• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • করোনায় মা, বোনকে হারিয়েও নতুন প্রতিজ্ঞা বেদার

করোনায় মা, বোনকে হারিয়েও নতুন প্রতিজ্ঞা বেদার

সাধারণ মানুষের সাহায্য করে যাচ্ছেন বেদা

সাধারণ মানুষের সাহায্য করে যাচ্ছেন বেদা

মায়ের মৃত্যুর পরেও বেদা ভেঙে না পড়ে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত করোনার সময়ে আপত্কালীন পরিষেবার জন্য হন্যে হয়ে ঘোরা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন

  • Share this:

    #বেঙ্গালুরু: মাত্র কয়েকটা দিনের ব্যবধানে গোটা দুনিয়াটাই অন্যরকম হয়ে গিয়েছে তাঁর কাছে। জীবনের অন্যতম দুই কাছের মানুষকে হারিয়ে শোকোস্তব্ধ তো বটেই, কিন্তু এই আঘাত তাঁকে যেন আরও শক্ত করে দিয়েছে। পণ করেছেন পাল্টা আঘাত করে হারাবেন করোনাকে। চলাই জীবন, থেমে যাওয়াই মরণ। এটাই মন্ত্র বেদা কৃষ্ণমূর্তির। চোখের জলকেই লড়াইয়ের হাতিয়ার করতে চান। ২ সপ্তাহ আগে মাকে হারিয়েছিলেন। গত বৃহস্পতিবার বোনকে হারালেন বেদা কৃষ্ণমূর্তি। ভারতীয় মহিলা দলের এই ক্রিকেটার ২ সপ্তাহের মধ্যে পরিবারের দুই প্রিয় মানুষকে হারালেন করোনার কারণে।

    কৃষ্ণমূর্তির বোন এপ্রিল মাসে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার মারা যান তিনি। মায়ের মৃত্যুর পর ভারতীয় মহিলা দলের এই ব্যাটসম্যান টুইট করে লেখেন, ‘মায়ের মৃত্যুর পর একাধিক মানুষের বার্তা পেয়েছি। মাকে ছাড়া এই সংসার শূন্য। বোনের জন্য এখন প্রার্থনা করছি। আমার করোনা পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে। আমার মতো অবস্থায় যাঁরা রয়েছেন তাঁদের জন্য প্রার্থনা জানাই ’।

    মায়ের মৃত্যুর পরেও বেদা ভেঙে না পড়ে করোনা মহামারির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে গিয়েছেন। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিনিয়ত করোনার সময়ে আপত্কালীন পরিষেবার জন্য হন্যে হয়ে ঘোরা মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন। তিনি কোথায় কোথায় যোগাযোগ করলে আক্রান্ত ও তাঁদের বাড়ির লোকেরা সাহায্য পেতে পারেন, জরুরি পরিষেবার যাবতীয় হেল্পনাইল শেয়ার করে গিয়েছেন টুইটারে।

    টিম ইন্ডিয়ার মহিলা দলের এই সদস্য জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ যেন এই ভাইরাসকে হালকা করে না দেখেন। নিয়ম মেনে চলেন এবং প্রশাসনকে সাহায্য করেন। বেদার এই মানসিক শক্তি দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। আসলে ক্রিকেট মাঠ থেকে লড়াইয়ের মন্ত্র শিখেছেন। চরম বেদনার মুহূর্তেও সেই লড়াই তাঁকে শক্তি দিচ্ছে। চোয়াল চাপা লড়াইয়ে ভর করে পাল্টা নক আউট করতে চান এই মারণ ভাইরাসকে।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: