• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • VIRENDER SEHWAG REMEMBERS HOW AFRIDI AND SHOAIB AKHTAR USED ABUSIVE LANGUAGE AGAINST HIM AT MOHALI RRC

Viru Afridi : আফ্রিদি, শোয়েবদের গালাগালির বদলা যেভাবে নিয়েছিলেন বীরু

আফ্রিদি, শোয়েবদের গালাগালির জবাব ব্যাটে দিয়েছিলেন বীরু

১৯৯৯ সালে ঘরের মাঠে মোহালি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে অভিষেক হয় সেহওয়াগের। সেদিন পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার বিশেষ করে শোয়েব আখতার, শহিদ আফ্রিদি, মহম্মদ ইউসুফরা গালির বৃষ্টি দিয়ে স্বাগত জানান তাঁকে

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি: মজার ছন্দে অনেক গুরুত্বপূর্ণ কথা বলে দিতে পারেন তিনি। ব্যাটিং করার সময় যেমন তার নীতি ছিল, বল দেখ আর মারো, তেমনই কথা বলার সময় তেমনই বেপরোয়া তিনি। সেই বছর কার্গিল যুদ্ধ। চরম উত্তেজনা দুই দেশে। ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক সম্পর্ক যেমনই হোক, দুই দেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে ভাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের গল্প শোনা যায় প্রায়ই। তবে সবসময়ই যে বন্ধুভাবাপন্ন থাকেন দুই দেশের ক্রিকেটাররা- এমনটা কিন্তু নয়। খেলার মাঠে দুই দলের ক্রিকেটারদের উত্তপ্ত ঘটনাও কম নেই।

    তেমনই একটির শিকার হয়েছিলেন ভারতের মারকুটে ওপেনার বীরেন্দ্র সেহওয়াগ। তাও কি না নিজের অভিষেক ম্যাচেই। ১৯৯৯ সালে ঘরের মাঠে মোহালি স্টেডিয়ামে ওয়ানডে অভিষেক হয় সেওয়াগের। সেদিন পাকিস্তানের তারকা ক্রিকেটার বিশেষ করে শোয়েব আখতার, শহিদ আফ্রিদি, মহম্মদ ইউসুফরা গালির বৃষ্টি দিয়ে স্বাগত জানান সেওয়াগকে । প্রায় ২২ বছর পর নিজের অভিষেক ম্যাচের স্মৃতিচারণ করে এ কথা জানিয়েছেন ভারতীয় ব্যাটসম্যান।

    একটি রেডিও শো’তে উপস্থিত থেকে বীরু বলেন, ‘আমার বয়স তখন ২০-২১ হবে। আমি যখন ব্যাট করতে নামি তখন আফ্রিদি, শোয়েব, ইউসুফসহ পাকিস্তানের সব খেলোয়াড় গালি দিয়ে স্বাগত জানাচ্ছিল আমাকে। যেগুলোর বেশিরভাগ আমি আগে কখনও শুনিনি।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমি অল্প অল্প পঞ্জাবি বুঝতাম। তাই তখন বুঝতে পারছিলাম যে তারা আমার দিকে গালির বৃষ্টি বর্ষাচ্ছে। কিন্তু আমার তেমন কিছুই করার ছিল না। কারণ সেটা আমার প্রথম ম্যাচ ছিল এবং আমি নিজেই নার্ভাস ছিলাম।’

    নিজের অভিষেকের দিন শোয়েব-আফ্রিদিদের জবাব না দিলেও, পরে কোনো ছাড় দেননি সেওয়াগ। সে বিষয়ে তিনি বলেন, ‘সেদিন মাঠে প্রায় ২০-২৫ হাজার দর্শক ছিল। আমি কোনোদিন ভাবিনি যে এত মানুষের সামনে খেলব। তো সেদিন কিছু না বললেও, পরে আমি যখন খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলাম, তখন বদলা নিতে ছাড়িনি।’

    প্রায় দেড় দশকের ক্যারিয়ারে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুর্দান্ত রেকর্ড ছিল তাঁর। টেস্ট ক্রিকেটে চার সেঞ্চুরির সাহায্যে ৯১.১৪ গড়ে ১২৭৬ রান করেছেন তিনি। ওয়ানডেতে দুই সেঞ্চুরি ও ছয় ফিফটিতে ৩৪.৫০ গড়ে ১০৭১ রান করেছেন এ ডানহাতি ওপেনার। দলটির বিপক্ষে ভাল করার নির্দিষ্ট কারণও ছিল বলে মনে করেন সেহওয়াগ।

    এ বিষয়ে তার ভাষ্য, ‘যখন ২০০৪ সালে পাকিস্তান সফরে গেলাম, তখন মুলতানে ট্রিপল সেঞ্চুরির মাধ্যমে আগেরবারের সব গালির প্রতিশোধ নিয়ে নেই আমি। যখনই আমি পাকিস্তানের বিপক্ষে খেলেছি, স্বাভাবিকভাবেই আমার রক্ত গরম হয়ে যেত। এ কারণেই ওদের বিপক্ষে আমি ভাল খেলেছি এবং আমার গড়ও অনেক ভাল।’ তবে কিছু পাকিস্তানের ক্রিকেটারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আজও বন্ধুর মতো মেনে নিয়েছেন নজফগড়ের নবাব।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: