• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • Tokyo Olympics Updates: লাভ ইন টোকিও! ক্যামেরার সামনে চুমু খেয়ে ছাত্রীকে প্রোপোজ কোচের

Tokyo Olympics Updates: লাভ ইন টোকিও! ক্যামেরার সামনে চুমু খেয়ে ছাত্রীকে প্রোপোজ কোচের

মারিয়াকে এর আগেও তাঁর কোচ বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি।

মারিয়াকে এর আগেও তাঁর কোচ বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি।

মারিয়াকে এর আগেও তাঁর কোচ বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি রাজি হননি।

  • Share this:

    #টোকিও:

    লাভ ইন টোকিও। বিশ্বের সব থেকে বড় স্পোর্টস ইভেন্টে প্রেমকাহিনী। আর্জেন্টিনার ফেন্সার মারিয়া বেলেনকে ক্যামেরার সামনে চুমু খেয়ে প্রোপোজ করলেন তাঁর কোচ। টোকিও অলিম্পিক্সের প্রথম রাউন্ড থেকেই ছিটকে গিয়েছেন তিনি। তার পর টিভি চ্য়ানেলের ক্যামেরার সামনে সাক্ষাত্কার দিচ্ছিলেন তিনি। ঠিক সেই সময়ই কোচ এসে তাঁকে চুমু খেয়ে বসেন। ঘটনার আকস্মিকতায় প্রথমে চমকে যান তিনি। পদক জয়ের দৌড় থেকে ছিটকে যাওয়ায় সেই সময় বেশ হতাশ ছিলেন তিনি। কিন্তু হঠাত্ করেই কোচের প্রেমের প্রস্তাব তাঁকে যেন উজ্জীবিত করে তোলে।

    কোচ লুকাস সাসেন্ডো পিছন থেকে এসে জড়িয়ে ধরেন মারিয়াকে। তাঁর হাতে একটি পোস্টার ছিল। তাতে লেখা ছিল, তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে? এর পরই হাঁটু গেড়ে বসে মারিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দেন তিনি। মারিয়া আর দেরি করেননি। কোচের প্রস্তাব তিনি সঙ্গে সঙ্গে হাসিমুখে মেনে নেন। কোচ তখনই মারিয়াকে বলেন, তাড়াতাড়ি হ্যাঁ বলে দাও। কারণ টিভিতে সবাই আমাদের দেখছে। সাসেন্ডো এর আগেও মারিয়াকে প্রোপোজ করেছিলেন। ২০১০ সালে প্যারিসে ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপের সময়। সেবার মারিয়া রাজি হননি। তিনি বলেছিলেন, সাসেন্ডো তাঁর সঙ্গে ঠাট্টা করছেন।

    টোকিও অলিম্পিকে এসে কোচের প্রস্তাব মেনে নিলেন মারিয়া। মারিয়া এদিন জানিয়েছেন, পদক জিততে না পারার দুঃখ রয়েছে। তবে কিন্তু কোচের কাছ থেকে অপ্রত্য়াশিত বিয়ের প্রস্তাব তাঁকে অবাক করেছে। তিনি এখন ভীষণ খুশি। আর তাই আর্জেন্টিনা পৌঁছে তাঁরা সেলিব্রেট করবেন বলেও জানিয়েছেন। টোকিও অলিম্পিকে এই নিয়ে দুজন অ্যাথলিট বিয়ের প্রস্তাব পেলেন। এর আগে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর জার্মান ফরোয়ার্ড ম্য়াক্স ক্রুসে ক্যামেরার সামনে তাঁর বান্ধবীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। জার্মানি সেদিন ৩-২ গোলে জিতেছিল।

    Published by:Suman Majumder
    First published: