corona virus btn
corona virus btn
Loading

বিশ্বকাপের মাঝেই স্ত্রীকে আলমারিতে লুকিয়ে রেখেছিলেন, মজার গল্প ফাঁস করলেন সাকলিন

বিশ্বকাপের মাঝেই স্ত্রীকে আলমারিতে লুকিয়ে রেখেছিলেন, মজার গল্প ফাঁস করলেন সাকলিন
মজার কাহিনি শোনালেন সাকলিন৷

টুর্নামেন্টের মাঝপথে পাকিস্তান বোর্ড থেকে আচমকাই স্ত্রীদের সঙ্গে রাখা যাবে না বলে নির্দেশ আসে৷

  • Share this:

#নয়াদিল্লি: খেলার মাঠের বাইরেও ক্রিকেটারদের জীবনে এমন কিছু ঘটনা ঘটে যা স্মরণীয় হয়ে থেকে যায়৷ স্ত্রীদের সঙ্গে রাখা নিয়ে সবদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গেই ক্রিকেট বোর্ডের কর্তাদের মতবিরোধ পরিচিত ঘটনা৷ কিন্তু নিজের কাছে রাখতে গিয়ে কোনও ক্রিকেটার যে তাঁর স্ত্রীকে হোটেলের আলমারিতে লুকিয়ে রাখতে পারেন, এমন ঘটনা সচরাচর শোনা যায় না৷

কিন্তু এমনই অভিজ্ঞতা হয়েছিল পাকিস্তানের বিখ্যাত স্পিনার সাকলিন মুস্তাকের৷ তাও আবার বিশ্বকাপ খেলতে গিয়েই নিজের স্ত্রীকে আলমারিতে লুকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েছিলেন এই প্রাক্তন ক্রিকেটার৷ সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজেই সেকথা জানিয়েছেন তিনি৷

সাকলিন জানিয়েছেন, ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপে স্ত্রীদের সঙ্গেই হোটেলে থাকার অনুমতি পেয়েছিলেন ক্রিকেটাররা৷ কিন্তু টুর্নামেন্টের মাঝপথে পাকিস্তান বোর্ড থেকে আচমকাই স্ত্রীদের সঙ্গে রাখা যাবে না বলে নির্দেশ আসে৷ যাতে আপত্তি ছিল সাকলিনের৷ কারণ সেই সময় টুর্নামেন্টে দল ভাল খেলছিল, সবকিছু ঠিকঠাকও চলছিল৷ এই অবস্থায় কিছুটা কুসংস্কারবশতই কোনও বদল আনতে চাননি বলে দাবি সাকলিনের৷ বোর্ডের নির্দেশ নিয়ে নিজের আপত্তির কথা তিনি দলের কোচ রিচার্ড পাইবাসকেও জানিয়েছিলেন৷ যদিও সাকলিনের এই আপত্তি মানতে চায়নি বোর্ড৷ এর পরই স্ত্রীকে ঘরের আলমারিতে লুকিয়ে রাখার ফন্দি আঁটেন তিনি৷ সাকলিন জানিয়েছেন, যখনই দলের ম্যানেজার, কোচ বা অন্য কোনও বোর্ড কর্তা ক্রিকেটারদের ঘর পরিদর্শনে আসতেন, তখন স্ত্রীকে আলমারির মধ্যে ঢুকিয়ে দিতেন তিনি৷ সতীর্থরা ঘরে আড্ডা মারতে এলেও একই পথ নিতেন সাকলিন৷

প্রাক্তন স্পিনার জানিয়েছেন, 'এ ভাবেই একদিন এক বোর্ড কর্তা আমার ঘর পরিদর্শনে আসেন৷ দরজায় ধাক্কা শুনে স্ত্রীকে আলমারির মধ্যে লুকিয়ে রাখি৷ ওই বোর্ড কর্তা চলে যাওয়ার পর আমার দুই সতীর্থ আজহার মেহমুদ এবং ইউসুফ ঘরে আসে৷ ওঁরাও বোর্ডের এই নতুন নিয়ম নিয়ে কথা বলতে এসেছিল৷ কিন্তু ওরা সন্দেহ করে যে আমার সঙ্গে আমার স্ত্রী রয়েছে৷ ওদের জোরাজুরিতেই এর পর আমি স্ত্রীকে আলমারি থেকে বেরিয়ে আসতে বলি৷'

সাকলিন জানান. এই ঘটনার পর পরই ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে পাকিস্তান হেরে যায়৷ ফলে দলের সবাই মুষড়ে পড়ে৷ পরিস্থিতিও থমথমে হয়ে যায়৷ হোটেলে ফিরেই তিনি স্ত্রীকে লন্ডনে তাঁর অ্যাপার্টমেন্টে চলে যেতে বলেন৷ সাকলিন অবশ্য জানিয়েছেন, স্ত্রী সঙ্গে থাকলেও দলের প্রতি তাঁর দায়িত্ব যথাযথ ভাবেই পালন করতেন তিনি৷ ১৯৯৮ সালে তাঁর বিয়ে হয়েছিল৷ তাই সকাল থেকে খেলা, অনুশীলনে কঠোর পরিশ্রম করার পর সন্ধ্যায় তিনি স্ত্রীর সঙ্গে সময় কাটাতেন৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: July 1, 2020, 4:26 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर