জীবনের প্রথম ইংল্যান্ড সফরে ওপেনার, ভয় পাচ্ছেন না গিল

ওপেনার হিসেবে ধারাবাহিকতা দেখাতে চান গিল

গিল মনে করেন মুখে যতই বলুন চাপ নেই, জীবনের প্রথম ইংল্যান্ড সফরে ওপেন করতে যাওয়া, চাপ সামলাতে তো হবেই। তবে তিনি আশাবাদী সাফল্য পাবেন

  • Share this:

    #মুম্বই: তিনি যে লম্বা রেসের ঘোড়া তাতে সন্দেহ নেই কারও। ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটাররা আগামীদিনের মহাতারকা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন শুভমান গিলকে। তিনি মরিয়া হয়ে থাকবেন জীবনের প্রথম ইংল্যান্ড সফর স্মরণীয় করে রাখতে। বিরাট কোহলির সঙ্গে নিয়মিত কথা বলে নিজের খেলায় অনেক আত্মবিশ্বাস আনতে পেরেছেন মনে করেন গিল। ভারত অধিনায়ক সব সময় তাঁকে ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলার উপদেশ দেন। পাশাপাশি রোহিত শর্মার সঙ্গে যখন ব্যাট করেন তখন আলোচনার মাধ্যমে ঠিক করেন, কোন সময় ধরে খেলবেন, কখনই বা আক্রমণ করবেন বোলারদের।

    বিদেশের মাটিতে প্রত্যেক সেশন ধরে খেলতে পারলে সাফল্য আসতে বাধ্য। এমনটাই মত শুভমন গিলের। ইংল্যান্ডের মাটিতে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত। তার আগে ভারতের মাটিতে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট ও আইপিএল-এ ভাল ছন্দে না থাকলেও আত্মবিশ্বাসী গিল। অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট সিরিজের সাফল্যই টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপে কাজে দেবে বলে মনে করেন ভারতের এই ওপেনার।

    তিনি বলেন, ‘‘আমরা দারুণ খেলেছি অস্ট্রেলিয়াতে। ওপেনার হিসেবে আমার মনে হয়, প্রতিটা সেশনে এগিয়ে থাকার চেষ্টা করলে সাফল্য আসবে। শুধু ইংল্যান্ড বলে নয় বিদেশের মাটিতে সবসময়ই এই চেষ্টা করে যেতে হবে। ইংল্যান্ডে আকাশ মেঘলা থাকলে বল ভাল সুইং করে। মেঘ কেটে গেলে ব্যাট করতে সুবিধা হয়। ওপেনার হিসেবে তাই সঠিক হাবে পর্যবেক্ষণ করা খুব জরুরি।’’

    গিল আরও বলেন, ‘‘অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সাফল্য আমাদের আত্মবিশ্বাস যোগাবে। বেশ কয়েক বছর ধরেই আমরা ভাল খেলছি। টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের আগে এর থেকে ভাল প্রস্তুতি আর হতে পারে না।’’ আইপিএল-এ বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে খেলতে পারা তাঁকে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন গিল। তিনি বলেন, ‘‘বিশ্বের সেরা বোলাদের বল নেটে দীর্ঘ সময় খেললে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। কেকেআর দলে এ মরশুমে লকি ফার্গুসন ও প্যাট কামিন্সের মত বোলারদের নেটে খেলতে পারায় সুবিধা হয়েছে।’’

    গিল মনে করেন মুখে যতই বলুন চাপ নেই, জীবনের প্রথম ইংল্যান্ড সফরে ওপেন করতে যাওয়া, চাপ সামলাতে তো হবেই। তবে তিনি আশাবাদী সাফল্য পাবেন। অতিরিক্ত চাপ নিচ্ছেন না। অস্ট্রেলিয়া সফরের সুখের স্মৃতি চিন্তা করছেন। পাশাপাশি অ্যান্ডারসন, ব্রডদের সুইং সামলাতে প্রস্তুতি নিতে শুরু করবেন কয়েকদিনের ভেতর।

    Published by:Rohan Chowdhury
    First published: