• Home
  • »
  • News
  • »
  • sports
  • »
  • TOKYO OLYMPIC ATHLETE JESSICA FOX USES A CONDOM TO REPAIR HER KAYAK SMJ

Tokyo 2020 Live Updates: কন্ডোম দিয়ে সারানো কায়াক নিয়ে অলিম্পিক্সে সোনা জয় অ্যাথলিটের, ভিডিও ভাইরাল

টোকিও অলিম্পিক্সে অস্ট্রেলিয়ার একজন অ্যাথলিট কন্ডোম দিয়ে কায়াক সারিয়ে ইভেন্টে নেমে সোনা জিতেছেন।

টোকিও অলিম্পিক্সে অস্ট্রেলিয়ার একজন অ্যাথলিট কন্ডোম দিয়ে কায়াক সারিয়ে ইভেন্টে নেমে সোনা জিতেছেন।

  • Share this:

    #টোকিও: কন্ডোমের ব্যবহারিক প্রয়োগ বদলে দিয়েছেন তিনি। এভাবেও কী কন্ডোমের ব্যবহার করা যায়! আসলে জোগাড় করার হলে যে কোনও কিছু দিয়েই করা যায়। জোগাড় করা ইচ্ছে আর কায়দা জানলেই হল। এমনিতেই টোকিও অলিম্পিক্স থেকে একের পর এক অবাক করার মতো খবর আসছে। এবার জানা গেল, অস্ট্রেলিয়ার একজন অ্যাথলিট কন্ডোম দিয়ে কায়াক সারিয়ে ইভেন্টে নেমে সোনা জিতেছেন। অনেকের কাছেই হয়তো কায়াক শব্দটা নতুন। কায়াক ইংরেজি শব্দ। সোজা বাংলায় বললে কায়াক মানে দাঁড়। অস্ট্রেলিয়ার জেসিকা ফক্স ক্যানোয়িং ইভেন্টে সোনা জিতেছেন। তবে ইভেন্টের আগের দিন তিনি দেখেন, তাঁর কায়াক-এর একটি অংশ ভেঙে গিয়েছে। সেই ভাঙা অংশই অদ্ভুতভাবে সারিয়ে নিলেন অজি অ্যাথলিট।

    প্রথমে কায়াক-এর সেই ভাঙা অংশ ব্ল্য়াক টেপ দিয়ে জুড়ে তার উপর কন্ডোম পরিয়ে দিলেন তিনি। তাতে জলের ঝাপটা লাগলেও কায়াক-এর ভাঙা অংশটি সামলে নেবে। অলিম্পিকের সপ্তম দিন সেই ভাঙা কায়াক নিয়েই ক্য়ানোয়িং ইভেন্টে সোনা জিতেছেন। ২৭ বছর বয়সী ফক্সের পারফরম্যান্স দেখে অনেকেই অবাক হয়ে গিয়েছেন। ইভেন্টের আগেরদিন রাতে ফক্স লক্ষ্য করেন তাঁর কায়াক-এর একটি অংশ আচমকা ভেঙে গিয়েছে। এত তাড়াতাড়ি কায়াক জোগাড় করাটাও চাপের। তাই তিনি ও তাঁর টিম সেই ভাঙা কায়াক জোড়ার কাজে লেগে পড়ল। কন্ডোমের সঙ্গে কায়াক বা ক্যানোয়িংয়ের দূর দূরান্ত পর্যন্ত কোনও সম্পর্ক নেই। কিন্তু ফক্স কন্ডোমের সাহায্যেই ব্যবহারের অযোগ্য কায়াকটিকে কাজে লাগিয়ে ফেললেন।

    টিকটক এবং ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন ফক্স। সেখানে দেখানো হয়েছে, কীভাবে কন্ডোম ব্যবহার করে কায়াক সারানো হয়েছিল। কায়াক-এর সামনের অংশটি ভেঙেছিল। সেখানে কালো রঙের টেপ জাতীয় কিছু একটা লাগানো হয় প্রথমে। কিন্তু জলের ঝাপটায় সেটা খুলে যাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। আর তাই ফক্সের টিম সেই কালো টেপের উপর কন্ডোম পরিয়ে দেয়। সেই ভিডিওটি এখন ভাইরাল।

    Published by:Suman Majumder
    First published: