সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ইকো-ইসিজি-তে ধরা পড়ল সমস্যা! কাল অ্যাঞ্জিয়োগ্রাম হতে পারে

সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের ইকো-ইসিজি-তে ধরা পড়ল সমস্যা! কাল অ্যাঞ্জিয়োগ্রাম হতে পারে
হাসপাতালে ভর্তি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ।

ক্যাথ ল্যাবে ইতিমধ্যেই ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে সৌরভের। করা হয়েছে ইকো কার্ডিয়োগ্রাম। তাতে তাঁর ইকো এবং ইসিজি-তে সমস্যা ধরা পড়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: ফের অসুস্থ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় । বুকে ব্যথা নিয়ে ফের তাঁকে নিয়ে যাওয়া হল অ্যাপোলো হাসপাতালে । পরিবার সূত্রে খবর, ফের বুকে ব্যথা অনুভব করেন সৌরভ, দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে । এ দিন গ্রিন করিডর করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় বিসিসিআই প্রেসিডেন্টকে।

    পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, গতকাল রাত থেকেই ফের বুকে ব্যথা অনুভব করেন সৌরভ । রাতে ভাল করে ঘুম হয়নি । বুধবার সকালেও অস্বস্তি না কমায় চিকিৎসক সরোজ মণ্ডলের পরামর্শে মহারাজকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় । অ্যাপোলোর ১৪২ নং কেবিনে ভর্তি রয়েছেন তিনি । এ দিন গাড়ি থেকে নেমে হেঁটেই হাসপাতালে ঢোকেন সৌরভ। সেখানে চিকিৎসক আফতাব খান, সপ্তর্ষই বসু এবং সরোজ মণ্ডলের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন তিনি।

    ক্যাথ ল্যাবে ইতিমধ্যেই ডাক্তারি পরীক্ষা করা হয়েছে সৌরভের। করা হয়েছে ইকো কার্ডিয়োগ্রাম। তাতে তাঁর ইকো এবং ইসিজি-তে সমস্যা ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার অ্যাঞ্জিয়োগ্রাম হতে পারে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। বাকি দু’টি স্টেন্ট বসানোর চিন্তাভাবনাও শুরু করেছেন চিকিৎসকরা । তবে এই মুহূর্তে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।


    ইতিমধ্যেই বাংলায় বিজপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে ফোন করে সৌরভের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিয়েছেন অমিত শাহ। কিছুদিন পরেই বাংলায় প্রচারে আসার কথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ।

    এ মাসের ২ তারিখ বুকে ব্যথা নিয়ে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সৌরভ । সেই সময় ডাক্তারি পরীক্ষায় দেখা যায়, হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী তিনটি ধমনীতে ব্লকেজ রয়েছে সৌরভের। প্রথমে অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করা হয় তাঁর। তার পর ধমনীর ‘ব্লকেজ’ সরাতে বসানো হয় স্টেন্ট। আরও দু’টি স্টেন্ট বসানোর প্রক্রিয়া বাকি ছিল । সে সময় সৌরভ’কে দেখতে এসেছিলেন বিখ্যাত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠি । তিনিও সম্পূর্ণ ফিট সার্টিফিকেট দিয়েছিলেন মহারাজকে । তারপরেই ৭ জানুয়ারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান সৌরভ । এরপর থেকে বাড়িতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে ছিলেন তিনি । তারপরেও কী ভাবে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার ২০ দিনের মধ্যে ফের অসুস্থতা বোধ করলেন দাদা, সেটাই পরীক্ষা করে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা ।

    Published by:Simli Raha
    First published: