Virat Kohli: কঠিন সময়ে গুরুকে হারালেন কোহলি, ছোটবেলার কোচ প্রয়াত

সকালে উঠে পুজো সারেন তিনি। এর পরই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান।

সকালে উঠে পুজো সারেন তিনি। এর পরই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান।

  • Share this:

    #নয়াদিল্লি:

    করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে গোটা দেশ। প্রায় প্রতিদিনই বহু মানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছেন। এমন কঠিন সময় কবে পেরোবে কেউ জানে না। প্রিয়জনদের অসময়ে হারিয়ে শোকে পাথর হচ্ছেম বহু মানুষ। আর এবার খারাপ খবর শুনতে হল বিরাট কোহলি। কঠিন সময়ে গুরুহারা হলেন কোহলি। তাঁর ছোটবেলার ব্যাটিং কোচ সুরেশ বাত্রা প্রয়াত হয়েছেন। শনিবার সকালে দেশের একজন স্বনামধন্য ক্রীড়া সাংবাদিক সবার প্রথমে তাঁর মৃত্যুর খবর সোশ্যাল মিডিয়ায় জানান। কোহলির ছোটবেলার কোচ বলতে বেশিরভাগ মানুষ রাজকুমার শর্মাকেই চেনেন। তবে কোহলি যে সুরেশ বাত্রার কাছে ব্যাটিং প্র্যাকটিস করেছেন তা কম লোকেই জানেন। ছোটবেলায় কোহলি ওয়েস্ট দিল্লির ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ট্রেনিং নিতেন। সেই সময় রাজকুমার শর্মার তত্ত্বাবধানে প্র্যাকটিস করতে কোহলি। রাজকুমার শর্মার সহকারী কোচ হিসাবে কাজ করতেন সুরেশ বাত্রা।

    মাত্র ৫৩ বছর বয়সেই প্রয়াত হলেন কোহলির ছোটবেলার কোচ। সকালে উঠে পুজো সারেন তিনি। এর পরই আচমকা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারান তিনি। রাজকুমার শর্মা তাঁর সহকারীর এমন অসময়ে চলে যাওয়ায় শোকবিহ্বল হয়ে পড়েছেন। তিনি বলেছেন, সুরেশ আমার ছোট ভাইয়ের মতো ছিল। ওকে আমি ১৯৮৫ সাল থেকে চিনি। ও যে এত তাড়াতাড়ি আমাদের ছেড়ে চলে যাবে তা ভাবতেও পারিনি। ওর আত্মার শান্তি কামনা করি। কোহলি এখন ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি শুরু করেছেন। এমনিতেই করোনার জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বহুদিন বন্ধ ছিল। একের পর এক সিরিজ বাতিল হয়েছে। আইপিএল শুরু হয়েও মাঝপথে বন্ধ হয়েছে। তবে আবার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট শুরু হয়েছে। কিন্তু করোনার বিধি মেনে এক দেশ থেকে আরেক দেশে খেলতে যেতে হচ্ছে ক্রিকেটারদের। থাকতে হচ্ছে বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টাইনে। তার পর জৈব সুরক্ষা বলয়ে প্রবেশ করছেন ক্রিকেটাররা। অনেক ক্রিকেটারই জানিয়েছেন, দিনের পর দিন জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকায় তাঁদের মানসিক স্বাস্থ্য প্রভাবিত হচ্ছে। তবে এমন পরিস্থিতিতে ক্রিকেটারদের জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা ছাড়া আর কোনও উপায়ও নেই।

    কোহলিকে বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান হিসাবে গড়ে তোলার পিছনে কোচ রাজকুমার শর্মা ও সুরেশ বাত্রার অবদান অনস্বীকার্য। কোহলি নিজেও বিভিন্ন মঞ্চে দুই কোচের অবদানের কথা অবলীলায় স্বীকার করেছেন। এই দুই কোচের তত্ত্বাবধানে প্রায় ৯ বছর প্র্যাকটিস করেছেন কোহলি। ২০০৮ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করেছিলেন কোহলি। তার পর থেকে ৯১টি টেস্ট, ২৫৪টি ওয়ান ডে এবং ৯০টি টি-২০ খেলে ফেলেছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক। টেস্টে ৭৪৯০, ওয়ান ডে-তে ১২১৬৯ ও টি-২০-তে ৩১৫৯ রান করেছেন তিনি।

    Published by:Suman Majumder
    First published: