সৌরভের নামের সঙ্গেই যেন জড়িয়ে প্রত্যাবর্তন শব্দটা

সৌরভের নামের সঙ্গেই যেন জড়িয়ে প্রত্যাবর্তন শব্দটা
  • Share this:

#কলকাতা: মহারাজকীয়। ভারতীয় ক্রিকেটে সৌরভ যুগকে এ ভাবেই বর্ণনা করছেন প্রাক্তনরা। তাঁদের মতে সৌরভের নামের সঙ্গেই যেন জড়িয়ে প্রত্যাবর্তন শব্দটা।

চ্যালেঞ্জ। সেই ছোটবেলা থেকেই এই শব্দটার সঙ্গে লড়াই করছেন। লড়াই করছেন যে কোনও প্রতিকূলতার সঙ্গে। তাই ১৯৯২ সালে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেকের পরেও, তাঁকে টেস্ট ম্যাচে প্যাড-আপ করতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল প্রায় চার বছর।

এরপর ১৯৯৬ সালের লর্ডস। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট। অভিষেক এক বাঙালি ক্রিকেটারের। শূন্য থেকে শুরু করে থামলেন ১৩১ রানের দুরন্ত ইনিংসে। ঠিক পরের বছর টরেন্টোতে নতুন রূপে মহারাজ। এবার তিনি বোলার। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বন্ধুত্ব সিরিজে আত্মপ্রকাশ হল ম্যান উইথ গোল্ডেন আমের।

টনটন, ১৯৯২: বিশ্বকাপের বাইশ গজে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কা। রাহুল দ্রাবিড়কে নিয়ে তৃতীয় উইকেটে ৩১৮ রানের রূপকথা। একবছরের মধ্যেই পালাবদল। ম্যাচ গড়াপেটার কলঙ্কে লজ্জায় মুখ ঢাকছে ভারতীয় ক্রিকেট। এই কঠিন সময়েই টিম ইন্ডিয়া তৈরি রূপকার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

কলকাতা, ২০০১: মহারাজের নেতৃত্বে আটকে গেল স্টিভ ও’র অস্ট্রেলিয়া। ভেরি ভেরি স্পেশাল লক্ষ্মণ আর ভাজ্জির ভেলকিতে সিরিজে সমতায় ফিরল ভারত।

লর্ডস, সময়টা ২০০২: ন্যাটওয়েস্ট ট্রফির ফাইনালে যুবি-কাইফের ব্যাটে ইতিহাস। স্মরণীয় হয়ে থাকল ব্যালকনিতে নেতা সৌরভের জার্সি ওড়ানোর ছবি।

মুম্বই, ২০০৫: গুরু গ্রেগের হাতে ভারতীয় ক্রিকেট। তাঁর টিম ইন্ডিয়ার ব্রাত্য মহারাজ। একবছরের মধ্যেই ফের ফিরে আসা।

জো’বার্গ, ২০০৬: সৌরভের ব্যাটে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ঐতিহাসিক জয়। টেস্টের পর নাগপুরে একদিনের ক্রিকেটেও প্রত্যাবর্তন। ২০০৭ সালে এক ক্যালেন্ডার বছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী।

নাগপুর, ২০০৮: অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ তাঁর টেস্ট ক্রিকেট। সাত বছর পর নতুন অবতারে প্রিন্স অফ ক্যালকাটা। সিএবি’তে শুরু প্রশাসক হিসেবে ইনিংস।

১৪ অক্টোবর ২০১৯: ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

First published: 07:55:36 PM Oct 14, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर