্রয়োজনীয় ৪ ইউনিট রক্ত জোগাড় করা সম্ভব হয় শুক্রবার বিকেলে।

ঋদ্ধির পারিবারিক বন্ধু জানান, কোনও উপায় না দেখে আমি সমস্যার কথা রাতে ঋদ্ধিমানকে জানাই। পাপালি সঙ্গে সঙ্গেই আমাকে আশ্বস্ত করে নিজের টুইটার থেকে টুইট করে। আমি নিজে যোগাযোগ করলে কতটা কি করতে পারতাম জানি না। ঋদ্ধিমান সাহাকে ধন্যবাদ এভাবে পাশে থাকার জন্য। একজন আন্তর্জাতিক তারকা অন্যের প্রয়োজনে এইভাবে ঝাঁপিয়ে পড়বে আমি ভাবতেই পারিনি। ঋদ্ধি পাশে না দাঁড়ালে সমস্যা হত। ও নিজেও বহু জায়গায় ফোন করে।" তবে ঋদ্ধিমান এই নিয়ে আলাদা করে কিছু বলতে নারাজ। যারা সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন তাদের ব্যক্তিগত ভাবে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ঋদ্ধি। অতীতে বিভিন্ন সময় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন পাপালি। কয়েক মাস আগে বন্ধুর মাথার অস্ত্রোপচারের জন্য টাকা জোগাড় করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের সময় প্রচুর অসহায় মানুষকে সাহায্য করেছেন। তবে সেসব নিয়ে কখনই প্রচার করতে চাননি। সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নে সব সময় ঋদ্ধিমানেরর উত্তর" মানুষকে সাহায্য করার জন্য প্রচার চাইনা।"

Eeron Roy Barman

Published by: Siddhartha Sarkar
First published: August 14, 2020, 6:20 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर